4 Answers
পৃথিবীর চারদিকে ঘোরার জন্য কৃত্রিম উপগ্রহের কেন্দ্রমুখী বল বা টানের প্রয়োজন হয়। কৃত্রিম উপগ্রহের উপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল বা অভিকর্ষ বলই এ কেন্দ্রমুখী বল যোগায়। কৃত্রিম উপগ্রহের নিজস্ব কোন গতি না থাকায় হিসাব করে দেখা গেছে যে, যদি কৃত্রিম উপগ্রহকে পৃথিবীর প্রায় 250 কিলোমিটার উপরে তুলে পৃথিবীপৃষ্ঠে সমান্তরালভাবে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 8 কিলোমিটার বেগ দেওয়া যায় তবে কৃত্রিম উপগ্র টি পৃথিবীর চারদিকে ঘুরবে। কিন্তু এত উপরে তুলে কোন বস্তুকে এত বেশি বেগ দেওয়া সহজসাধ্য নয়। কারণ বায়ুস্তরের সাথে তীব্র সংঘর্ষে তাপ উৎপন্ন হয়ে বস্তুটি পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। আর এ কারণেই তিনটি রকেট এর সাহায্যে কৃত্রিম উপগ্রহ কে নির্দিষ্ট উচ্চতায় তুলে পরে ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে বেগ দেওয়া হয়। এভাবেই কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে থাকে।
পৃথিবীর চারদিকে ঘোরার জন্য কৃত্রিম উপগ্রহের কেন্দ্রমুখী বল বা টানের প্রয়োজন হয়। কৃত্রিম উপগ্রহের উপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল বা অভিকর্ষ বলই এ কেন্দ্রমুখী বল যোগায়। কৃত্রিম উপগ্রহের নিজস্ব কোন গতি না থাকায় হিসাব করে দেখা গেছে যে, যদি কৃত্রিম উপগ্রহকে পৃথিবীর প্রায় 250 কিলোমিটার উপরে তুলে পৃথিবীপৃষ্ঠে সমান্তরালভাবে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 8 কিলোমিটার বেগ দেওয়া যায় তবে কৃত্রিম উপগ্র টি পৃথিবীর চারদিকে ঘুরবে। কিন্তু এত উপরে তুলে কোন বস্তুকে এত বেশি বেগ দেওয়া সহজসাধ্য নয়। কারণ বায়ুস্তরের সাথে তীব্র সংঘর্ষে তাপ উৎপন্ন হয়ে বস্তুটি পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। আর এ কারণেই তিনটি রকেট এর সাহায্যে কৃত্রিম উপগ্রহ কে নির্দিষ্ট উচ্চতায় তুলে পরে ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে বেগ দেওয়া হয়।
কৃত্রিম উপগ্রহ এমনভাবে পৃথিবীর চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান হয়, যাতে এর গতির সেন্ট্রিফিউগাল বা বহির্মুখীন শক্তি ওকে বাইরের দিকে গতি প্রদান করে - কিন্তু পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণ শক্তি একে পৃথিবীর আওতার বাইরে যেতে দেয় না। উভয় শক্তি কৃত্রিম উপগ্রহকে ভারসাম্য প্রদান করে এবং কৃত্রিম উপগ্রহটি পৃথিবীর চতুর্দিকে প্রদক্ষিণ করতে থাকে। যেহেতু মহাকাশে বায়ুর অস্তিত্ব নেই তাই এটি বাধাহীনভাবে পরিক্রমণ করে । কৃত্রিম উপগ্রহগুলো বৃত্তাকারে পরিক্রমণ করে না, তার গতি ডিম্বাকৃতির। টিভি ও বেতারসংকেত প্রেরণ এবং আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী কৃত্রিম উপগ্রহগুলো সাধারণত পৃথিবীথেকে ৩৬ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে। পৃথিবী থেকে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য পাঠানো হয়, কৃত্রিম উপগ্রহ সেগুলো গ্রহণ করে এবং বিবর্ধিত (এমপ্লিফাই) করে পৃথিবীতে প্রেরণ করে । কৃত্রিম উপগ্রহ দুইটি ভিন্ন কম্পাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করে সিগনাল (তথ্য) গ্রহণ এবং পাঠানোর জন্য । কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পৃথিবীতে আসা সিগনাল অনেক দুর্বল বা কম শক্তিসম্পন্ন হয়ে থাকে, তাই প্রথমে ডিস এন্টেনা ব্যবহার করে সিগনালকে কেন্দ্রীভূত করা হয় এবং পরে রিসিভার দিয়ে গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা হয় ।
পৃথিবীর চারদিকে ঘোরার জন্য কৃত্রিম উপগ্রহের কেন্দ্রমুখী বল বা টানের প্রয়োজন হয়। কৃত্রিম উপগ্রহের উপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল বা অভিকর্ষ বলই এ কেন্দ্রমুখী বল যোগায়। কৃত্রিম উপগ্রহের নিজস্ব কোন গতি না থাকায় হিসাব করে দেখা গেছে যে, যদি কৃত্রিম উপগ্রহকে পৃথিবীর প্রায় 250 কিলোমিটার উপরে তুলে পৃথিবীপৃষ্ঠে সমান্তরালভাবে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 8 কিলোমিটার বেগ দেওয়া যায় তবে কৃত্রিম উপগ্র টি পৃথিবীর চারদিকে ঘুরবে। কিন্তু এত উপরে তুলে কোন বস্তুকে এত বেশি বেগ দেওয়া সহজসাধ্য নয়। কারণ বায়ুস্তরের সাথে তীব্র সংঘর্ষে তাপ উৎপন্ন হয়ে বস্তুটি পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। আর এ কারণেই তিনটি রকেট এর সাহায্যে কৃত্রিম উপগ্রহ কে নির্দিষ্ট উচ্চতায় তুলে পরে ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে বেগ দেওয়া হয়। এভাবেই কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে থাকে।