1 Answers
শীতকালে শুষ্ক শীতল হাওয়া ও বাতাসে বেড়ে যাওয়া ধুলাবালুর কারণে ত্বক হয়ে যায় খসখসে ও মলিন। এর ফলে দেখা দেয় নানা সমস্যা, যেমন ত্বক ফেটে যাওয়া, ত্বকে চুলকানি ইত্যাদি। তাই শীতকালে ত্বকের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় দরকার বাড়তি যত্ন ও সতর্কতা। ত্বকের শুষ্কতা শীতে শুষ্ক আবহাওয়ার জন্য ত্বক স্বাভাবিক আর্দ্রতা দ্রুত হারিয়ে ফেলে। তাই শীতকালে গোসলে সাবান কম ব্যবহার করুন। আর করলেও ময়েশ্চারাইজিং সাবান ব্যবহার করুন। এতে ত্বকে খসখসে ভাব কমে আসবে। রাতে ঘুমানোর আগে ও গোসলের পর নিয়মিত ময়েশ্চারাইজিং লোশন ব্যবহার করলে ত্বকের খসখসে ভাব দূর হবে। ফলে চুলকানিও হবে না এবং ত্বকও ফাটবে না। ত্বকের আর্দ্রতা ও ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে রোজ গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে অলিভ অয়েল অথবা লিকুইড প্যারাফিন মাখতে পারেন। চুলের যত্ন শীতের সময় চুলে খুশকির উপদ্রব বেড়ে যায়। খুশকিমুক্ত থাকতে নিয়মিত সপ্তাহে দুই দিন কিটোকোনাজল শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। হাতের তালু ও পায়ের তলার যত্ন এ সময় ১০ ভাগ ইউরিয়া, ভেসলিন লাগালে হাতের তালু অনেকটা মসৃণ হয়ে আসে। শীতে অনেকের পায়ের তলা ফেটে যায়। ৫ ভাগ সেলিসাইলিক অ্যাসিড অয়েন্টমেন্ট অথবা ভেসলিন নিয়মিত মাখতে পারেন। মুখের যত্ন ভালো ময়েশ্চা-রাইজারযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। যাঁদের ব্রণের সমস্যা আছে, তাঁরা ক্রিমের সঙ্গে একটু পানি মিশিয়ে নিতে পারেন। শীত আসছে বলে ভাববেন না যে সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজনীতা কমে গেছে। শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার ৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। ঠোঁটের যত্ন ঠান্ডা বাতাসে ঠোঁট বারবার ফেটে যায়। কখনো এতটাই ফেটে যায় যে চামড়া উঠে আসে ও রক্ত বের হয়। কখনোই জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো উচিত নয়। কুসুম গরম পানিতে পরিষ্কার একটি কাপড় ভিজিয়ে নিয়ে ঠোঁটে হালকা করে তিন-চারবার চাপ দিন। তারপর ভেসলিন বা গ্লিসারিন পাতলা করে লাগিয়ে নিন। ঠোঁটের জন্য ভালো কোনো প্রসাধনী ব্যাগে রাখুন এবং দিনে তিন-চারবার লাগাতে পারেন। এছাড়া : সকালে ঝলমলে চেহারা পেতে শীতের রাতে করুন বিশেষ যত্ন-আত্তি : দেখতে দেখতে প্রকৃতির দরজায় কড়া নেড়েছে আরেকটি শীত। আর শীত কাল মানেই প্রকৃতির শুষ্ক হয়ে ওঠা। প্রকৃতির এই শুষ্কতার পাশাপাশি এসময়ে চেহারাও হয়ে ওঠে শুষ্ক ও অনুজ্জ্বল। আর এই শুষ্ক ও অনুজ্জ্বল চেহারার জন্য এসময়ে দরকার বাড়তি কিছু যত্ন। শুধু মুখের যত্ন করলে হবে?শীতে প্রয়োজন পুরো দেহের যত্ন : শুধু শীত কেন, সারা বছরই মুখের যত্ন করে থাকি আমরা। কিন্তু শুধু মুখের যত্ন করলে কি হবে? বিশেষ করে এই শীতে তো সেটা একদমই চলবে না। তাকিয়ে দেখুন তো নিজের পা গুলোর দিকে, মলিন আর কালচে দেখাচ্ছে না? গোড়ালি ফেটেছে না? নিজের কনুইর দিকে দেখুন,হাত বুলিয়ে দেখুন নিজের দেহে, চুলগুলোকে একটু নাড়া দিন। খসখসে আর প্রাণহীন লাগছে দেহের ত্বক,চুলে জমেছে খুশকি। না,চিন্তার কিছু নেই। কীভাবে স্বল্প সময়ে এই শীতেও দেহকে সুন্দর রাখতে পারবেন, আমাদের আজকের লেখা সেই বিষয়েই। শীতের সকালে চাই ঝলমলে ত্বক? রাতেই সেরে নিন মাত্র ১০ মিনিটের রূপচর্চা : শীতের আগমন ত্বকের রুক্ষতাই প্রমান করে দিচ্ছে। শীতকালে ত্বক নিষ্প্রাণ ও রুক্ষ হয়ে পড়ে। ত্বক চায় একটু আলাদা যত্ন। এই জন্য শীতে নিয়মিত ত্বকের যত্ন নেয়া উচিত। কিন্তু ব্যস্ততার এই যুগে কার বা সময় আছে আলাদা ভাবে ত্বকের একটু বেশি যত্ন নেয়ার। কিন্তু ঠিক মত যত্ন না নিলে ত্বকের উজ্জলতা হারায়, ত্বকের উপরিভাগ কালো হয়ে আসে এবং ত্বক ফেটে যায়। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল ৩ টি অতি জরুরী ফেসিয়াল মাস্ক। যা ত্বককে শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচায়। সারাদিন যারা কাজের ব্যস্ততায় সময় করে উঠতে পারেন না তারা রাতে বাসায় ফিরে ঘুমানোর পূর্বে অনায়েসে এই ফেসিয়াল মাস্ক তৈরি করে ত্বকে উজ্জলতা ফিরিয়ে আনতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের যত্নে ৩টি সহজ ফেসমাস্ক : বলাই বাহুল্য যে একেক জনের ত্বকের ধরন থাকে একেক রকম। তাই অতি অবশ্যই নিজের ত্বকের ধরণ বুঝে সেই অনুযায়ী প্রসাধনী ব্যবহার ও রূপচর্চা করা উচিত। ঋতুতে এখন শীতের আমেজ এবং এই সময়টাতেই যাদের শুষ্ক ত্বক তারা খুব সমস্যায় ভুগে থাকেন। কারণ শীতের আবহাওয়ায় ত্বক আরও বেশি শুষ্ক হয়ে ওঠে, হারায় সৌন্দর্য। তাই ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে নিজেকে বাঁচাতে আপনাদের জন্য রয়েছে কিছু সহজ টিপস। শীতের মৌসুমে শুষ্ক ত্বক থেকে মুক্তির ৬টি সহজ উপায় : শীত কড়া নাড়ছে দরজায়। আর সেই সঙ্গে আমাদের ত্বকও তা জানান দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই অনেকের ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া শুরু করেছে। হাত পায়ের ত্বকও বেশ রুক্ষ হয়ে যেতে শুরু করেছে, ঠোঁটও ফেটে যাচ্ছে অনেকেরই। শীতকালে আদ্রর্তা হারিয়ে ত্বক শুষ্ক হয়ে উঠে এবং নানান রকম সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাই শীতে ত্বকের অবশ্যই দরকার বাড়তি যত্ন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy