কোন জলপথ নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিবাদ ছিল?

পারস্য উপসাগর
আরব সাগর
শাত-ইল-আরব
ওমান উপসাগর

সঠিক উত্তর: শাত-ইল-আরব

শাত - ইল - আরব জলপথ নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিবাদ ছিল। শাতিল আরব নামেও পরিচিত এই নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২০০ কিলোমিটার (১২০ মাইল)। দক্ষিণ ইরাক - এর বাসরা গভর্নরেট এর আল - কুরনা শহরে ইউফ্রেটিস এবং টাইগ্রিস - এর সঙ্গমে এই নদীটি গঠিত হয়েছে। নদীর দক্ষিণ প্রান্তটি ইরাক ও ইরান - এর মাঝে সীমানা গঠন ক'রে পারস্য উপসাগর - এ গিয়ে মিশেছে। বসরায় এর প্রস্থ প্রায় ২৩২ মিটার (৭৬১ ফু) এবং মুখের দিকে তা বেড়ে হয়েছে ৮০০ মিটার (২, ৬০০ ফু) পর্যন্ত। ধারণা করা হয়, এর জলধারাটি তুলনায় সাম্প্রতিক ভূতাত্ত্বিক সময়ে তৈরি হয়েছিল। সে সময়, মূলত পশ্চিমে আরও একটি চ্যানেল তৈরী হয়েছিল এবং তার মাধ্যমেই টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিসের জলধারা, পারস্য উপসাগরে মুক্ত হত।
Bissoy MCQ

Related Questions

কোন জলপথ নিয়ে ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিবাদ ছি?
কোন জলপথ দিয়ে ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিবাদ ছিল?
শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম -------
কোন ইউরোপীয় ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন?
কোন ইউরোপীয় ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন ?
ইরাক আক্রমণে আমেরিকার সমর্থনকারী দেশ ছিল না -

Next steps