ইয়া-বানীআ-দামা ইম্মা-ইয়া’তিইয়ান্নাকুম রুছুলুম মিনকুম ইয়াকু সসূনা ‘আলাইকুম আ-য়াতী ফামানিত্তাক-ওয়া আস লাহা ফালা-খাওফুন ‘আলাইহিম ওয়ালা-হুম ইয়াহঝানূন।উচ্চারণ
(আর সৃষ্টির সূচনাপর্বেই আল্লাহ একথা পরিষ্কার বলে দিয়েছিলেনঃ) হে বনী আদম! মনে রেখো, যদি তোমাদের কাছে তোমাদের মধ্য থেকে কোন রসূল এসে তোমাদেরকে আমার আয়াত শুনাতে থাকে, তাহলে যে ব্যক্তি আমার নাফরমানী করা থেকে বিরত থাকবে এবং নিজের কর্মনীতির সংশোধন করে নেবে, তার কোন ভয় এবং দুঃখের কারণ নেই। তাফহীমুল কুরআন
(মানুষকে সৃষ্টি করার সময়ই আল্লাহ তাআলা সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে,) হে বনী আদম! তোমাদের কাছে যদি তোমাদেরই মধ্য হতে কোন রাসূল এসে আমার আয়াতসমূহ তোমাদেরকে পড়ে শোনায়, তবে তখন যারা তাকওয়া অবলম্বন করবে ও নিজেদেরকে সংশোধন করবে, তাদের কোনও ভয় দেখা দেবে না এবং তারা দুঃখিতও হবে না।মুফতী তাকী উসমানী
হে আদম সন্তান! তোমাদের মধ্য হতে যদি কোন রাসূল তোমাদের নিকট আগমন করে এবং আমার বাণী ও নিদর্শন তোমাদের কাছে বিবৃত করে; তখন যারা সতর্ক হবে এবং নিজেদেরকে সংশোধন করে নিবে এবং সৎ কাজ করবে, তাদের কোন ভয়-ভীতি থাকবেনা।মুজিবুর রহমান
হে বনী-আদম, যদি তোমাদের কাছে তোমাদেরই মধ্য থেকে পয়গম্বর আগমন করে তোমাদেরকে আমার আয়াত সমূহ শুনায়, তবে যে ব্যক্তি সংযত হয় এবং সৎকাজ অবলম্বন করে, তাদের কোন আশঙ্কা নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
হে বনী আদম ! যদি তোমাদের মধ্য হতে কোন রাসূল তোমাদের নিকট এসে আমার নিদর্শন বিবৃত করে তখন যারা সাবধান হবে আর নিজেদের সংশোধন করবে, তা হলে তাদের কোন ভয় থাকবে না আর তারা দুঃখিতও হবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে বনী আদম, যদি তোমাদের নিকট তোমাদের মধ্য থেকে রাসূলগণ আসে যারা তোমাদের নিকট আমার আয়াতসমূহ বর্ণনা করবে, তবে যারা তাকওয়া অবলম্বন করবে এবং (আমল) সংশোধন করবে, তাদের উপর কোন ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।আল-বায়ান
হে আদাম সন্তান! তোমাদের কাছে তোমাদেরই মধ্যে থেকে যখন রসূলগণ আসে যারা তোমাদের কাছে আমার আয়াতগুলোকে বিশদভাবে ব্যাখ্যা করে, তখন যারা তাকওয়া অবলম্বন করে আর নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয়, তাদের কোন ভয় নেই, তারা চিন্তিত হবে না।তাইসিরুল
হে আদমের বংশধরগণ! যখন তোমাদের কাছে তোমাদের মধ্যে থেকে রসূলগণ আসেন তোমাদের কাছে আমার নির্দেশাবলী বর্ণনা করেন, তখন যে কেউ ভয়-ভক্তি করে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য তবে থাকবে না ভয়ভীতি, আর তারা করবেও না অনুতাপ।মাওলানা জহুরুল হক
৩৫. হে বনী আদম! যদি তোমাদের নিকট তোমাদের মধ্য থেকে রাসূলগণ আসেন, যারা আমার আয়াতসমূহ তোমাদের কাছে বিবৃত করবেন, তখন যারা তাকওয়া অবলম্বন করবে এবং নিজেদের সংশোধন করবে, তাদের কোন ভয় থাকবে না এবং তারা চিন্তিতও হবে না।
(৩৫) হে মানবজাতি! যখন তোমাদের মধ্য হতে কোন রসূল তোমাদের নিকট এসে আমার নিদর্শনসমূহ বিবৃত করে, তখন যারা সাবধান হবে এবং নিজেকে সংশোধন করবে, তাদের কোন ভয় থাকবে না এবং তারা দুঃখিতও হবে না। (1)
(1) এ আয়াতে সেই ঈমানদারদের সুন্দর পরিণামের কথা বর্ণনা করা হয়েছে, যাঁরা আল্লাহভীরুতা এবং নেক আমলের সাজে সজ্জিত হন। কুরআন ঈমানের সাথে সাথে অধিকাংশ স্থানে নেক আমলের কথা অবশ্যই উল্লেখ করেছে। যা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, আল্লাহর নিকট সেই ঈমানই গ্রহণযোগ্য যার সাথে নেক আমলও থাকে।