ফাইন কাযযাবূকা ফাকুর রব্বুকুম যূরহমাতিওঁ ওয়া-ছি‘আতিওঁ ওয়ালা-ইউরদ্দুবা’ছুহূ ‘আনিল কাওমিল মুজ রিমীন।উচ্চারণ
এখন তারা যদি তোমার কথা না মানে তাহলে তাদেরকে বলে দাও, তোমাদের রবের অনুগ্রহ সর্বব্যাপী এবং অপরাধীদের ওপর থেকে তাঁর আযাব রদ করা যেতে পারে না। ১২৩ তাফহীমুল কুরআন
তারপরও যদি তারা (অর্থাৎ কাফেরগণ) তোমাকে অস্বীকার করে, তবে বলে দাও, তোমাদের প্রতিপালক সর্বব্যাপী দয়ার মালিক এবং অপরাধীদের থেকে তার শাস্তি টলানো যায় না। #%৮৯%#মুফতী তাকী উসমানী
সুতরাং এ সব বিষয়ে যদি তারা তোমাকে মিথ্যাবাদী মনে করে তাহলে তুমি বলে দাওঃ তোমাদের রাব্ব খুবই করুণাময়, আর অপরাধী সম্প্রদায় হতে তাঁর শাস্তির বিধান কখনই প্রত্যাহার করা হবেনা।মুজিবুর রহমান
যদি তারা আপনাকে মিথ্যবাদী বলে, তবে বলে দিনঃ তোমার প্রতিপালক সুপ্রশস্ত করুণার মালিক। তাঁর শাস্তি অপরাধীদের উপর থেকে টলবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরপর যদি তারা তোমাকে প্রত্যাখ্যান করে তবে বল, ‘তোমাদের প্রতিপালক সর্বব্যাপী দয়ার মালিক আর অপরাধী সম্প্রদায়ের ওপর হতে তাঁর শাস্তি রদ করা হয় না।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর যদি তারা তোমাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে তুমি বল, তোমাদের রব সর্বব্যাপী দয়ার অধিকারী। আর তার আযাব অপরাধী কওম থেকে ফেরানো হয় না।আল-বায়ান
অতঃপর যদি তারা তোমাকে মিথ্যে মনে করে তবে তাদেরকে বল, তোমাদের প্রতিপালক প্রশস্ত দয়ার মালিক, (কিন্তু তাওবা না করে অপরাধীই থেকে গেলে) তবে অপরাধী সম্প্রদায়ের উপর হতে তাঁর শাস্তি রদ হয় না।তাইসিরুল
কাজেই তারা যদি তোমাকে প্রত্যাখ্যান করে তবে বলো -- "তোমাদের প্রভু সর্বব্যাপী করুণার মালিক, কিন্ত তাঁর শাস্তি প্রতিহত হবে না অপরাধী সম্প্রদায়ের থেকে।"মাওলানা জহুরুল হক
১২৩
অর্থাৎ এখনো যদি তোমরা নিজেদের নাফরমানীর নীতি ও কার্যক্রম পরিহার করে বন্দেগীর সঠিক দৃষ্টিভংগী গ্রহণ করো, তাহলে তোমাদের রবের অনুগ্রহের ক্ষেত্র নিজেদের জন্য অনেক বেশী বিস্তৃত পাবে। কিন্তু যদি তোমরা নিজেদের এই অপরাধ বৃত্তি ও বিদ্রোহী মানসিকতার ওপর অবিচল থাকো তাহলে ভালভাবে জেনে রাখো, তাঁর গযব থেকে তোমাদের কেউ বাঁচাতে পারবে না।
অস্বীকারকারী বলে এখানে সরাসরিভাবে ইয়াহুদীদেরকে বোঝানো হয়েছে। কেননা উপরে বর্ণিত জিনিসসমূহকে যে তাদের প্রতি তাদের অবাধ্যতার কারণে হারাম করা হয়েছিল, তারা এটা অস্বীকার করত। অবশ্য আরব মুশরিকগণও এর অন্তর্ভুক্ত। তারা কুরআন মাজীদের সব কথাই অস্বীকার করত, এটাও তার একটা। উভয় সম্প্রদায়কে বলা হচ্ছে, কুরআনকে প্রত্যাখ্যান করা সত্ত্বেও যে তাদেরকে তাৎক্ষণিকভাবে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না, উপরন্তু তাদের পার্থিব সুখণ্ডসাচ্ছন্দ্য লাভ হচ্ছে, এটা এ কারণে নয় যে, আল্লাহ তাআলা তাদের কাজে খুশী। আসল কথা হচ্ছে, দুনিয়ায় আল্লাহ তাআলার দয়া সর্বব্যাপী। এখানে তিনি তাঁর বিদ্রোহীদেরকেও জীবিকার সম্পন্নতা দান করেন। তবে এটা নিশ্চিত যে, এ অপরাধীদেরকে একদিন না একদিন অবশ্যই শাস্তি ভোগ করতে হবে এবং তা কেউ টলাতে পারবে না।
১৪৭. অতঃপর যদি তারা আপনার উপর মিথ্যারোপ করে, তবে বলুন, ‘তোমাদের রব সর্বব্যাপী দয়ার মালিক এবং অপরাধী সম্প্রদায়ের উপর থেকে তার শাস্তি রদ করা হয় না।
(১৪৭) তবুও যদি তারা তোমাকে মিথ্যাজ্ঞান করে তাহলে বল, ‘তোমাদের প্রতিপালক ব্যাপক করুণাময়।(1) আর অপরাধী সম্প্রদায়ের উপর হতে তাঁর শাস্তি রদ হয় না।’(2)
(1) এই কারণেই মিথ্যাজ্ঞান সত্ত্বেও শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে তিনি তাড়াহুড়া করেন না।
(2) অর্থাৎ, অবকাশ দেওয়ার অর্থ এই নয় যে, আল্লাহর শাস্তি থেকে সব সময়ের জন্য সুরক্ষিত থাকবে। তিনি যখনই শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন, তখন তা কেউ রোধ করতে পারবে না।