ওয়া আন আকীমুসসালা-তা ওয়াত্তাকূহু ওয়া হুওয়াল্লাযীইলাইহি তুহশারূন।উচ্চারণ
নামায কায়েম করো এবং তাঁর নাফরমানী করা থেকে দূরে থাকো। তাঁরই কাছে তোমাদের সমবেত করা হবে। তাফহীমুল কুরআন
এবং (এই হুকুমও দেওয়া হয়েছে যে,) সালাত কায়েম কর এবং তাকে ভয় করে চল। তিনিই সেই সত্তা, যার কাছে তোমাদেরকে সমবেত করা হবে।মুফতী তাকী উসমানী
আর তুমি নিয়মিতভাবে সালাত কায়েম কর এবং সেই রাব্বকে ভয় করে চল যাঁর নিকট তোমাদের সকলকে সমবেত করা হবে।মুজিবুর রহমান
এবং তা এই যে, নামায কায়েম কর এবং তাঁকে ভয় কর। তাঁর সামনেই তোমরা একত্রিত হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘এবং সালাত কায়েম করতে ও তাঁকে ভয় করতে; আর তাঁরই নিকট তোমাদেরকে সমবেত করা হবে।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর (আদিষ্ট হয়েছি যে,) তোমরা সালাত কায়েম কর এবং তাঁর তাকওয়া অবলম্বন কর। আর তিনিই, যার কাছে তোমাদেরকে সমবেত করা হবে।আল-বায়ান
আরও (আদিষ্ট হয়েছি) নামায কায়িম করতে আর তাঁকে ভয় করতে আর তিনি হলেন (সেই সত্ত্বা) যাঁর কাছে তোমাদেরকে সমবেত করা হবে।তাইসিরুল
আর নামায প্রতিষ্ঠিত রাখতে ও তাঁকে ভয়ভক্তি করতে, আর তিনিই সেইজন যাঁর কাছে তোমাদের সমবেত করা হবে।মাওলানা জহুরুল হক
৭২. এবং সালাত কায়েম করতে ও তার তাকওয়া অবলম্বন করতে। আর তিনিই, যাঁর কাছে তোমাদেরকে সমবেত করা হবে।
(৭২) তোমরা নামায কায়েম কর এবং তাঁকে ভয় কর।(1) আর তাঁরই নিকট তোমাদেরকে সমবেত করা হবে।’
(1) وَأَنْ أَقِيْمُوْا এর সংযোগ হল لِنُسْلِمَ এর সাথে। অর্থাৎ, আমাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আমরা যেন বিশ্বের প্রতিপালকের অনুগত হয়ে যাই। আর আমরা যেন নামায কায়েম করি এবং তাঁকে ভয় করি। আনুগত্য স্বীকার করে নেওয়ার পর সবচেয়ে বড় নির্দেশ নামায প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশই দেওয়া হয়েছে। এতে নামাযের গুরুত্ব সুস্পষ্ট হয়ে যায়। আর এর পর রয়েছে আল্লাহভীরুতার নির্দেশ। কারণ, নামাযের প্রতি যত্নবান হওয়া আল্লাহভীরুতা ও নম্রতা ব্যতীত সম্ভব নয়। তিনি বলেন, {وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ} বিনীতগণ ব্যতীত আর সকলের নিকট নিশ্চিতভাবে এ কঠিন। (সূরা বাক্বারাহ ৪৫)