ওয়া হুওয়াল ক-হিরু ফাওকা ‘ইবা-দিহী ওয়া ইউরছিলুস ‘আলাইকুম হাফাজাতান হাত্তাইযা-জাআ আহাদাকুমুল মাওতুতাওয়াফফাতহু রুছুলুনা-ওয়া হুম লাইউফাররিতূন।উচ্চারণ
তিনি নিজের বান্দাদের ওপর পূর্ণ ক্ষমতা রাখেন এবং তোমাদের ওপর রক্ষক নিযুক্ত করে পাঠান। ৪০ অবশেষে যখন তোমাদের কারোর মৃত্যুর সময় সমুপস্থিত হয় তখন তাঁর প্রেরিত ফেরেশতারা তার প্রাণ বের করে নেয় এবং নিজেদের দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে তারা সামান্যতম শৈথিল্যও দেখায় না। তাফহীমুল কুরআন
তিনিই নিজ বান্দাদের উপর পরিপূর্ণ ক্ষমতা রাখেন এবং তোমাদের জন্য রক্ষক (ফিরিশতা) প্রেরণ করেন। #%২৮%# অবশেষে যখন তোমাদের কারও মৃত্যুকাল এসে পড়ে, তখন আমার প্রেরিত ফিরিশতাগণ তাকে পরিপূর্ণরূপে উসুল করে নেয় এবং তারা বিন্দুমাত্র ত্রুটি করে না।মুফতী তাকী উসমানী
আর আল্লাহই স্বীয় বান্দাদের উপর প্রতাপশালী, তিনি তোমাদের উপর রক্ষণাবেক্ষণকারী নিযুক্ত করে পাঠিয়ে থাকেন, এমনকি যখন তোমাদের কারও মৃত্যু সময় সমুপস্থিত হয় তখন আমার প্রেরিত দূতগণ তার প্রাণ হরণ করে নেয়, এ ব্যাপারে তারা বিন্দুমাত্র ক্রটি করেনা।মুজিবুর রহমান
অনন্তর তাঁরই দিকে তোমাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর তোমাদেরকে বলে দিবেন, যা কিছু তোমরা করছিলে। তিনিই স্বীয় বান্দাদের উপর প্রবল। তিনি প্রেরণ করেন তোমাদের কাছে রক্ষণাবেক্ষণকারী। এমন কি, যখন তোমাদের কারও মৃত্যু আসে তখন আমার প্রেরিত ফেরেশতারা তার আত্মা হস্তগত করে নেয়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তিনিই স্বীয় বান্দাদের ওপর পরাক্রমশালী আর তিনিই তোমাদের রক্ষক প্রেরণ করেন। অবশেষে যখন তোমাদের কারও মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন আমার প্রেরিতরা তার মৃত্যু ঘটায় আর তারা কোন ত্রুটি করে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তিনিই নিজ বান্দাদের উপর ক্ষমতাবান এবং তোমাদের উপর প্রেরণ করেন হিফাযতকারীদেরকে। অবশেষে যখন তোমাদের কারো কাছে মৃত্যু আসে, আমার প্রেরিত দূতগণ তার মৃত্যু ঘটায়। আর তারা কোন ত্রুটি করে না।আল-বায়ান
তিনি তাঁর বান্দাহ্দের উপর পূর্ণ কর্তৃত্বশীল, আর তিনি তোমাদের উপর রক্ষক নিযুক্ত করেন। অতঃপর তোমাদের কারো মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলে আমার প্রেরিতগণ (ফেরেশতারা) তার মৃত্যু ঘটায়। নিজেদের কর্তব্য পালনে তারা বিন্দুমাত্র ত্রুটি করে না।তাইসিরুল
আর তিনিই প্রভাবশালী তাঁর দাসদের উপরে, আর তিনিই তোমাদের উপরে রক্ষক প্রেরণ করেন। আবশেষে যখন তোমাদের কারো কাছে মৃত্যু আসে তখন আমাদের দূতরা তাকে গ্রহণ করে, আর তারা অবহেলা করে না।মাওলানা জহুরুল হক
৪০
অর্থাৎ এমন ধরনের ফেরেশতা নিযুক্ত করেন, যারা তোমাদের প্রত্যেকটি কথা এবং তৎপরতার ওপর, প্রতিটি নড়াচড়ার ওপর নজর রাখে এবং তোমাদের প্রতিটি গতিবিধিকে লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষণ করতে থাকে।
‘রক্ষক ফিরিশতা’ বলে যে সকল ফিরিশতা মানুষের আমল লিপিবদ্ধ করেন, তাদেরকেও বোঝানো হতে পারে এবং সেই সকল ফিরিশতাকেও বোঝানো হতে পারে, যারা প্রতিটি লোকের দৈহিক হেফাজতের কাজে নিযুক্ত। সূরা রাদে (১৩ : ১১) তাদের কথা বর্ণিত হয়েছে।
৬১. আর তিনি তাঁর বান্দাদের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণাধিকারী এবং তিনি তোমাদের উপর প্রেরণ করেন হেফাযতকারীদেরকে। অবশেষে তোমাদের কারও যখন মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন আমাদের রাসূল (ফিরিশতা) গণ তার মৃত্যু ঘটায় এবং তারা কোন ক্রটি করে না।
(৬১) তিনিই স্বীয় দাসগণের উপর পরাক্রমশালী এবং তিনিই তোমাদের রক্ষক প্রেরণ করেন। অবশেষে যখন তোমাদের কারো মৃত্যুকাল উপস্থিত হয়, তখন আমার প্রেরিত দূতগণ তার মৃত্যু ঘটায় এবং (কর্তব্যে) তারা ত্রুটি করে না। (1)
(1) অর্থাৎ, তাঁদেরকে সোপর্দ করা এই কাজে এবং আত্মাকে হেফাযত করার ব্যাপারে কোন ত্রুটি করেন না। বরং এই ফিরিশতা মৃত্যুবরণকারী যদি নেক হয়, তাহলে তার আত্মাকে ‘ইল্লিয়্যীন’-এ এবং সে যদি পাপী হয়, তাহলে তার আত্মাকে ‘সিজ্জীন’-এ পাঠিয়ে দেন।