ওয়া লাহূমা-ছাকানা ফিল্লাইলি ওয়ান্নাহা-রি ওয়া হুওয়াছ ছামী‘ঊল ‘আলীম।উচ্চারণ
রাতের আঁধারে ও দিনের আলোয় যা কিছু বিরাজমান সবই আল্লাহর এবং তিনি সবকিছু শোনেন ও জানেন। তাফহীমুল কুরআন
রাত ও দিনে যত সৃষ্টি বিশ্রাম গ্রহণ করে, সব তারই অধিকারভুক্ত। তিনি সব কিছু শোনেন ও সব কিছু জানেন।মুফতী তাকী উসমানী
রাতের অন্ধকারে এবং দিনের আলোয় যা কিছু বসবাস করে ও বর্তমান রয়েছে তা সব কিছুই আল্লাহর। তিনি সব কিছুই শোনেন ও জানেন।মুজিবুর রহমান
যা কিছু রাত ও দিনে স্থিতি লাভ করে, তাঁরই। তিনিই শ্রোতা, মহাজ্ঞানী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
রাত্রি ও দিবসে যা কিছু থাকে তা তাঁরই এবং তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যা কিছু রাতে ও দিনে স্থিত হয় তা তাঁরই। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।আল-বায়ান
রাতে (অন্ধকারে) আর দিনে (আলোয়) যা বাস করে তা তাঁরই, তিনি হলেন সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।তাইসিরুল
আর তাঁরই যা-কিছু অবস্থান করে রাতে ও দিনের বেলায়, আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।মাওলানা জহুরুল হক
খুব সম্ভব ইশারা করা হচ্ছে যে, রাত ও দিনে যখনই মানুষ নিদ্রা যায়, তখন নিদ্রা শেষে আবার জাগ্রতও হয়। এই নিদ্রাও এক রকমের মৃত্যু। তখন মানুষ দুনিয়া সম্পর্কে অচেতন হয়ে যায় ও ইচ্ছা রহিত হয়ে পড়ে। কিন্তু সে যেহেতু আল্লাহ তাআলার অধিকারভুক্ত, তাই যখন চান তিনি তাকে চেতনার জগতে ফিরিয়ে আনেন। এভাবেই বড় ও প্রকৃত মৃত্যু আসার পরেও মানুষ আল্লাহ তাআলার কব্জাতেই থাকবে। সুতরাং তিনি যখন ইচ্ছা করবেন তাকে পুনরায় জীবন দিয়ে কিয়ামতের হিসাব-নিকাশের জন্য উপস্থিত করবেন।
১৩. আর রাত ও দিনে যা কিছু স্থিত হয়, তা তারই(১) এবং তিনি সবকিছু শুনেন, সবকিছু জানেন।
(১) এখানে سُكُون অর্থ اِسْتَقَرَّ অবস্থান করা; অর্থাৎ পৃথিবীর দিবা-রাত্রিতে যা কিছু অবস্থিত আছে, তা সবই আল্লাহর। (তাবারী) অথবা এর অর্থ سُكُون وحَرْكَت এর সমষ্টি। অর্থাৎ مَا سَكَنَ ومَا تَحَرَّكَ (স্থাবর ও অস্থাবর) আয়াতে শুধু سُكُون উল্লেখ করা হয়েছে। কেননা, এর বিপরীত حَرْكَت আপনা-আপনিই বুঝা যায়। অথবা سَكَنَ অর্থ যাবতীয় সৃষ্টি। অর্থাৎ যাবতীয় সৃষ্টির মালিকানা আল্লাহরই। (কুরতুবী)
(১৩) রাত ও দিনে যা কিছু থাকে তা তাঁরই এবং তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।