লাইছা ‘আলাল্লাযীনা আ-মানূওয়া ‘আমিলুসসা-লিহা-তি জুনা-হুন ফীমা-তা‘ইমূইযামাত্তাকাও ওয়া আ-মানূওয়া ‘আমিলুসসা-লিহা-তি ছুম্মাত্তাকাও ওয়া আ-মানূছু ম্মাত্তাকাও ওয়া আহছানূ ওয়াল্লা-হু ইউহিব্বুল মুহছিনীন।উচ্চারণ
যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করেছে, তারা পূর্বে যা কিছু পানাহার করেছিল সেজন্য তাদেরকে কোন জবাবদিহি করতে হবে না, তবে এ জন্য শর্ত হচ্ছে, তাদেরকে অবশ্যি ভবিষ্যতে যেসব জিনিস হারাম করা হয়েছে, সেগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে, ঈমানের ওপর অবিচল থাকতে হবে এবং ভাল কাজ করতে হবে তারপর যে যে জিনিস থেকে বিরত রাখা হয় তা থেকে তাদের বিরত থাকতে হবে এবং আল্লাহর যেসব হুকুম নাযিল হয় সেগুলো মেনে চলতে হবে। অতঃপর আল্লাহভীতি সহকারে সদাচরণ অবলম্বন করতে হবে। আল্লাহ সদাচারীদের ভালবাসেন। তাফহীমুল কুরআন
যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তারা (পূর্বে) যা-কিছু খেয়েছে তার কারণে তাদের কোনও গুনাহ নেই #%৭০%# যদি তারা (আগামীতে গুনাহ হতে) বেঁচে থাকে, ঈমান রাখে ও সৎকর্মে রত থাকে এবং (আগামীতে যেসব জিনিস নিষেধ করা হয় তা থেকে) বেঁচে থাকে ও ঈমানে প্রতিষ্ঠিত থাকে, আর তারপরও তাকওয়া ও ইহসান অবলম্বন করে। #%৭১%# আল্লাহ ইহসান অবলম্বনকারীদের ভালোবাসেন।মুফতী তাকী উসমানী
যারা ঈমান এনেছে ও ভাল কাজ করে, এরূপ লোকদের উপর কোন পাপ নেই যা তারা পূর্বে আহার করেছে যখন তারা ভবিষ্যতের জন্য পরহেয করে, ঈমান রাখে ও ভাল কাজ করে, পুনরায় সংযত থাকে এবং বিশ্বাস স্থাপন করে। পুনরায় সংযত থাকে ও ভাল কাজ করতে থাকে; বস্তুত আল্লাহ এরূপ সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন।মুজিবুর রহমান
যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে, সে জন্য তাদের কোন গোনাহ নেই যখন ভবিষ্যতের জন্যে সংযত হয়েছে, বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করেছে। এরপর সংযত থাকে এবং বিশ্বাস স্থাপন করে। এরপর সংযত থাকে এবং সৎকর্ম করে। আল্লাহ সৎকর্মীদেরকে ভালবাসেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তারা পূর্বে যা খাদ্য গ্রহণ করেছে তার জন্যে তাদের কোন গুনাহ্ নেই; যদি তারা সাবধান হয় আর ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, সাবধান হয় ও বিশ্বাস করে, পুনরায় সাবধান হয় ও সৎকর্ম করে এবং আল্লাহ্ সৎকর্মপরায়ণদেরকে ভালবাসেন।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যারা ঈমান এনেছে ও নেক আমল করেছে তারা যা আহার করেছে তাতে কোন পাপ নেই, যখন তারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং ঈমান আনে আর নেক আমল করে, তারপর তাকওয়া অবলম্বন করে ও ঈমান আনে। এরপরও তারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং সৎকর্ম করে। আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন।আল-বায়ান
যারা ঈমান আনে আর সৎকর্ম করে তারা পূর্বে যা খেয়েছে তার জন্য তাদের উপর কোন পাপ নেই যদি তারা (হারাম থেকে) বিরত থাকে, আর ঈমান আনে ও সৎকাজ করে, অতঃপর সাবধানতা অবলম্বন করে আর ঈমানের উপর থাকে, অতঃপর আল্লাহকে ভয় করে এবং সৎকাজ করে। আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন।তাইসিরুল
যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করে যাচ্ছে তাদের উপরে কোনো অপরাধ হবে না যা তারা খেয়েছে সেজন্য, যখন তারা ভয়-শ্রদ্ধা করে ও ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, পুনরায় ভয়ভক্তি করে ও ঈমান আনে, আবার তারা ভয়শ্রদ্ধা করে ও ভালো করে। আর আল্লাহ্ ভালোবাসেন সৎকর্মশীলদের।মাওলানা জহুরুল হক
‘ইহসান’ এর আভিধানিক অর্থ ভালো কাজ করা। সে হিসেবে শব্দটি যে-কোনও সৎকর্মকে বোঝায়। কিন্তু এক সহীহ হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘ইহসান’-এর ব্যাখ্যা দান করেছেন যে, মানুষ এভাবে আল্লাহর ইবাদত করবে যেন সে তাঁকে দেখছে অথবা অন্ততপক্ষে এই ভাবনার সাথে করবে যে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে দেখছেন। সারকথা, মানুষ তার প্রতিটি কাজে আল্লাহ তা‘আলার সামনে থাকার ধারণাকে অন্তরে জাগ্রত রাখবে।
৯৩. যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে তারা আগে যা কিছু পানাহার করেছে তার জন্য তাদের কোন গুনাহ নেই, যদি তারা তাকওয়া অবলম্বন করে, ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে। তারপর তারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং ঈমান আনে। তারপর তারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং ইহসান করে। আর আল্লাহ মুহসিনদেরকে ভালবাসেন।(১)
(১) বারা ইবন আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যখন মদ হারাম হওয়া সম্পর্কিত আয়াত নাযিল হয় তখন জনগণ বলতে আরম্ভ করল, এটা হারাম হওয়ার পূর্বে যারা এটা পান করেছে এবং সে অবস্থায় মারা গেছেন তাদের কি হবে? তখন এ আয়াত নাযিল হয়। (তিরমিযী: ৩০৫১)
(৯৩) যারা বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে, তার জন্য তাদের কোন পাপ নেই, যদি তারা সাবধান হয় ও বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, অতঃপর সাবধান হয় ও বিশ্বাস করে, পুনরায় সাবধান হয় এবং সৎকর্মশীল হয়। আর আল্লাহ সৎকর্মশীলগণকে ভালবাসেন। (1)
(1) মদপান হারাম ঘোষিত হওয়ার পরে কতক সাহাবা (রাঃ)-এর মনে এই প্রশ্ন জাগে যে, আমাদের কতক সঙ্গী যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন আর কতক এমনি ইন্তেকাল করেছেন, অথচ তখনও তাঁরা মদ পান করতেন! (তাহলে তাদের কি হবে?) সুতরাং এই আয়াত দ্বারা তাঁদের সেই সংশয় নিরসন করা হয়েছে যে, তাঁদের মৃত্যু ঈমান ও তাকওয়ার উপরেই হয়েছে। কেননা মদপান সেই সময় নিষিদ্ধ (হারাম) করা হয়নি।