লু‘ইনাল্লাযীনা কাফারূ মিম বানীইছরঈূলা ‘আলা-লিছা-নি দা-ঊদা ওয়া ‘ঈছাবনি মারইয়ামা যা-লিকা বিমা-‘আসাওঁ ওয়া ক-নূইয়া‘তাদূ ন।উচ্চারণ
বনী ইসরাঈল জাতির মধ্য থেকে যারা কুফরীর পথ অবলম্বন করেছে তাদের ওপর দাউদ ও মারয়াম পুত্র ঈসার মুখ দিয়ে অভিসম্পাত করা হয়েছে। কারণ তারা বিদ্রোহী হয়ে গিয়েছিল এবং বাড়াবাড়ি করতে শুরু করেছিল। তাফহীমুল কুরআন
বনী ইসরাঈলের মধ্যে যারা কুফুরী করেছিল, তাদের প্রতি দাঊদ ও ঈসা ইবনে মারয়ামের যবানীতে লানত বর্ষিত হয়েছিল। #%৬১%# তা এ কারণে যে, তারা অবাধ্যতা করেছিল এবং তারা সীমালংঘন করত।মুফতী তাকী উসমানী
বানী ইসরাঈলের মধ্যে যারা কাফির ছিল, তাদের উপর অভিসম্পাত করা হয়েছিল দাঊদ ও ঈসা ইবনে মারইয়ামের মুখে; এই লা’নত এ কারণে করা হয়েছিল যে, তারা অবাধ্য ছিল এবং সীমালংঘন করত।মুজিবুর রহমান
বনী-ইসলাঈলের মধ্যে যারা কাফের, তাদেরকে দাউদ ও মরিয়মতনয় ঈসার মুখে অভিসম্পাত করা হয়েছে। এটা একারণে যে, তারা অবাধ্যতা করত এবং সীমা লংঘন করত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বনী ইস্রাঈলের মধ্যে যারা কুফরী করেছিল তারা দাঊদ ও মারইয়াম-তনয় কর্তৃক অভিশপ্ত হয়েছিল-এটা একারণে যে, তারা ছিল অবাধ্য ও সীমালংঘনকারী।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বনী ইসরাঈলের মধ্যে যারা কুফরী করেছে তাদেরকে দাঊদ ও মারইয়াম পুত্র ঈসার মুখে লা‘নত করা হয়েছে। তা এ কারণে যে, তারা অবাধ্য হয়েছে এবং তারা সীমালঙ্ঘন করত।আল-বায়ান
বানী ইসরাঈলের মধ্যে যারা কুফরী করেছিল তাদেরকে দাঊদ ও মারইয়াম পুত্র ঈসার মুখে (উচ্চারিত কথার দ্বারা) অভিশাপ দেয়া হয়েছে। এটা এই কারণে যে তারা অমান্য করেছিল আর তারা ছিল সীমালঙ্ঘনকারী।তাইসিরুল
ইসরাইলের বংশধরদের মধ্যে যারা অবিশ্বাস পোষণ করেছিল তারা অভিশপ্ত হয়েছিল দাউদ ও মরিয়ম-পুত্র ঈসার জিহবার দ্বারা। এটি হয়েছিল, কেননা তারা অবাধ্য হয়েছিল আর করতো সীমালঙ্ঘন।মাওলানা জহুরুল হক
অর্থাৎ যে লানতের উল্লেখ যবুর ও ইনজিল উভয় গ্রন্থে ছিল, যা যথাক্রমে হযরত দাঊদ আলাইহিস সালাম ও ঈসা আলাইহিস সালামের প্রতি নাযিল হয়েছিল।
৭৮. ইসরাঈল-বংশধরদের মধ্যে যারা কুফরী করেছিল তারা দাউদ ও মারইয়াম-পুত্র ঈসার মুখে অভিশপ্ত হয়েছিল।(১) তা এ জন্যে যে, তারা তারা অবাধ্যতা করেছিল আর তারা সীমালঙ্ঘন করত।
(১) ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, বনী ইসরাঈলরা ইঞ্জীলে ঈসা আলাইহিস সালামের মুখে লা'নত প্রাপ্ত হয়েছিল। আর যাবূরে দাউদ আলাইহিস সালামের মুখে লা'নত প্রাপ্ত হয়েছিল। (তাবারী)
(৭৮) বনী ইস্রাঈলের মধ্যে যারা অবিশ্বাস করেছিল, তারা দাউদ ও মারয়্যাম-তনয় কর্তৃক অভিশপ্ত হয়েছিল।(1) কেননা, তারা ছিল অবাধ্য ও সীমালংঘনকারী। (2)
(1) অর্থাৎ, যবুরের মধ্যে যা দাউদ (আঃ)-এর উপর অবতীর্ণ হয়েছিল এবং ইঞ্জীলের মধ্যে যা ঈসা (আঃ)-এর উপর অবতীর্ণ হয়েছিল। আর এই অভিশাপ কুরআনের মাধ্যমেও তাদেরকে করা হচ্ছে, যা মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর উপর অবতীর্ণ হয়েছে। ‘লানত বা অভিশাপ’ এর অর্থ হচ্ছে; আল্লাহর রহমত ও তার করুণা থেকে বঞ্চনা।
(2) এ হল অভিশাপের হেতু। (ক) অবাধ্যতা; অর্থাৎ, ওয়াজেব কর্ম ত্যাগ করে এবং হারাম কর্ম সম্পাদন করে তারা আল্লাহর অবাধ্যতা করেছিল। (খ) সীমালঙ্ঘন; অর্থাৎ, অতিরঞ্জন ও বিদআত রচনা করে তারা সীমালংঘন করেছিল।