ওয়ালাও আন্না আহলাল কিতা-বি আ-মানূওয়াত্তাকাও লাকাফফারনা-‘আনহুম ছাইয়িআতিহিম ওয়ালা আদখালনা-হুম জান্না-তিন না‘ঈম।উচ্চারণ
যদি (বিদ্রোহের পরিবর্তে) এ আহলি কিতাব গোষ্ঠী ঈমান আনতো এবং আল্লাহ ভীতির পথ অবলম্বন করতো, তাহলে আমি তাদের থেকে তাদের দুষ্কৃতিগুলো মোচন করে দিতাম এবং তাদেরকে পৌঁছিয়ে দিতাম নিয়ামতে পরিপূর্ণ জান্নাতে। তাফহীমুল কুরআন
কিতাবীগণ যদি ঈমান আনত ও তাকওয়া অবলম্বন করত, তবে অবশ্যই আমি তাদের পাপকর্মসমূহ ক্ষমা করে দিতাম এবং অবশ্যই তাদেরকে সুখণ্ডশান্তির উদ্যানসমূহে প্রবেশ করাতাম।মুফতী তাকী উসমানী
আর এই আহলে কিতাব (ইয়াহুদী ও নাসারাহ্) যদি ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত, আমি অবশ্যই তাদের সমস্ত অন্যায় ক্ষমা করে দিতাম এবং অবশ্যই তাদেরকে নি‘আমাতের উদ্যানসমূহে দাখিল করতাম।মুজিবুর রহমান
আর যদি আহলে-কিতাবরা বিশ্বাস স্থাপন করত এবং খোদাভীতি অবলম্বন করত, তবে আমি তাদের মন্দ বিষয়সমূহ ক্ষমা করে দিতাম এবং তাদেরকে নেয়ামতের উদ্যানসমূহে প্রবিষ্ট করতাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
কিতাবীগণ যদি ঈমান আনত ও ভয় করত তা হলে আমি তাদের দোষ অবশ্যই অপনোদন করতাম এবং তাদেরকে সুখময় জান্নাতে দাখিল করতাম। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যদি কিতাবীরা ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত তবে অবশ্যই আমি তাদের থেকে পাপগুলো দূর করে দিতাম এবং অবশ্যই তাদেরকে আরামদায়ক জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাতাম।আল-বায়ান
গ্রন্থধারীরা যদি ঈমান আনতো আর তাকওয়া অবলম্বন করত তাহলে আমি তাদের পাপ অবশ্যই মোচন করে দিতাম আর তাদেরকে নিআমতে ভরা জান্নাতে অবশ্যই দাখিল করতাম।তাইসিরুল
আর যদি গ্রন্থপ্রাপ্ত লোকেরা ঈমান আনতো এবং ভয়-শ্রদ্ধা করতো, তবে নিশ্চয়ই আমরা তাদের দোষ-ত্রুটি তাদের থেকে মুছে দিতাম, আর তাদের অবশ্যই প্রবেশ করাতাম আনন্দময় স্বর্গোদ্যানে।মাওলানা জহুরুল হক
৬৫. আর যদি কিতাবীরা ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত তাহলে আমরা তাদের পাপসমূহ অবশ্যই মুছে ফেলতাম এবং তাদেরকে সুখময় জান্নাতে প্রবেশ করাতাম।
(৬৫) ঐশীগ্রন্থধারিগণ যদি বিশ্বাস করত ও সংযমী হত,(1) তাহলে আমি তাদের দোষ অপনোদন করতাম এবং তাদেরকে সুখদায়ক উদ্যানে প্রবেশাধিকার দান করতাম।
(1) অর্থাৎ আল্লাহর নিকট যে ঈমান বাঞ্ছনীয়, তার মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হল, মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর রিসালাতের প্রতি ঈমান আনয়ন করা। যেমনটি ইতিপূর্বে সমস্ত নাযিলকৃত গ্রন্থে এই একই নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আল্লাহ-ভীতি অবলম্বন করা ও তাঁর অবাধ্যাচরণ থেকে দূরে থাকার মধ্যে সব থেকে বড় কুকর্ম হল সেই শিরক, যাতে তারা পুরোপুরি ডুবে আছে এবং সেই অস্বীকার, যা শেষ রসূলের সাথে তারা অবলম্বন করেছে।