إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَوۡ أَنَّ لَهُم مَّا فِي ٱلۡأَرۡضِ جَمِيعٗا وَمِثۡلَهُۥ مَعَهُۥ لِيَفۡتَدُواْ بِهِۦ مِنۡ عَذَابِ يَوۡمِ ٱلۡقِيَٰمَةِ مَا تُقُبِّلَ مِنۡهُمۡۖ وَلَهُمۡ عَذَابٌ أَلِيمٞ

ইন্নাল্লাযীনা কাফারূ লাও আন্না লাহুম মা-ফিল আরদিজামী‘আওঁ ওয়া মিছলাহূমা‘আহূলিইয়াফতাদূবিহী মিন ‘আযা-বি ইয়াওমিল কিয়া-মাতি মা-তুকুব্বিলা মিনহুম ওয়া লাহুম ‘আযা-বুন আলীম।উচ্চারণ

ভালভাবে জেনে নাও, যারা কুফরীর নীতি অবলম্বন করেছে সারা দুনিয়ার ধন-দৌলত যদি তাদের অধিকারে থাকে এবং এর সাথে আরো সমপরিমাণও যুক্ত হয়। আর তারা যদি কিয়ামতের দিন শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য সেগুলো মুক্তিপণ হিসেবে দিতে চায়, তাহলেও তাদের কাছ থেকে তা গৃহীত হবে না। তারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করবেই। তাফহীমুল কুরআন

নিশ্চয়ই যারা কুফর অবলম্বন করেছে, পৃথিবীতে যা-কিছু আছে সবই যদি তাদের থাকত এবং তার সমপরিমাণ আরও থাকত, যাতে কিয়ামতের দিন শাস্তি হতে রক্ষা পারওয়ার জন্য মুক্তিপণ হিসেবে তা পেশ করতে পারে, তবুও তাদের থেকে তা গৃহীত হত না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাময় শাস্তি।মুফতী তাকী উসমানী

নিশ্চয়ই যারা কাফির, যদি তাদের কাছে বিশ্বের সমস্ত সম্পদও থাকে এবং ওর সাথে তৎপরিমান আরও থাকে, এবং এগুলোর বিনিময়ে কিয়ামাতের শাস্তি থেকে মুক্তি পেতে চায়, তবুও এই সম্পদ তাদের থেকে কবূল করা হবেনা, আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।মুজিবুর রহমান

যারা কাফের, যদি তাদের কাছে পৃথিবীর সমুদয় সম্পদ এবং তৎসহ আরও তদনুরূপ সম্পদ থাকে আর এগুলো বিনিময়ে দিয়ে কিয়ামতের শাস্তি থেকে পরিত্রান পেতে চায়, তবুও তাদের কাছ থেকে তা কবুল করা হবে না। তাদের জন্যে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি রয়েছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যারা কুফরী করেছে, কিয়ামতের দিন শাস্তি হতে মুক্তির জন্যে পণস্বরূপ দুনিয়ায় যা কিছু আছে, যদি তাদের তার সমস্তই থাকে এবং তার সঙ্গে সমপরিমাণ আরও থাকে, তবুও তাদের নিকট হতে তা গৃহীত হবে না এবং তাদের জন্যে মর্মন্তুদ শাস্তি আছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যারা কুফরী করেছে, যদি যমীনে যা আছে তার সব ও তার সাথে সমপরিমাণও তাদের জন্য থাকে, যাতে তারা তার মাধ্যমে কিয়ামতের আযাব থেকে রক্ষার মুক্তিপণ দিতে পারে, তাহলেও তাদের থেকে তা গ্রহণ করা হবে না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।আল-বায়ান

যারা কুফরী করেছে দুনিয়ায় যা কিছু আছে সব যদি তাদের হয় এবং আরো সমপরিমাণও হয় ক্বিয়ামাত দিবসের শাস্তি থেকে পরিত্রাণের মুক্তিপণ হিসেবে, তবুও তা তাদের থেকে গ্রহণ করা হবে না; তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।তাইসিরুল

নিঃসন্দেহ যারা অবিশ্বাস পোষণ করে -- পৃথিবীতে যা আছে সে-সমস্তই যদি তাদের হতো এবং তার সাথে সেই পরিমাণে, যার বিনিময়ে তারা মুক্তি কামনা করতো কিয়ামতের দিনের শাস্তি থেকে, তাদের কাছ থেকে তা কবুল হতো না, আর তাদের জন্য রয়েছে ব্যথাদায়ক শাস্তি।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৬. নিশ্চয় যারা কুফর করেছে, কিয়ামতের দিন শাস্তি থেকে মুক্তির জন্য পণস্বরূপ যমীনে যা কিছু আছে যদি সেগুলোর সবটাই তাদের থাকে এবং তার সাথে সমপরিমাণও থাকে, তবুও তাদের কাছ থেকে সেসব গৃহীত হবে না এবং তাদের জন্য রয়েছে কষ্টদায়ক শাস্তি।(১)

(১) জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এ আয়াত কাফেরদের ব্যাপারে নাযিল হয়েছে। (ইবনে হিব্বান, (আল-ইহসান) ১৬/৫২৭, ৭৪৮৩)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৬) যারা অবিশ্বাস করেছে পৃথিবীতে যা কিছু আছে, যদি তাদের তার সমস্ত থাকে এবং তার সাথে সমপরিমাণ আরো থাকে এবং কিয়ামতের দিন শাস্তি হতে মুক্তির জন্য পণস্বরূপ তা দিতে চায়, তবুও তাদের নিকট হতে তা গৃহীত হবে না এবং তাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি বর্তমান। (1)

(1) হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, জাহান্নামের একটি লোককে জাহান্নাম থেকে বের করে আল্লাহর সামনে হাযির করা হবে। তারপর আল্লাহ তাকে জিজ্ঞাসা করবেন, ‘তুমি তোমার বাসস্থান কেমন পেয়েছ?’ সে উত্তরে বলবে; ‘অত্যন্ত খারাপ জায়গা।’ তারপর আল্লাহ আবার বলবেন, ‘তুমি কি এর থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পৃথিবী পূর্ণ স্বর্ণ প্রদানে সম্মত আছ?’ সে উত্তরে বলবে, ‘হ্যাঁ।’ তারপর আল্লাহ বলবেন, ‘আমি তো তোমার নিকট পৃথিবীতে এর চেয়েও বহু কম চেয়েছিলাম। কিন্তু তুমি সেটাও দাওনি বা পরোয়া করনি।’ অতঃপর পুনরায় তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।

(মুসলিম, কিয়ামত অধ্যায় ও বুখারী রিক্বাক ও আম্বিয়া অধ্যায়)