ক-লা রব্বি ইন্নী লাআমলিকুইল্লা-নাফছী ওয়া আখী ফাফরুক বাইনানা-ওয়া বাইনাল কাওমিল ফা-ছিকীন।উচ্চারণ
এ কথায় মূসা বললো, “হে আমার রব! আমার ও আমার ভাই ছাড়া আর কারোর ওপর আমার কোন ইখতিয়ার নেই। কাজেই তুমি এ নাফরমান লোকদের থেকে আমাকে আলাদা করে দাও।” তাফহীমুল কুরআন
মূসা বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমার নিজ সত্তা এবং আমার ভাই ছাড়া আর কারও উপর আমার কর্তৃত্ব নেই। সুতরাং আপনি আমাদের ও ওই অবাধ্য সম্প্রদায়ের মধ্যে ফায়সালা করে দিন। মুফতী তাকী উসমানী
মূসা বলল- হে আমার রাব্ব! আমি শুধু নিজের উপর ও নিজের ভাইয়ের উপর অধিকার রাখি, সুতরাং আপনি আমাদের উভয়ের এবং এই অবাধ্য সম্প্রদায়ের মধ্যে মীমাংসা করে দিন।মুজিবুর রহমান
মূসা বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমি শুধু নিজের উপর ও নিজের ভাইয়ের উপর ক্ষমতা রাখি। অতএব, আপনি আমাদের মধ্যে ও এ অবাধ্য সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ করুন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার ও আমার ভাই ব্যতীত অপর কারও ওপর আমার আধিপত্য নেই; সুতরাং তুমি আমাদের ও সত্যত্যাগী সম্প্রদায়ের মধ্যে ফয়সালা করে দাও।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সে বলল, ‘হে আমার রব, আমি আমার ও আমার ভাই ছাড়া কারো উপরে অধিকার রাখি না। সুতরাং আপনি আমাদের ও ফাসিক কওমের মধ্যে বিচ্ছেদ করে দিন।আল-বায়ান
সে বলল, ‘‘হে আমার প্রতিপালক! আমার আর আমার ভাইয়ের উপর ছাড়া কারো উপর আমার ক্ষমতা নেই, কাজেই এই বিদ্রোহী সম্প্রদায় থেকে আমাদেরকে পৃথক করে দিন।তাইসিরুল
তিনি বললেন, "আমার প্রভু! নিশ্চয়ই আমি আমার নিজের ও আমার ভাইয়ের উপরে ছাড়া কর্তৃত্ব রাখি না, অতএব আমাদের ও দুষ্কৃতিপরায়ণ লোকদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি ঘটিয়ে দাও।"মাওলানা জহুরুল হক
২৫. তিনি বললেন, হে আমার রব! আমি ও আমার ভাই ছাড়া আর কারো উপর আমার অধিকার নেই, সুতরাং আপনি আমাদের ও ফাসিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিচ্ছেদ করে দিন।
(২৫) সে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার ও আমার ভ্রাতা ব্যতীত অন্য কারো উপর আমার আধিপত্য নেই, সুতরাং তুমি আমাদের ও সত্যত্যাগী সম্প্রদায়ের মধ্যে ফায়সালা করে দাও।’ (1)
(1) এ কথায় অবাধ্য ও বিদ্রোহী জাতির মোকাবেলায় নিজের অক্ষমতা ও দুর্বলতা প্রকাশ এবং তাদের সাথে তাঁর সম্পর্কহীনতার ঘোষণাও রয়েছে।