লা-কিনিল্লা-হু ইয়াশহাদুবিমা আনঝালা ইলাইকা আনঝালাহু বি‘ইলমিহী ওয়াল মালাইকাতুইয়াশহাদূ ন ওয়া কাফা-বিল্লা-হি শাহীদা-।উচ্চারণ
(লোকেরা চাইলে না মানতে পারে) কিন্তু আল্লাহ সাক্ষ্য দেন, তিনি যা কিছু তোমাদের ওপর নাযিল করেছেন নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে নাযিল করেছেন এবং এর ওপর ফেরেশতারাও সাক্ষী, যদিও আল্লাহর সাক্ষী হওয়াই যথেষ্ট হয়। তাফহীমুল কুরআন
(কাফিরগণ স্বীকার করুক বা নাই করুক), কিন্তু আল্লাহ তোমার প্রতি যা নাযিল করেছেন, সে সম্পর্কে তিনি স্বয়ং সাক্ষ্য দেন যে, তিনি তা জেনেশুনে নাযিল করেছেন এবং ফিরিশতাগণও সাক্ষ্য দেয়। আর (এমনিতে তো) আল্লাহর সাক্ষ্যই যথেষ্ট।মুফতী তাকী উসমানী
কিন্তু আল্লাহ তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ করেছেন, তৎসম্বন্ধে তিনি সজ্ঞানে অবতারণের সাক্ষ্য প্রদান করেছেন; এবং সাক্ষ্য দানে আল্লাহই যথেষ্ট।মুজিবুর রহমান
আল্লাহ আপনার প্রতি যা অবতীর্ণ করেছেন তিনি যে তা সজ্ঞানেই করেছেন, সে ব্যাপারে আল্লাহ নিজেও সাক্ষী এবং ফেরেশতাগণও সাক্ষী। আর সাক্ষী হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
পরন্তু আল্লাহ্ সাক্ষ্য দেন তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ করেছেন তার মাধ্যমে। তিনি তা অবতীর্ণ করেছেন নিজ জ্ঞানে এবং ফেরেশতাগণও সাক্ষী দেয়। আর সাক্ষী হিসেবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কিন্তু আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন, যা তোমার নিকট তিনি নাযিল করেছেন তার মাধ্যমে। তিনি তা নাযিল করেছেন নিজ জ্ঞানে এবং ফেরেশতারাও সাক্ষ্য দিচ্ছে। আর আল্লাহই সাক্ষীরূপে যথেষ্ট।আল-বায়ান
কিন্তু আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, যা তিনি নাযিল করেছেন তা তাঁর জ্ঞানের ভিত্তিতেই নাযিল করেছেন। ফেরেশতারাও সে সাক্ষ্য দিচ্ছে আর সাক্ষী হিসেবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট।তাইসিরুল
নিঃসন্দেহ যারা অবিশ্বাস পোষণ করে এবং আল্লাহ্র পথ থেকে সরিয়ে রাখে, তারা নিশ্চয়ই পথ হারিয়ে গেছে সুদূর বিপথে।মাওলানা জহুরুল হক
১৬৬. কিন্তু আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন আপনার প্রতি যা তিনি নাযিল করেছেন তার মাধ্যমে। তিনি তা নাযিল করেছেন নিজ জ্ঞানে। আর ফেরেশতাগণও সাক্ষী দিচ্ছেন। আর সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।(১)
(১) আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেনঃ একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সমীপে একদল ইয়াহুদী উপস্থিত হলো। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেনঃ আল্লাহর শপথ! তোমরা সন্দেহাতীতভাবে জান যে, আমি আল্লাহ তা'আলার সত্য রাসূল। তারা অস্বীকার করলো। তখনই উক্ত আয়াত নাযিল হলো- আল্লাহ্ তা'আলা ঐ কিতাবের (আল-কুরআনের) মাধ্যমে -যা তার পরিপূর্ণ জ্ঞানের নিদর্শন- আপনার নবুওয়াতের সাক্ষী দিচ্ছেন। আর ফিরিশতাগণও এর সাক্ষী। অধিকন্তু সর্বজ্ঞানী আল্লাহ্ তা'আলার সাক্ষ্যদানের পর আর কোন সাক্ষ্য-প্রমাণের প্রয়োজন নেই। (তাবারী, আত-তাফসীরুস সহীহ) এ আয়াতে কুরআনের সত্যতার উপর সাক্ষাদানের পাশাপাশি কুরআন যার উপর নাযিল হয়েছে তার সত্যতার উপরও সাক্ষ্য প্রদান হয়ে গেছে। তাছাড়া অন্যত্র আল্লাহ তা'আলা শুধু কুরআনের জন্যও এ সাক্ষ্য দিয়ে বলেছেন, “আর আমরা সত্য-সহই কুরআন নাযিল করেছি এবং তা সত্য-সহই নাযিল হয়েছে। আমি তো আপনাকে শুধু সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে পাঠিয়েছি। (সূরা আল ইসরা: ১০৫)
(১৬৬) কিন্তু আল্লাহ যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ করেছেন তিনি স্বয়ং তার সাক্ষী। তিনি তা নিজ জ্ঞান অনুসারে অবতীর্ণ করেছেন। এবং ফিরিশতাগণও তার সাক্ষী। আর সাক্ষী হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট।