ইন্নাল্লাযীনা ইয়াকফুরূনা বিল্লা-হি ওয়া রুছুলিহী ওয়া ইউরীদূ না আইঁ ইউফাররিকূ বাইনাল্লাহি ওয়া রুছুলিহী ওয়া ইয়াকূলূনা নু’মিন ব্বি্বা‘দিওঁ ওয়া নাকফুরু ব্বিা‘দিওঁ ওয়া ইউরিদূ না আইঁ ইয়াত্তাখিযূবাইনা যা-লিকা ছাবীলা-।উচ্চারণ
যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলদের সাথে কুফরী করে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলদের মধ্যে পার্থক্য করতে চায় এবং বলে আমরা কাউকে মানবো ও কাউকে মানবো না আর কুফর ও ঈমানের মাঝখানে একটি পথ বের করতে চায়, তাফহীমুল কুরআন
যারা আল্লাহ ও তার রাসূলগণকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের মধ্যে পার্থক্য করতে চায় ও বলে, আমরা কতক (রাসূল)-এর প্রতি তো ঈমান রাখি এবং কতককে অস্বীকার করি, আর (এভাবে) তারা (কুফর ও ঈমানের মাঝখানে) মাঝামাঝি একটি পথ অবলম্বন করতে চায় #%১০৪%#মুফতী তাকী উসমানী
নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের প্রতি অবিশ্বাস করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের মধ্যে পার্থক্য করতে ইচ্ছা করে এবং বলে, আমরা কতিপয়কে বিশ্বাস করি ও কতিপয়কে অবিশ্বাস করি এবং তারা এর মধ্যবর্তী পথ অবলম্বন করতে ইচ্ছা করে ।মুজিবুর রহমান
যারা আল্লাহ ও তার রসূলের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপনকারী তদুপরি আল্লাহ ও রসূলের প্রতি বিশ্বাসে তারতম্য করতে চায় আর বলে যে, আমরা কতককে বিশ্বাস করি কিন্তু কতককে প্রত্যাখ্যান করি এবং এরই মধ্যবর্তী কোন পথ অবলম্বন করতে চায়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যারা আল্লাহ্কে অস্বীকার করে ও তাঁর রাসূলদেরকেও এবং আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের মধ্যে ঈমানের ব্যাপারে তারতম্য করতে চায় আর বলে, ‘আমরা কতককে বিশ্বাস করি ও কতককে অবিশ্বাস করি’; আর তারা মধ্যবর্তী কোন পথ অবলম্বন করতে চায়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের সাথে কুফরী করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের মধ্যে পার্থক্য করতে চায় এবং বলে, ‘আমরা কতককে বিশ্বাস করি আর কতকের সাথে কুফরী করি’ এবং তারা এর মাঝামাঝি একটি পথ গ্রহণ করতে চায় ।আল-বায়ান
যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলদেরকে অস্বীকার করে আর আল্লাহ ও রসূলদের মাঝে পার্থক্য সৃষ্টি করতে চায় আর বলে (রসূলদের) কতককে আমরা মানি আর কতককে মানি না, আর তারা তার (কুফর ও ঈমানের) মাঝ দিয়ে একটা রাস্তা বের করতে চায় ।তাইসিরুল
এরা নিজেরাই হচ্ছে প্রকৃত অবিশ্বাসী, আর আমরা অবিশ্বাসীদের জন্য তৈরি করেছি লাঞ্ঝনাদায়ক শাস্তি।মাওলানা জহুরুল হক
তাদের সে মাঝামাঝি পন্থা হল আল্লাহকে বিশ্বাস করা ও রাসূলগণকে অবিশ্বাস করা। প্রকৃতপক্ষে এটা মাঝামাঝি কোন পন্থা নয়; বরং নির্জলা কুফর। কেননা, রাসূলগণকে অবিশ্বাস করা আল্লাহকে অবিশ্বাস করারই নামান্তর, যেহেতু তাঁরা আল্লাহ কর্তৃকই প্রেরিত। এমনিভাবে কোনও একজন রাসূলকে অস্বীকার করা সমস্ত রাসূলকে অস্বীকার করারই নামান্তর, যেহেতু তারা সকলে একই সূত্রে গাঁথা। তাঁরা সকলেই একে অন্যের সমর্থক। বিশেষত সর্বশেষ নবী সম্পর্কে পূর্বের সকল নবীই সুসংবাদ শুনিয়ে গেছেন এবং তারা নিজ-নিজ উম্মতকে তাঁর অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে গেছেন। এ অবস্থায় তাকে অস্বীকার করার দ্বারা তাদের সকলকেই অস্বীকার করা হয়, যা সুস্পষ্ট কুফর। অনুরূপ শরীআতের এক বিধান মানা ও অন্য বিধান অমান্য করাও কুফর। সুতরাং ঈমান ও কুফরের মধ্যবর্তী পন্থা বলতে কিছু নেই হয় ঈমান নয়তো কুফর। অর্থাৎ ঈমানের বাইরে সবই কুফর। -অনুবাদক
১৫০. নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের সাথে কুফরী করে এবং আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলগণের মধ্যে (ঈমানের ব্যাপারে) তারতম্য করতে চায় এবং বলে, ‘আমরা কতক-এর উপর ঈমান আনি এবং কতকের সাথে কুফরী করি’(১)। আর তারা মাঝামাঝি একটা পথ অবলম্বন করতে চায়।
(১) কাতাদা বলেন, এরা হচ্ছে, আল্লাহর দুশমন ইয়াহুদ ও নাসারা সম্প্রদায়। কারণ, তাদের মধ্যে ইয়াহুদীরা তাওরাত ও মূসার উপর ঈমান আনে কিন্তু ইঞ্জীল ও ঈসার উপর ঈমান আনে না। আর নাসারারা ইঞ্জীল ও ঈসার উপর ঈমান আনে কিন্তু কুরআন ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর ঈমান আনে না। এভাবে এ দু’টি সম্প্রদায় ইয়াহুদী ও নাসারা হয়েছে। অথচ এ দুটি মতই বিদ'আত বা নব উদ্ভাবিত। যা আল্লাহর পক্ষ থেকে নয়। এভাবে তারা সমস্ত নবী-রাসূলদের মাধ্যমে আল্লাহ প্রদত্ত দ্বীন ইসলামকে পরিত্যাগ করেছে। (তাবারী)
(১৫০) নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলগণকে অবিশ্বাস করে আর আল্লাহ ও রসূলদের মধ্যে পার্থক্য করতে ইচ্ছা করে এবং বলে, ‘আমরা কতককে বিশ্বাস করি ও কতককে অবিশ্বাস করি’ এবং তারা এর মধ্যবর্তী এক পথ অবলম্বন করতে চায়।