إِنَّ ٱلۡمُنَٰفِقِينَ فِي ٱلدَّرۡكِ ٱلۡأَسۡفَلِ مِنَ ٱلنَّارِ وَلَن تَجِدَ لَهُمۡ نَصِيرًا

ইন্নাল মুনা-ফিকীনা ফিদ্দারকিল আছফালি মিনান্না-রি ওয়ালান তাজিদালাহুম নাসীর-।উচ্চারণ

নিশ্চিত জেনো, মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে চলে যাবে এবং তোমরা কাউকে তাদের সাহায্যকারী হিসেবে পাবে না। তাফহীমুল কুরআন

নিশ্চয়ই মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে থাকবে এবং তুমি তাদের পক্ষে কোনও সাহায্যকারী পাবে না।মুফতী তাকী উসমানী

নিশ্চয়ই মুনাফিকরা জাহান্নামের নিম্নতম স্তরে অবস্থান করবে এবং তুমি কখনও তাদের জন্য সাহায্যকারী পাবেনা।মুজিবুর রহমান

নিঃসন্দেহে মুনাফেকরা রয়েছে দোযখের সর্বনিম্ন স্তরে। আর তোমরা তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী কখনও পাবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

মুনাফিকরা তো জাহান্নামের নিম্নতম স্তরে থাকবে আর তাদের জন্যে তুমি কখনও কোন সহায় পাবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে থাকবে। আর তুমি কখনও তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী পাবে না।আল-বায়ান

মুনাফিকরা থাকবে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে, তুমি তাদের জন্য কক্ষনো কোন সাহায্যকারী পাবে না।তাইসিরুল

তারা ব্যতীত যারা তওবা করে ও শোধরায়, আর আল্লাহ্‌কে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে, আর তাদের ধর্মকে আল্লাহ্‌র জন্য বিশুদ্ধ করে, -- তারা তবে মুমিনদের সাথে, আর শীঘ্রই আল্লাহ্ মুমিনদের দিচ্ছেন এক বিরাট পুরস্কার।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১৪৫. মুনাফিকরা তো জাহান্নামের নিম্নতমস্তরে থাকবে(১) এবং তাদের জন্য আপনি কখনো কোন সহায় পাবেন না।

(১) এ আয়াতে মুনাফিকদের স্থান নির্দেশ করে বলা হয়েছে যে, তারা জাহান্নামের সর্বনিম স্তরে থাকবে। অন্য স্থানে ফিরআউন ও তার অনুসারীদের জন্য কঠিন শাস্তির ঘোষণা দেয়া হয়েছে। “আগুন, তাদেরকে তাতে উপস্থিত করা হয় সকাল ও সন্ধ্যায় এবং যেদিন কিয়ামত ঘটবে সেদিন বলা হবে, ফিরআউন গোষ্ঠীকে নিক্ষেপ কর কঠোর শাস্তিতে।” (সূরা গাফির: ৪৬) আবার অন্যত্র বনী ইসরাইলের মধ্যে যাদেরকে আকাশ থেকে দস্তরখানসহ খাবার দেয়া হয়েছিল, তাদের মধ্যে যারা কুফরী করবে তাদের জন্য এমন শাস্তির ঘোষণা দেয়া হয়েছে যে শাস্তি আল্লাহ আর কাউকে দিবেন না।

“আল্লাহ বললেন, ‘আমিই তোমাদের কাছে ওটা পাঠাব; কিন্তু এর পর তোমাদের মধ্যে কেউ কুফরী করলে তাকে এমন শাস্তি দেব, যে শাস্তি বিশ্বজগতের আর কাউকেও দেব না।” (সূরা আল-মায়িদাহ ১১৫) সুতরাং এটাই বলা চলে যে, সবচেয়ে কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে এ তিন শ্রেণীর লোক। (আদওয়াউল বায়ান) এ আয়াতে বর্ণিত ‘দারকুল আসফাল’ বা নিম্নতম স্তর কি এ সম্পর্কে আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, সেটা হবে বদ্ধ সিন্ধুক। (মুসান্নাফে ইবন আবী শাইবাহঃ ১৩/১৫৪, নং ১৫৯৭২) আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘দারকুল আসফাল’ হচ্ছে, এমন কিছু ঘর যেগুলোর দরজা বন্ধ করা আছে। আর সেগুলোকে উপর ও নিচ থেকে প্রজ্জলিত করা হবে। (আত-তাফসীরুস সহীহ) ইবন আব্বাস বলেন, এর অর্থ, জাহান্নামের নীচে থাকবে। (তাবারী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৪৫) মুনাফিক (কপট) ব্যক্তিরা অবশ্যই দোযখের সর্বনিমন স্তরে অবস্থান করবে((1)) এবং তাদের জন্য তুমি কখনও কোন সাহায্যকারী পাবে না।

(1) জাহান্নামের সর্ব নিম্নস্তরকে هَاوِيَة (হাবিয়াহ) বলা হয়। أَعَاذَنَا اللهُ مِنْهَا উল্লিখিত মুনাফিক্বী স্বভাব ও আচার-আচরণ থেকে যেন আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেন!