وَلِلَّهِ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَكِيلًا

ওয়া লিল্লা-হি মা-ফিছছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদি ওয়া কাফা-বিল্লা-হি ওয়াকীলা-।উচ্চারণ

হ্যাঁ, আল্লাহ‌ আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে সবকিছুর মালিক। আর কার্যসম্পাদনের জন্য তিনিই যথেষ্ট। তাফহীমুল কুরআন

আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীতে যা-কিছু আছে তা আল্লাহরই #%৯৩%# আর কর্ম নির্বাহের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।মুফতী তাকী উসমানী

এবং আকাশসমূহে যা কিছু রয়েছে ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা আল্লাহরই; এবং কর্মবিধানে (ওয়াকিল) আল্লাহই যথেষ্ট।মুজিবুর রহমান

আর আল্লাহরই জন্যে সে সবকিছু যা কিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে। আল্লাহই যথেষ্ট কর্মবিধায়ক।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আসমানে যা আছে ও যমীনে যা আছে সব আল্লাহ্ র ই আর কর্মবিধানে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আল্লাহর জন্যই রয়েছে, যা আছে আসমানসমূহে এবং যা আছে যমীনে। আর কর্মবিধায়ক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।আল-বায়ান

আসমানে যা আছে আর যমীনে যা আছে সব আল্লাহরই, কার্যনির্বাহক হিসেবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট।তাইসিরুল

হে লোকগণ! যদি তিনি ইচ্ছা করেন তবে তিনি তোমাদের সরিয়ে দিতে পারেন, আর অন্যদের নিয়ে আসতে পারেন। আর আল্লাহ্ এই ব্যাপরে হচ্ছেন অসীম ক্ষমতাশালী।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

‘আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীতে যা-কিছু আছে তা আল্লাহরই’ এ বাক্যটি এস্থলে পর পর তিনবার বলা হয়েছে। প্রথমবার উদ্দেশ্য ছিল স্বামী-স্ত্রীকে আশ্বস্ত করা যে, আল্লাহ তাআলার রহমতের ভাণ্ডার অতি বড়। তিনি তাদের প্রত্যেকের জন্য আরও উপযুক্ত কোনও ব্যবস্থা করতে পারেন। দ্বিতীয়বারের উদ্দেশ্য ছিল আল্লাহ তাআলার অমুখাপেক্ষিতা বর্ণনা করা যে, কারও কুফর দ্বারা তাঁর কোনও ক্ষতি হয় না। কেননা বিশ্বজগত তাঁর আজ্ঞাধীন। কারও কাছে তাঁর কোনও ঠেকা নেই। তৃতীয়বার উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহ তাআলার রহমত ও কর্মবিধানের বিষয়টি বর্ণনা করা। আল্লাহ বলছেন যে, তোমরা যদি তাকওয়া ও আনুগত্যের পথ অবলম্বন কর, তবে তিনি তোমাদের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করে দেবেন।

তাফসীরে জাকারিয়া

১৩২. আসমানে যা আছে ও যমীনে যা আছে সব আল্লাহরই এবং কার্যোদ্ধারে আল্লাহই যথেষ্ট।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৩২) আর আকাশমন্ডল ও ভূ-মন্ডলে যা কিছু আছে সব আল্লাহরই এবং কর্ম-বিধায়ক হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট।