ইয়ঁইয়াদ‘ঊনা মিন দূ নিহী ইল্লা ইনা-ছাওঁ ওয়াই ইয়াদ‘ঊনা ইল্লা-শাইতা-নাম মারীদা-।উচ্চারণ
এ ধরনের লোকেরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে দেবীর পূজা করে। তারা সেই বিদ্রোহী শয়তানের পূজা করে, ১৪৫ তাফহীমুল কুরআন
তারা আল্লাহকে ছেড়ে অন্য যাদের কাছে প্রার্থনা জানায়, তারা কেবল কতিপয় নারী। #%৮২%# আর তারা যাকে ডাকে সে তো অবাধ্য শয়তান ছাড়া কেউ নয়মুফতী তাকী উসমানী
তারা তাঁকে পরিত্যাগ করে নারী মূর্তিদেরকেই আহবান করে এবং তারা বিদ্রোহী শাইতানকে ব্যতীত আহবান করেনা।মুজিবুর রহমান
তারা আল্লাহকে পরিত্যাগ করে শুধু নারীর আরাধনা করে এবং শুধু অবাধ্য শয়তানের পূজা করে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তাঁর পরিবর্তে তারা দেবীরই পূজা করে এবং বিদ্রোহী শয়তানেরই পূজা করে- ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আল্লাহ ছাড়া তারা শুধু নারীমূর্তিকে ডাকে এবং কেবল* অবাধ্য শয়তানকে ডাকে।আল-বায়ান
তারা আল্লাহকে ছেড়ে শুধু কতকগুলো দেবীরই পূজা করে, তারা কেবল আল্লাহদ্রোহী শায়ত্বনের পূজা করে।তাইসিরুল
তাকে আল্লাহ্ ধিক্কার দিয়েছেন। আর সে বলেছিল -- "আমি নিশ্চয় তোমার বান্দাদের একটি নির্ধারিত অংশ গ্রহণ করবো” ।মাওলানা জহুরুল হক
১৪৫
শয়তানকে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে পূজা অর্চনা করে না বা তাকে সরাসরি আল্লাহর মর্যাদায় অভিসিক্ত করে না। এ অর্থে কেউ শয়তানকে মাবুদ বানায় না, একথা ঠিক। তবে নিজের প্রবৃত্তি, ইচ্ছা আশা-আকাংখা ও চিন্তা–ভাবনার লাগাম শয়তানের হাতে তুলে দিয়ে যেদিকে সে চালায় সেদিকে চলা এবং এমনভাবে চলা যেন সে শয়তানের বান্দা এবং শয়তান তার প্রভু—এটাইতো শয়তানকে মাবুদ বানাবার একটি পদ্ধতি। এ থেকে জানা যায়, বিনা বাক্য ব্যয়ে, নির্দেশ মেনে চলা এবং অন্ধভাবে কারো হুকুম পালন করার নামই ‘ইবাদত।’ আর যে ব্যক্তি এভাবে কারও আনুগত্য করে সে আসলে তার ইবাদাত করে।
মক্কার কাফিরগণ যেই মনগড়া উপাস্যদের পূজা করত তাদেরকে নারী মনে করত, যেমন লাত, মানাত ও উযযা। তা ছাড়া ফিরিশতাগণকেও তারা আল্লাহর কন্যা বলত। আয়াতে ইশারা করা হয়েছে যে, এক দিকে তো তারা নারীদেরকে হীনতর সৃষ্টি মনে করে, অন্যদিকে যাদেরকে নিজেদের উপাস্য বানিয়ে রেখেছে তাদের ধারণা অনুযায়ী তারা সকলে নারী। কী হাস্যকর অসঙ্গতি!
১১৭. তাঁর পরিবর্তে তারা দেবিরাই পূজা করে এবং বিদ্রোহী শয়তানেরাই পূজা করে।(১)
(১) বর্তমানে পৃথিবীতে ইয়াযিদী ফের্কা ছাড়া শয়তানকে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে পূজা করে না বা তাকে সরাসরি আল্লাহর মর্যাদায় অভিষিক্ত করে না। এ অর্থে কেউ শয়তানকে মা’বুদ বানায় না একথা সত্য; তবে নিজের প্রবৃত্তি, ইচ্ছা-আকাংখা ও চিন্তা-ভাবনার লাগাম শয়তানের হাতে তুলে দিয়ে যেদিকে সে চালায় সেদিকেই চলা এবং এমনভাবে চলা যেন সে শয়তানের বান্দা ও শয়তান তার প্রভু- এটাই তো শয়তানকে মা’বুদ বানাবার একটি পদ্ধতি। এ থেকে জানা যায়, বিনা বাক্য ব্যয়ে নির্দেশ মেনে চলা এবং অন্ধভাবে কারো হুকুম পালন করার নামই ইবাদাত। আর যে ব্যক্তি এভাবে কারো আনুগত্য করে, সে আসলেই তার ইবাদাত করে।
(১১৭) তাঁর (আল্লাহর) পরিবর্তে তারা কেবল নারীদেরকে আহবান (দেবীদের পূজা) করে(1) এবং তারা কেবল বিদ্রোহী শয়তানেরই পূজা করে। (2)
(1) إِنَاثٌ (নারী) বলতে হয় সেই মূর্তি বা দেবীগুলোকে বুঝানো হয়েছে, যাদের নাম ছিল স্ত্রীবাচক। যেমন, উয্যা, মানাত, নায়েলা ইত্যাদি। অথবা এ থেকে ফিরিশতাদেরকে বুঝানো হয়েছে। কেননা, আরবের মুশরিকরা ফিরিশতাদেরকে আল্লাহর বেটী গণ্য করত এবং তাদের ইবাদত করত।
(2) মূর্তি, ফিরিশতা বা অন্য কোন সত্তার ইবাদত করার মানেই হল প্রকৃতার্থে শয়তানের ইবাদত করা। কারণ, শয়তানই মানুষকে আল্লাহ থেকে সরিয়ে অন্যের আস্তানা ও চৌকাঠে সিজদায় ঝুঁকিয়ে দেয়। পরের আয়াতে এ কথাই আলোচিত হয়েছে।