حَتَّىٰٓ إِذَا رَأَوۡاْ مَا يُوعَدُونَ فَسَيَعۡلَمُونَ مَنۡ أَضۡعَفُ نَاصِرٗا وَأَقَلُّ عَدَدٗا

হাত্তা ইয়া- রআও মা- ইঊ‘আদূনা ফাছাইয়া‘লামূনা মান আদ‘আফুনা-সিরওঁ ওয়া আকাল্লু‘আদাদা- ।উচ্চারণ

(এসব লোক তাদের এ আচরণ থেকে বিরত হবে না) এমনকি অবশেষে যখন তারা সে জিনিসটি দেখবে যার প্রতিশ্রুতি তাদের দেয়া হচ্ছে, তখন তারা জানতে পারবে যে, কার সাহায্যকারী দুর্বল এবং কার দল সংখ্যায় কম। ২৪ তাফহীমুল কুরআন

(তারা অবাধ্যতা করতে থাকবে) যাবৎ না তারা দেখতে পায় সেই জিনিস যে ব্যাপারে তাদেরকে সতর্ক করা হচ্ছে। তখন তারা বুঝতে পারবে কার সাহায্যকারী দুর্বল এবং কে সংখ্যায় অল্প। #%১২%#মুফতী তাকী উসমানী

যখন তারা প্রতিশ্রুতি প্রত্যক্ষ করবে তখন তারা বুঝতে পারবে, কে সাহায্যকারীর দিক দিয়ে দুর্বল এবং কে সংখ্যায় স্বল্প।মুজিবুর রহমান

এমনকি যখন তারা প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা জানতে পারবে, কার সাহায্যকারী দূর্বল এবং কার সংখ্যা কম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যখন এরা প্রতিশ্রুত শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে, বুঝতে পারবে, কে সাহায্যকারীর দিক দিয়ে দুর্বল এবং কে সংখ্যায় স্বল্প। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশেষে যখন তারা তা প্রত্যক্ষ করবে, যে সম্পর্কে তাদেরকে সাবধান করা হয়েছিল। তখন তারা জানতে পারবে যে, সাহায্যকারী হিসেবে কে অধিকতর দুর্বল এবং সংখ্যায় কারা সবচেয়ে কম।আল-বায়ান

অবশেষে তারা যখন প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা জানতে পারবে যে, সাহায্যকারী হিসেবে কে সবচেয়ে দুর্বল, আর সংখ্যায় কারা সবচেয়ে কম।তাইসিরুল

যে পর্যন্ত না তারা দেখতে পায় যা তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল, তখন তারা সঙ্গে-সঙ্গে জানতে পারবে কে সাহায্যলাভের ক্ষেত্রে দুর্বলতর, আর সংখ্যার দিক দিয়ে অল্প।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৪

এ আয়তটির পটভূমি হলো, সে যুগে যেসব লোক আল্লাহর পথের দিকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আহবান শুনেই তাঁর ওপর মারমুখী হতো তারা এ খোশ খেয়ালে নিমগ্ন ছিল যে, তাদের দলবলই বড়। অপরদিকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে আছে আঙুলে গোণা কয়েকজন লোক। সুতরাং তারা অতি সহজেই তাকে পরাভূত করতে সক্ষম হবে। তাই বলা হচ্ছে, আজ এসব লোক রসূলকে ﷺ অসহায় ও বন্ধুহীন এবং নিজেদের সংখ্যাধিক্য দেখে ন্যায় ও সত্যের কণ্ঠ স্তদ্ধ করে দিতে দুঃসাহস দেখাচ্ছে। কিন্তু যে সময় সম্পর্কে তাদের সাবধান করে দেয়া হচ্ছে সে দুঃসময়টি যখন আসবে, তখন তারা বুঝতে পারবে প্রকৃত পক্ষে অসহায় ও বন্ধুহীন কারা।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

সূরা মারয়াম (১৯ : ৭৩)-এ আছে, কাফেরগণ মুসলিমদেরকে বলত, “আমাদের উভয় দলের মধ্যে কার অবস্থান শ্রেষ্ঠতর এবং কার মজলিস উৎকৃষ্টতর?” অর্থাৎ শক্তি ও সংখ্যায় কার সাহায্যকারীগণ উপরে। এ আয়াতে তাদের এ জাতীয় কথারই উত্তর দেওয়া হয়েছে যে, যে দিন আল্লাহ তাআলার শাস্তি তাদের সামনে হাজির হয়ে যাবে, সে দিনই তারা বুঝতে পারবে কার সাহায্যকারীগণ দুর্বল ও সংখ্যায় অল্প এবং কার সাহায্যকারী শক্তিতে প্রবল ও সংখ্যায় অধিক।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৪. অবশেষে যখন তারা যা প্রতিশ্রুত তা প্রত্যক্ষ করবে, তখন তারা জানতে পারবে কে সাহায্যকারী হিসেবে অধিকতর দুর্বল এবং সংখ্যায় স্বল্প।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৪) এমনকি যখন তারা তাদের প্রতিশ্রুত (শাস্তি) প্রত্যক্ষ করবে,(1) তখন তারা জানতে পারবে, কে সাহায্যকারী হিসাবে দুর্বল এবং কে সংখ্যায় অল্প। (2)

(1) অথবা এর অর্থ হল, এরা নবী করীম (সাঃ) এবং মু’মিনদের সাথে শত্রুতা ও নিজেদের কুফরীর উপর অব্যাহত থাকবে দুনিয়াতে বা আখেরাতে সেই আযাব দেখা পর্যন্ত, যার অঙ্গীকার তাদের সাথে করা হয়েছে।

(2) অর্থাৎ, সেদিন তারা জানতে পারবে যে, মু’মিনদের সাহায্যকারী দুর্বল, না মুশরিকদের? আর তওহীদবাদীদের সংখ্যা কম, না গায়রুল্লাহর পূজারীদের? অর্থাৎ, তখন তো মুশরিকদের মোটেই কোন সাহায্যকারী থাকবে না এবং আল্লাহর অসংখ্য সৈন্যের সামনে মুশরিকদের সংখ্যা হবে আটাতে লবণ বরাবর।