ওয়া আম্মাল ক-ছিতু না ফাক-নূলিজাহান্নামা হাতাবা- ।উচ্চারণ
আর যারা ন্যায় ও সত্য থেকে বিমুখ তারা হবে জাহান্নামের ইন্ধন। ১৪ তাফহীমুল কুরআন
বাকি থাকল জালেমগণ, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন।মুফতী তাকী উসমানী
অপর পক্ষে সীমা লংঘনকারীতো জাহান্নামেরই ইন্ধন।মুজিবুর রহমান
আর যারা অন্যায়কারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘অপরপক্ষে সীমালংঘন-কারী তো জাহান্নামেরই ইন্ধন।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর যারা সীমালঙ্ঘনকারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন’।আল-বায়ান
আর যারা অন্যায়কারী তারা জাহান্নামের ইন্ধন।তাইসিরুল
'আর সীমালংঘনকারীদের ক্ষেত্রে -- তারা তো জাহান্নামেরই ইন্ধন হয়েছে।’”মাওলানা জহুরুল হক
১৪
কুরআনের ভাষ্য অনুসারে জ্বীনেরা আগুন থেকে সৃষ্ট। তাই প্রশ্ন হতে পারে যে, জাহান্নামের আগুন দ্বারা তাদের আবার কি কষ্ট হবে? এর জবাব হলো, কুরআনের ভাষ্য অনুসারে মানুষও মাটি থেকে সৃষ্ট। তা সত্ত্বেও তাদের মাটির ঢিল ছুঁড়ে মারলে ব্যাথা পায় কেন? প্রকৃত সত্য হলো মানুষের গোটা দেহ মাটির উপাদান দ্বারা তৈরী হলেও এসব উপাদান থেকে যখন একজন রক্ত-মাংসের জীবন্ত মানুষ অস্তিত্ব লাভ করে তখন সে এসব উপাদান থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিসে রূপান্তরিত হয় এবং একই উপাদান থেকে তৈরী অন্যান্য জিনিস তার কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ঠিক তেমনিভাবে গঠনাকৃতির দিক থেকে জিন যদিও আগুনের তৈরী। কিন্তু আগুন থেকে তৈরী একটি জীবন্ত ও চেতনা সম্পন্ন সৃষ্টি যখন অস্তিত্ব লাভ করে তখন সে আগুনই তার জন্যে কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। (অধিক ব্যাখ্যার জন্য দেখুন, তাফহীমুল কোরআন, সূরা আর রহমান, টীকা ১৫)
১৫. আর যারা সীমালঙ্ঘনকারী তারা তো হয়েছে জাহান্নামের ইন্ধন৷
(১৫) অপরপক্ষে সীমালংঘনকারীরা তো জাহান্নামেরই ইন্ধন।’(1)
(1) এ থেকে জানা গেল যে, মানুষের মত জ্বিনরাও জাহান্নাম এবং জান্নাত দু’টিতেই প্রবেশকারী হবে। এদের মধ্যে যে কাফের সে জাহান্নামে যাবে এবং মুসলিম জান্নাতে যাবে। (মাটির সৃষ্টি মানুষ যেমন মাটির আঘাতে কষ্ট পায়, তেমনি আগুনের সৃষ্টি জ্বিন জাহান্নামের আগুনে কষ্ট পাবে।) এখান থেকে জ্বিনদের কথা শেষ হল। এবার আল্লাহর কথা শুরু হচ্ছে।