ওয়া আন্না- লাম্মা- ছামি‘নাল হুদাআ-মান্না- বিহী ফামাইঁ ইউ’মিম বিরব্বিহী ফালাইয়াখা-ফুবাখছাওঁ ওয়ালা- রহাক- ।উচ্চারণ
আর আমরা যখন হিদায়াতের বানী শুনলাম তখন তার প্রতি ঈমান আনলাম। যে ব্যক্তিই তার রবের ওপর ঈমান আনবে তার অধিকার বিনষ্ট হওয়ার কিংবা অত্যাচারিত হওয়ার ভয় থাকবে না। ১৩ তাফহীমুল কুরআন
এবং আমরা যখন হেদায়েতের বাণী শুনলাম, তাতে ঈমান আনলাম। যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনে, তার কোনও ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না এবং কোনও অন্যায়েরও না।মুফতী তাকী উসমানী
আমরা যখন পথ নির্দেশক বাণী শুনলাম তখন তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। যে ব্যক্তি তার রবের প্রতি ঈমান আনে তার কোন ক্ষতি কিংবা জোর জবরদস্তির আশংকা থাকবেনা।মুজিবুর রহমান
আমরা যখন সুপথের নির্দেশ শুনলাম, তখন তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব, যে তার পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস করে, সে লোকসান ও জোর-জবরের আশংকা করে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘আমরা যখন পথনির্দেশক বাণী শুনলাম তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনে তার কোন ক্ষতি ও কোন অন্যায়ের আশংকা থাকবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর নিশ্চয় আমরা যখন হিদায়াতের বাণী শুনলাম, তখন তার প্রতি ঈমান আনলাম। আর যে তার রবের প্রতি ঈমান আনে, সে না কোন ক্ষতির আশংকা করবে এবং না কোন অন্যায়ের’।আল-বায়ান
আরো এই যে, আমরা যখন হিদায়াতের বাণী শুনতে পেলাম, তখন তার উপর ঈমান আনলাম। যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের উপর ঈমান আনে তার কোন ক্ষতি বা যুলমের ভয় থাকবে না।তাইসিরুল
'আর আমরা যখন পথনির্দেশ শুনেছি আমরা তাতে বিশ্বাস করেছি। সুতরাং যে কেউ তার প্রভুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, সে তবে আশংকা করবে না কমে যাওয়ার অথবা লাঞ্ছনা পাবার,মাওলানা জহুরুল হক
১৩
অধিকার বিনষ্ট হওয়ার অর্থ হলো, নেক কাজের জন্য যতটা পারিশ্রমিক বা পুরস্কার পাওয়ার কথা তার চাইতে কম দেয়া। আর জুলুম বা অত্যাচার হলো নেক কাজের জন্য আদৌ কোন পারিশ্রমিক বা পুরস্কার না দেয়া এবং তার দ্বারা যে ত্রুটি বা অপরাধ হয়েছে তার তুলনায় অধিক শাস্তি দেয়া, কিংবা অপরাধ ছাড়াই কাউকে শাস্তি দেয়া। আল্লাহ তা’আলার দরবারে কোন ঈমানদারের প্রতি এ ধরনের কোন বে-ইনসাফী হওয়ারআশঙ্কা থাকবে না।
১৩. এও যে, আমরা যখন হিদায়াতের বাণী শুনলাম তাতে ঈমান আনলাম। সুতরাং যে ব্যক্তি তার রবের প্রতি ঈমান আনে তার কোন ক্ষতি ও কোন অন্যায়ের আশংকা থাকবে না।(১)
(১) بخس শব্দের অর্থ প্রাপ্য অপেক্ষা কম দেয়া এবং رهق শব্দের অর্থ যুলুম করা, অত্যাচার করা। উদ্দেশ্য এই যে মুমিনের প্রতিদান কম দেয়া হবে না এবং আখেরাতে তার উপর যুলুম করে কিছু বাড়িয়ে দেওয়াও হবে না। (ইবন কাসীর)
(১৩) আমরা যখন পথ-নির্দেশক বাণী শুনলাম, তখন তাতে আমরা বিশ্বাস স্থাপন করলাম। আর যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে, তার কোন ক্ষতি ও কোন অন্যায়ের আশংকা থাকবে না। (1)
(1) অর্থাৎ, না এই আশঙ্কা আছে যে, তাদের সৎকর্মসমূহের প্রতিদানে কোন কমি করা হবে, আর না এই ভয় আছে যে, তাদের অসৎকর্মসমূহকে বর্ধিত করা হবে।