কুল আরআইতুম ইন আহলাকানিয়াল্লা-হু ওয়া মাম্মা‘ইয়া আও রহিমানা- ফামাইঁ ইউজীরুল ক-ফিরীনা মিন ‘আযা-বিন আলীম।উচ্চারণ
তুমি এদেরকে বলো, তোমরা কখনো এ বিষয়টি ভেবে দেখেছো কি যে, আল্লাহ যদি আমাকে ও আমার সঙ্গীদেরকে ধ্বংস করে দেন কিংবা আমাদের ওপর রহম করেন তাতে কাফেরদেরকে কঠিন শাস্তি থেকে কে রক্ষা করবে? ৩৮ তাফহীমুল কুরআন
(হে রাসূল! তাদেরকে) বলে দাও, একটু বল তো, আল্লাহ আমাকে ও আমার সঙ্গীদেরকে ধ্বংস করুন বা আমাদের প্রতি রহমত করুন (উভয় অবস্থায়) কাফেরদেরকে যন্ত্রণাময় শাস্তি হতে কে রক্ষা করবে? মুফতী তাকী উসমানী
বলঃ তোমরা ভেবে দেখেছ কি - যদি আল্লাহ আমাকে ও আমার সঙ্গীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করেন তাতে কাফিরদের কি? তাদেরকে কে রক্ষা করবে বেদনাদায়ক শাস্তি হতে?মুজিবুর রহমান
বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ-যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে ও আমার সংগীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কাফেরদেরকে কে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বল, ‘তোমরা ভেবে দেখেছ কি- যদি আল্লাহ্ আমাকে ও আমার সঙ্গীদেরকে ধ্বংস করেন বা আমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করেন, তবে কাফিরদেরকে কে রক্ষা করবে মর্মন্তুদ শাস্তি হতে ? ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘তোমরা ভেবে দেখেছ কি’? যদি আল্লাহ আমাকে এবং আমার সাথে যারা আছে, তাদেরকে ধ্বংস করে দেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তাহলে কাফিরদেরকে যন্ত্রণাদায়ক আযাব থেকে কে রক্ষা করবে’?আল-বায়ান
বল, ‘‘তোমরা ভেবে দেখেছ কি আল্লাহ যদি আমাকে আর আমার সঙ্গী সাথীদেরকে ধ্বংস করে দেন অথবা আমাদের উপর দয়া করেন (তাতে তোমাদের লাভটা কী?) মর্মান্তিক শাস্তি থেকে কাফিদেরকে বাঁচাবে কে?তাইসিরুল
তুমি বলো -- "তোমরা কি ভেবে দেখেছ, -- যদি আল্লাহ্ আমাকে ও যারা আমার সঙ্গে রয়েছে তাদের ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি করুণা করেন, কিন্তু কে অবিশ্বাসীদের রক্ষা করবে মর্মন্তুদ শাস্তি থেকে?"মাওলানা জহুরুল হক
৩৮
মক্কা নগরীতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আন্দোলনের সূচনা হলে কুরাইশদের বিভিন্ন গোত্রভুক্ত ব্যক্তিবর্গ ইসলাম গ্রহণ করতে শুরু করলো। এতে মক্কার প্রতিটি পরিবার থেকে নবী ﷺ ও তাঁর সাহাবীদেরকে অভিশাপ দেয়া শুরু হলো। তাঁর বিরুদ্ধে যাদুটোনা বা তন্ত্রমন্ত্রের প্রয়োগ শুরু হলো, যাতে তিনি ধ্বংস হয়ে যান। এমনকি হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কেও চিন্তা-ভাবনা চলতে থাকলো। তাই এখানে বলা হয়েছে এদের বলো, আমরা ধ্বংস হয়ে যাই বা আল্লাহর রহমতে বেঁচে থাকি তাতে তোমাদের কি লাভ? আল্লাহর আযাব এলে তোমরা নিজেরা কিভাবে নিষ্কৃতি পাবে সে চিন্তা করতে থাক।
বহু কাফের বলত, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুনিয়া থেকে চলে গেলে তার দীনও খতম হয়ে যাবে। তাই তারা তাঁর ওফাতের অপেক্ষা করছিল। যেমন সূরা তুর (৫২ : ৩০)-এ গত হয়েছে। এখানে বলা হচ্ছে, আল্লাহ তাআলা তাঁকে ও তাঁর সঙ্গীগণকে ধ্বংস করুন বা তাদের প্রতি রহম করুন ও তাদেরকে জয়যুক্ত করুন (যেমন আল্লাহ তাআলার প্রতিশ্রুতি রয়েছে) উভয় অবস্থায়ই তোমাদের পরিণতিতে তো কোন প্রভেদ হবে না। উভয় অবস্থায়ই কাফেরদেরকে অবশ্যই শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে এবং তাদেরকে তা থেকে কেউ বাঁচাতে পারবে না।
২৮. বলুন, তোমরা আমাকে জানাও—যদি আল্লাহ আমাকে ও আমার সঙ্গীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করেন, তবে কাফিরদেরকে কে রক্ষা করবে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি হতে?
(২৮) বল, ‘তোমরা ভেবে দেখেছ কি? যদি আল্লাহ আমাকে ও আমার সঙ্গীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করেন, তাহলে অবিশ্বাসীদেরকে বেদনাদায়ক শাস্তি হতে কে রক্ষা করবে?’ (1)
(1) অর্থাৎ, চাহে রসূল ও তাঁর প্রতি ঈমান আনয়নকারীদেরকে আল্লাহ মৃত্যু অথবা হত্যা দ্বারা ধ্বংস করে দেন কিংবা তাদেরকে অবকাশ দেন; কিন্তু এই কাফেরদের জন্য তো আল্লাহর আযাব থেকে কোন রক্ষাকারী নেই। অথবা এর অর্থ হল, আমরা ঈমান আনা সত্ত্বেও ভয় ও আশার মধ্যে চিন্তাগ্রস্ত, তাহলে কুফরী করলে তোমাদেরকে আযাব থেকে কে বাঁচাতে পারবে?