ইযাউলকূফীহা- ছামি‘উ লাহা- শাহীকাওঁ ওয়াহিয়া তাফূর।উচ্চারণ
তাদেরকে যখন সেখানে নিক্ষেপ করা হবে তখন তারা তার ভয়ানক গর্জনের শব্দ শুনতে পাবে ১৩ তাফহীমুল কুরআন
যখন তাদেরকে তাতে ফেলা হবে, তারা তার গর্জন শুনতে পাবে আর তা হবে উদ্বেলিত।মুফতী তাকী উসমানী
যখন তন্মধ্যে নিক্ষিপ্ত হবে তখন তারা উহার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে, আর ওটা হবে উদ্বেলিত।মুজিবুর রহমান
যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যখন এরা তন্মধ্যে নিক্ষিপ্ত হবে তখন এরা জাহান্নামের বিকট শব্দ শুনবে, আর তা হবে উদ্বেলিত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন তাদেরকে তাতে নিক্ষেপ করা হবে, তখন তারা তার বিকট শব্দ শুনতে পাবে। আর তা উথলিয়ে উঠবে।আল-বায়ান
তাদেরকে যখন তাতে নিক্ষেপ করা হবে তখন তারা জাহান্নামের শ্বাস গ্রহণের (ভয়াবহ) গর্জন শুনতে পাবে আর তা হবে উদ্বেলিত।তাইসিরুল
যখন তাদের সেখানে নিক্ষেপ করা হবে তখন তারা তার থেকে বিকট গর্জন শুনতে পাবে, আর তা লেলিহান শিখা ছড়াবে, --মাওলানা জহুরুল হক
১৩
মূল ইবারতে شَهِيقًا শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, যা গাধার ডাকের মত আওয়াজ বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। এ বাক্যের অর্থ এও হতে পারে যে, এটা খোদ জাহান্নামের শব্দ। আবার এও হতে পারে যে, জাহান্নাম থেকে এ শব্দ আসতে থাকবে, ইতিমধ্যেই যেসব লোককে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছে তারা জোরে জোরে চিৎকার করতে থাকবে। সূরা হূদের ১০৬ আয়াত থেকে দ্বিতীয় অর্থটির সমর্থন পাওয়া যায়। উক্ত আয়াতে বলা হয়েছে যে, এ দোযখীরা দোযখের মধ্যে হাঁপাতে, গোঙ্গাতে এবং হাঁসফাস করতে থাকবে। আর সূরা ফুরকানের ১২ আয়াত থেকে প্রথমোক্ত অর্থটির সমর্থন পাওয়া যায়। সেখানে বলা হয়েছে, দোযখের দিকে যাওয়ার পথে এসব লোক দূরে থেকেই তার ক্রোধ ও প্রচণ্ড উত্তেজনার শব্দ শুনতে পাবে। এসবের প্রেক্ষিতে সঠিক অর্থ দাঁড়ায় এই যে, এটি খোদ জাহান্নামের ক্রোধের শব্দ ও জাহান্নামবাসীদের চিৎকার-ধ্বনিও।
৭. যখন তাদেরকে সেখানে নিক্ষেপ করা হবে তখন তারা জাহান্নামের বিকট শব্দ শুনবে(১), আর তা হবে উদ্বেলিত।
(১) মূল ইবারতে شَهِيق শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, যা গাধার ডাকের মত আওয়াজ বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। এ বাক্যের অর্থ এও হতে পারে যে, এটা খোদ জাহান্নামের শব্দ। (ফাতহুল কাদীর, কুরতুবী) যেমন পবিত্র কুরআনের অন্যত্র বলা হয়েছে, “জাহান্নামের দিকে যাওয়ার পথে এসব লোক দূরে থেকেই তার ক্রোধ ও প্রচণ্ড উত্তেজনার শব্দ শুনতে পাবে।” (সূরা আল-ফুরকান: ১২) আবার এও হতে পারে যে, জাহান্নাম থেকে এ শব্দ আসতে থাকবে, ইতিমধ্যেই যেসব লোককে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছে তারা জোরে জোরে চিৎকার করতে থাকবে। যেমন অন্যত্র বলা হয়েছে, এ জাহান্নামীরা জাহান্নামের মধ্যে হাঁপাতে, গোঙ্গাতে এবং হাসফাস করতে থাকবে।” (সূরা হূদ; ১০৬)
(৭) যখন তারা তাতে নিক্ষিপ্ত হবে, তখন জাহান্নামের গর্জন শুনবে, আর তা উদ্বেলিত হবে। (1)
(1) شَهِيْقٌ সেই শব্দকে বলা হয়, যা গাধার মুখ থেকে সর্বপ্রথম বের হয়। এটা বড়ই বিদঘুটে আওয়াজ। কিয়ামতের দিন জাহান্নামও গাধার মত চিৎকার করবে এবং আগুনের উপর রাখা ফুটন্ত হাঁড়ির মত উদ্বেলিত হতে থাকবে।