আল্লাযী খালাকা ছাব‘আ ছামা-ওয়া-তিন তিবা-কান মা- তার- ফী খালকির রহমা-নি মিন তাফা-উত ফারজি‘ইল বাসার হাল তার- মিন ফুতূর।উচ্চারণ
তিনিই স্তরে স্তরে সাজিয়ে সাতটি আসমান তৈরী করেছেন। ৬ তুমি রহমানের সৃষ্টকর্মে কোন প্রকার অসঙ্গতি দেখতে পাবে না। ৭ আবার চোখ ফিরিয়ে দেখ, কোন ত্রুটি ৮ দেখতে পাচ্ছ কি? তাফহীমুল কুরআন
যিনি উপর-নীচ স্তর বিশিষ্ট সাত আকাশ সৃষ্টি করেছেন। তুমি দয়াময় আল্লাহর সৃষ্টিতে কোন অসঙ্গতি পাবে না। ফের দৃষ্টিপাত করে দেখ, কোন ফাটল দেখতে পাও কি?মুফতী তাকী উসমানী
তিনি সৃষ্টি করেছেন স্তরে স্তরে সপ্তাকাশ। দয়াময় আল্লাহর সৃষ্টিতে তুমি কোন খুঁত দেখতে পাবেনা; আবার দেখ, কোন ত্রুটি দেখতে পাও কি?মুজিবুর রহমান
তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যিনি সৃষ্টি করেছেন স্তরে স্তরে সপ্তাকাশ। দয়াময় আল্লাহ্ র সৃষ্টিতে তুমি কোন খুঁত দেখতে পাবে না; তুমি আবার তাকাইয়া দেখ, কোন ত্রুটি দেখতে পাও কি ? ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যিনি সাত আসমান স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। পরম করুণাময়ের সৃষ্টিতে তুমি কোন অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। তুমি আবার দৃষ্টি ফিরাও, কোন ত্রুটি দেখতে পাও কি?আল-বায়ান
যিনি সৃষ্টি করেছেন সাত আসমান- একটির উপর আরেকটি। তোমরা মহা দয়াময়ের সৃষ্টিকার্যে কোনরূপ অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। তোমরা আবার দৃষ্টি ফিরিয়ে দেখ, কোন দোষ-ত্রুটি দেখতে পাও কি?তাইসিরুল
যিনি সাত আকাশ সৃষ্টি করেছেন সুবিন্যস্তভাবে। তুমি পরম করুণাময়ের সৃষ্টিতে কোনো অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। তারপর তুমি দৃষ্টি ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে নাও, তুমি কি কোনো ফাটল দেখতে পাচ্ছ?মাওলানা জহুরুল হক
৬
ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কোরআন, আল বাকারা, টিকা ৩৪; আর রা’দ টীকা ২; আল হিজর টীকা ৮; আল হজ্জ, টীকা ১১৩; আল মু’মিনূন, টীকা ১৫; আস সাফফাত, টীকা ৫ এবং আল মু’মিন, টীকা ৯০।
৭
মূল আয়াতে تَفَاوُتٍ শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ হলো সামঞ্জস্যহীনতা। এক বস্তুর সাথে আরেকটি বস্তুর মিল না হওয়া, অমিল হওয়া বা খাপ না খাওয়া। সুতরাং এ কথাটির অর্থ হলো, গোটা বিশ্ব-জাহানের কোথাও তোমরা বিশৃংখলা, অবিন্যস্ততা ও অসঙ্গতি দেখতে পাবে না। আল্লাহর সৃষ্ট এ পৃথিবীতে কোন জিনিসই সামঞ্জস্যহীন ও খাপছাড়া নয়। এর প্রত্যেকটি অংশ পরস্পর বাঁধা এবং সেগুলোর মধ্যে পুরো মাত্রায় সামঞ্জস্য বিদ্যমান।
৮
মূল ব্যবহৃত শব্দটি হলো فطور এর অর্থ ফাটল, ছিদ্র, চিড়, ছেঁড়া, ভাঙাচোরা। অর্থাৎ সমগ্র বিশ্ব-জাহানের বাঁধন এতো মজবুত এবং পৃথিবীর একটি অণু থেকে বিশালকায় নীহারিকা মণ্ডলী পর্যন্ত প্রতিটি বস্তু এমন সুদৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ যে, বিশ্ব-জাহানের কোথাও কোন বিশৃঙ্খলা দেখা যাবে না। (বেশী ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কোরআন, সূরা ক্বাফ, টীকা ৮)।
‘অসঙ্গতি’-এর দ্বারা বোঝানো হচ্ছে, আল্লাহ তাআলা সৃষ্টিজগতের প্রতিটি বস্তুকে এক বিশেষ সৌষম্য ও সাযুজ্যের সাথে সৃষ্টি করেছেন। এর কোথাও কোন বৈসাদৃশ্য নেই।
৩. যিনি সৃষ্টি করেছেন স্তরে স্তরে সাত আসমান। রহমানের সৃষ্টিতে আপনি কোন খুঁত দেখতে পাবেন না; আপনি আবার তাকিয়ে দেখুন, কোন ত্রুটি দেখতে পান কি?(১)
(১) মূল ব্যবহৃত শব্দটি হলো فطور যার অর্থ ফাটল, ছিদ্র, ছেড়া, ভাঙা-চোরা। (কুরতুবী)
(৩) তিনি সৃষ্টি করেছেন স্তরে স্তরে সাত আকাশ। দয়াময় আল্লাহর সৃষ্টিতে তুমি কোন খুঁত দেখতে পাবে না;(1) আবার তাকিয়ে দেখ, কোন ত্রুটি দেখতে পাচ্ছ কি?(2)
(1) অর্থাৎ, তাতে কোন অসামঞ্জস্য, কোন বক্রতা এবং কোন ত্রুটি ও খুঁত নেই। বরং তাকে একেবারে সোজা ও সমতল বানানো হয়েছে; যা এ কথা প্রমাণ করে যে, এ সবের সৃষ্টিকর্তা হলেন কেবল একজন, একাধিক নয়।
(2) কখনো কখনো এমন হয় যে, দ্বিতীয়বার ভালভাবে লক্ষ্য করলে কোন ঘাটতি বা দোষ-ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। তাই মহান আল্লাহ আহবান করছেন যে, তোমরা বারবার দৃষ্টিপাত করে দেখ, তাতে কোন ছিদ্র বা ফাটল পাও কি না?