ওয়া মান আজলামুমিম্মানিফ তার-‘আলাল্লা-হিল কাযিবা ওয়া হুওয়া ইউদ‘আইলাল ইছলা-মি ওয়াল্লা-হু লা-ইয়াহদিল কাওমাজ্জা-লিমীন।উচ্চারণ
সেই ব্যক্তির চেয়ে বড় জালেম আর কে হবে যে আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা বানিয়ে বলে। ১০ অথচ তাকে শুধু ইসলামের (আল্লাহর আনুগত্য করার) দিকে আহ্বান করা হচ্ছে। ১১ আল্লাহ এ রকম জালেমদের হিদায়াত দেন না। তাফহীমুল কুরআন
সেই ব্যক্তি অপেক্ষা বড় জালেম আর কে হতে পারে, যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে, অথচ তাকে ইসলামের দিকে ডাকা হয়? আল্লাহ এরূপ জালেম সম্প্রদায়কে হেদায়াতপ্রাপ্ত করেন না।মুফতী তাকী উসমানী
যে ব্যক্তি ইসলামের দিকে আহুত হয়েও আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে তার অপেক্ষা অধিক যালিম আর কে হতে পারে? আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে সৎ পথে পরিচালিত করেননা।মুজিবুর রহমান
যে ব্যক্তি ইসলামের দিকে আহুত হয়েও আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলে; তার চাইতে অধিক যালেম আর কে? আল্লাহ যালেম সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যে ব্যক্তি ইসলামের দিকে আহূত হয়েও আল্লাহ্ সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে তার অপেক্ষা অধিক জালিম আর কে ? আল্লাহ্ জালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেই ব্যক্তির চেয়ে অধিক যালিম আর কে? যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে, অথচ তাকে ইসলামের দিকে আহবান করা হয়। আর আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়াত করেন না।আল-বায়ান
তার চেয়ে অধিক যালিম আর কে যে আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যে রচনা করে- অথচ তাকে ইসলামের পথ অবলম্বন করার জন্য আহবান জানানো হয়। (এ রকম) যালিম সম্প্রদায়কে আল্লাহ সঠিক পথে চালিত করেন না।তাইসিরুল
আর তার চাইতে কে বেশী অন্যায়কারী যে আল্লাহ্র বিরুদ্ধে মিথ্যা রচনা করে, অথচ তাকে আহ্বান করা হচ্ছে ইসলামের দিকে? আর আল্লাহ্ অন্যায়াচারী জাতিকে সৎপথে চালান না।মাওলানা জহুরুল হক
১০
অর্থাৎ আল্লাহর প্রেরিত নবীকে নবুওয়াতের মিথ্যা দাবীদার বলে অভিহিত করা এবং নবীর ওপর আল্লাহর যে বাণী নাযিল হচ্ছে তাকে নবীর নিজের তৈরী কথা বলে ধরে নেয়া।
১১
অর্থাৎ আল্লাহর এই সত্য নবীকে নবুওয়াতের মিথ্যা দাবীদার বলাটাই কোন ছোট খাট জুলুম নয়। কিন্তু সেটা আরো বড় জুলুম হয়ে দাঁড়ায় যখন তিনি আল্লাহর দাসত্ব আনুগত্যের প্রতি আহবান জানান আর জবাবে শ্রোতা তাঁকে গালি দিতে থাকে এবং তাঁর দাওয়াত ও আন্দোলনকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য মিথ্যা কলঙ্ক লেপন ও অপবাদ আরোপের কৌশল অবলম্বন করে।
যাকে ইসলামের দিকে ডাকা হয়, আর সে কোন রাসূলের রিসালাতকে অস্বীকার করে, সে মূলত আল্লাহ তাআলা সম্পর্কেই মিথ্যা রচনা করে। কেননা আল্লাহ তাআলা তাকে নবী বানিয়েছেন, আর সে বলছে তাকে নবী বানানো হয়নি, এটা আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা ছাড়া আর কী?
৭. আর সে ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম আর কে যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে? অথচ তাকে ইসলামের দিকে আহবান করা হয়। আর আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়াত করেন না।
(৭) যে ব্যক্তি আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে,(1) তার অপেক্ষা অধিক যালেম আর কে? অথচ তাকে ইসলামের(2) দিকে আহবান করা হয়। আর আল্লাহ যালেম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
(1) অর্থাৎ, আল্লাহর সন্তান-সন্ততি সাব্যস্ত করে। অথবা যে পশুগুলোকে তিনি হারাম বলেননি, সেগুলোকে হারাম সাব্যস্ত করে।
(2) অর্থাৎ, যা সমস্ত দ্বীনের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও মহান দ্বীন। সুতরাং যে ব্যক্তি এই দ্বীনের প্রতি আহূত হয়, তার জন্য তো শোভনীয়ই নয় যে, সে কারো ব্যাপারে মিথ্যা গড়বে। তাহলে আল্লাহর ব্যাপারে মিথ্যা গড়া কি তার জন্য কখনও শোভনীয় হতে পারে?