فَٱلۡيَوۡمَ لَا يُؤۡخَذُ مِنكُمۡ فِدۡيَةٞ وَلَا مِنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْۚ مَأۡوَىٰكُمُ ٱلنَّارُۖ هِيَ مَوۡلَىٰكُمۡۖ وَبِئۡسَ ٱلۡمَصِيرُ

ফাল ইয়াওমা লা-ইউ’খাযুমিনকুম ফিদ ইয়াতুওঁ ওয়ালা-মিনাল্লাযীনা কাফারূ মা’ওয়াকুমুন্না-রু হিয়া মাওলা-কুম ওয়াবি’ছাল মাসীর।উচ্চারণ

অতএব, তোমাদের নিকট থেকে আর কোন বিনিময় গ্রহণ করা হবে না। আর তাদের নিকট থেকেও গ্রহণ করা হবে না যারা সুস্পষ্টভাবে কুফরীরতে লিপ্ত ছিল। ২৬ তোমাদের ঠিকানা জাহান্নাম। সে (জাহান্নাম) তোমাদের খোঁজ খবর নেবে। ২৭ এটা অত্যন্ত নিকৃষ্ট পরিণতি। তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং আজ তোমাদের থেকে কোন মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে না এবং তাদের থেকেও না, যারা (প্রকাশ্যে) কুফর অবলম্বন করেছিল। তোমাদের ঠিকানা জাহান্নাম। তা-ই তোমাদের আশ্রয়স্থল এবং তা অতি মন্দ পরিণাম।মুফতী তাকী উসমানী

আজ তোমাদের নিকট হতে কোন মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবেনা এবং যারা কুফরী করেছিল তাদের নিকট হতেও নয়। জাহান্নামই তোমাদের আবাসস্থল, এটাই তোমাদের মাওলা (যোগ্য স্থান), কত নিকৃষ্ট এই পরিণাম!মুজিবুর রহমান

অতএব, আজ তোমাদের কাছ থেকে কোন মুক্তিপন গ্রহণ করা হবে না। এবং কাফেরদের কাছ থেকেও নয়। তোমাদের সবার আবাস্থল জাহান্নাম। সেটাই তোমাদের সঙ্গী। কতই না নিকৃষ্ট এই প্রত্যাবর্তন স্থল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

‘আজ তোমাদের নিকট হতে কোন মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে না এবং যারা কুফরী করেছিল তাদের নিকট হতেও নয়। জাহান্নামই তোমাদের আবাসস্থল, এটাই তোমাদের যোগ্য; কত নিকৃষ্ট এই পরিণাম!’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং আজ তোমাদের কাছ থেকে কোন মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে না এবং যারা কুফরী করেছিল তাদের কাছ থেকেও না। জাহান্নামই তোমাদের আবাসস্থল। সেটাই তোমাদের উপযুক্ত স্থান। আর কতই না নিকৃষ্ট সেই গন্তব্যস্থল!আল-বায়ান

আজ তোমাদের কাছ থেকে কোন মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে না, আর যারা কুফুরী করেছিল তাদের কাছ থেকেও না। তোমাদের বসবাসের জায়গা জাহান্নাম, সেটাই তোমাদের যথাযোগ্য স্থান। কতই না নিকৃষ্ট সেই আশ্রয়স্থল!তাইসিরুল

সেজন্য আজকের দিনে তোমাদের থেকে কোনো মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে না, আর যারা অবিশ্বাস করেছিল তাদের থেকেও নয়। তোমাদের আবাসস্থল হচ্ছে জাহান্নাম, এই-ই তোমাদের মুরব্বী, আর কত নিকৃষ্ট গন্তব্যস্থল!মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৬

এখানে এ বিষয়টি স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, আখেরাতে কাফেরের পরিণতি যা হবে মুনাফিকের পরিণতিও ঠিক তাই হবে।

২৭

মূল আয়াতে ব্যবহৃত কথাটি হচ্ছে, هِيَ مَوْلَاكُمْ ” দোযখই তোমাদের مولى । এর দু’টি অর্থ হতে পারে। একটি হচ্ছে, সেটিই তোমাদের জন্য উপযুক্ত জায়গা। আরেকটি অর্থ হচ্ছে, তোমরা তো আল্লাহকে তোমাদের অভিভাবক বানাওনি যে, তিনি তোমাদের তত্বাবধান করবেন। এখন দোযখই তোমাদের অভিভাবক। সে-ই তোমাদের যথোপযুক্ত তত্বাবধান করবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১৫. সুতরাং আজ তোমাদের কাছ থেকে কোন মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে না এবং যারা কুফরী করেছিল তাদের কাছ থেকেও নয়। জাহান্নামই তোমাদের আবাসস্থল, এটাই তোমাদের যোগ্য(১); আর কত নিকৃষ্ট এ প্রত্যাবর্তনস্থল!

(১) এর দু'টি অর্থ হতে পারে। একটি হচ্ছে, সেটিই তোমাদের জন্য উপযুক্ত জায়গা। আরেকটি অর্থ হচ্ছে, তোমরা তো আল্লাহ্‌কে তোমাদের অভিভাবক বানাওনি যে, তিনি তোমাদের তত্ত্বাবধান করবেন। এখন জাহান্নাম তোমাদের অভিভাবক। সে-ই তোমাদের যথোপযুক্ত তত্ত্বাবধান করবে।  (কুরতুবী; ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৫) আজ তোমাদের নিকট হতে কোন মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে না এবং যারা অবিশ্বাস করেছিল তাদের নিকট হতেও নয়। তোমাদের আবাসস্থল জাহান্নাম, এটাই তোমাদের চিরসঙ্গী।(1) আর কত নিকৃষ্ট এই পরিণাম!’

(1) এক অর্থে مَولى মতোয়াল্লীকে বলা হয়, যে অপরের কাজের দায়িত্বভার গ্রহণ করে। অর্থাৎ, এখন জাহান্নামের এই দায়িত্ব যে, তাদেরকে কঠিন থেকে কঠিনতর শাস্তি আস্বাদন করাবে। কেউ বলেছেন, সর্বদা সাথে থাকে তাকেও ‘মাওলা’ বলা হয়। অর্থাৎ, এখন জাহান্নামের আগুনই তাদের চিরসাথী ও চিরসঙ্গী হবে। কেউ বলেছেন, মহান আল্লাহ জাহান্নামকেও জ্ঞান ও বোধশক্তি দান করবেন। তাই সে কাফেরদের উপর রাগ ও ক্রোধ প্রকাশ করবে। অর্থাৎ, সে তাদের তত্ত্বাবধায়ক হবে এবং তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিতে থাকবে।