আম ‘ইনদাহুম খাঝাইনুরব্বিকা আম হুমুল মুসাইতিরূন।উচ্চারণ
তোমার রবের ভাণ্ডারসমূহ কি এদের অধিকারে? নাকি ঐ সবের ওপর তাদের কর্তৃত্ব চলে? ২৯ তাফহীমুল কুরআন
তোমার প্রতিপালকের ভাণ্ডার কি তাদের কাছে, নাকি তারাই (সবকিছুর) নিয়ন্ত্রক? মুফতী তাকী উসমানী
তোমার রবের ভান্ডার কি তাদের নিকট রয়েছে, না তারা এ সমুদয়ের নিয়ন্তা?মুজিবুর রহমান
তাদের কাছে কি আপনার পালনকর্তার ভান্ডার রয়েছে, না তারাই সবকিছুর তত্ত্বাবধায়ক?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তোমার প্রতিপালকের ভাণ্ডার কি এদের নিকট রয়েছে, না এরা এই সমুদয়ের নিয়ন্তা? ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমার রবের গুপ্তভান্ডার কি তাদের কাছে আছে, না তারা সব কিছু নিয়ন্ত্রণকারী?আল-বায়ান
নাকি তোমার প্রতিপালকের ধনভান্ডারগুলো তাদের হাতে, না তারা এর নিয়ন্ত্রক?তাইসিরুল
অথবা তাদের কাছেই কি রয়েছে তোমার প্রভুর ধনভান্ডার, না তারাই নিয়ন্তা?মাওলানা জহুরুল হক
২৯
মক্কার কাফেরদের প্রশ্ন ছিল, শেষ পর্যন্ত আবদুল্লাহর পুত্র মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেই কেন রসূল বানানো হলো? এটি তাদের সে প্রশ্নের জবাব। এ জবাবের তাৎপর্য হচ্ছে, এসব লোককে গায়রুল্লাহর ইবাদতের গোমরাহী থেকে মুক্ত করার জন্য কাউকে না কাউকে তো রসূল বানিয়ে পাঠাতেই হতো। এখন প্রশ্ন হলো, সে সিদ্ধান্ত কে গ্রহণ করবেন? আল্লাহ কাকে তাঁর রসূল মনোনীত করবেন আর কাকে করবেন না সে সিদ্ধান্ত কে গ্রহণ করবে? এরা যদি আল্লাহর মনোনীত রসূলকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে থাকে তাহলে তার অর্থ দাঁড়ায় এই যে, হয় তারা নিজেদেরকে আল্লাহর রাজ্যের মালিক মনে করে নিয়েছে। নয়তো তারা ধারণা করে বসে আছে, যে বিশ্ব-জাহানের মালিক মনিব তো আল্লাহ তা’য়ালাই থাকবেন, তবে সেখানে বাস্তব কর্তৃত্ব চলবে তাদের।
মক্কা মুকাররমার কাফেরগণ বলত, আল্লাহ তাআলার যদি কোন নবী পাঠানোর দরকারই ছিল, তবে মক্কা মুকাররমা বা তায়েফের কোন বড় সর্দারকে কেন নবী বানালেন না? (দেখুন সূরা যুখরুফ ৪৩ : ৩১)। আল্লাহ তাআলা বলছেন, আল্লাহ তাআলার রহমতের ভাণ্ডার, কাউকে নবী বানানোও যার অন্তর্ভুক্ত, তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার অধীন নাকি যে, তারা যাকে ইচ্ছা করবে তাকেই নবী বানানো হবে?
৩৭. আপনার রবের গুপ্তভাণ্ডার কি তাদের কাছে রয়েছে, নাকি তারা এ সবকিছুর নিয়ন্তা?
(৩৭) নাকি তোমার প্রতিপালকের ভান্ডারসমূহ তাদের নিকট রয়েছে,(1) না তারা এ সমুদয়ের নিয়ন্ত্রক?(2)
(1) যে, তারা যাকে ইচ্ছা রুযী দেবে এবং যাকে ইচ্ছা দেবে না অথবা যাকে ইচ্ছা নবুঅত দানে ধন্য করবে।
(2) مُصَيْطِرٌ বা مُسَيْطِر হল سَطْرٌ ধাতু থেকে গঠিত। অর্থ লেখক। যে ব্যক্তি তত্ত্বাবধায়ক ও নিয়ন্ত্রক হয়, সে যেহেতু সব কিছুই লিপিবদ্ধ করে, তাই এটা তত্ত্বাবধায়ক ও নিয়ন্ত্রকের অর্থেও ব্যবহার হয়। অর্থাৎ, আল্লাহর ধন-ভান্ডারসমূহ ও তাঁর রহমতের উপর তাদের কি কর্তৃত্ব আছে যে, যাকে ইচ্ছা দেবে, আর যাকে ইচ্ছা দেবে না?