আম ইয়াকূলূনা তাকাওওয়ালাহূ বাল্লা-ইউ’মিনূন।উচ্চারণ
তারা কি বলে যে, এ ব্যক্তি নিজেই কুরআন রচনা করে নিয়েছে? প্রকৃত ব্যাপার হচ্ছে তারা ঈমান গ্রহণ করতে চায় না। ২৬ তাফহীমুল কুরআন
তারা কি বলে, সে এটা (এই কুরআন) নিজে রচনা করে নিয়েছে? না, বরং তারা (জিদের কারণে) ঈমান আনছে না।মুফতী তাকী উসমানী
তারা কি বলেঃ এই কুরআন তার নিজের রচনা? বরং তারা অবিশ্বাসী।মুজিবুর রহমান
না তারা বলেঃ এই কোরআন সে নিজে রচনা করেছে? বরং তারা অবিশ্বাসী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা কি বলে, ‘এই কুরআন তার নিজের রচনা ?’ বরং এরা অবিশ্বাসী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তারা কি বলে, ‘সে এটা বানিয়ে বলছে?’ বরং তারা ঈমান আনে না।আল-বায়ান
তারা কি বলে- ‘সে নিজেই (কুরআন) রচনা করে নিয়েছে? আসলে তারা ঈমানই আনেনি।তাইসিরুল
অথবা তারা কি বলে যে এটি সে বর্ণনা করেছে? না, তারা বিশ্বাস করে না।মাওলানা জহুরুল হক
২৬
অন্য কথায় এ উক্তির তাৎপর্য হচ্ছে, কুরাইশদের মধ্যে যেসব লোক বলতো, কুরআন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিজের রচিত বাণী তারাও জানতো যে, এটা তাঁর বাণী হতে পারে না। তাছাড়া অন্য যেসব লোকের ভাষা আরবী, তারা এ বাণী শোনা মাত্র পরিষ্কার বুঝে ফেলতো যে, এটা মানুষের কথার চেয়ে অনেক ঊর্ধ্বের জিনিসই শুধু নয়, বরং তাদের মধ্যে যে ব্যক্তিই মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জানতো সে কখনো ধারণাই করতে পারতো না যে, এটা সত্যিই তাঁর নিজের কথা। অতএব, পরিষ্কার ও সোজা কথা হলো, কুরআনকে তাঁর নিজের রচনা বলে আখ্যা দানকারী আসলে ঈমান আনতে চায় না। তাই তারা নানা রকমের মিথ্যা বাহানা খাড়া করছে। আর এটা সেসব বাহানারই একটি। (আরো ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন, ইউসূফ, টীকা ২১; আল ফুরকান, টীকা ১২; আল কাসাস, টীকা ৬৪; আল আনকাবূত, টীকা, ৮৮-৮৯; আস সাজদা, টীকা ১ থেকে ৪; হা-মীম আস সাজদা; টীকা ৫৪; আল আহকাফ, টীকা ৮ থেকে ১০)।
৩৩. নাকি তারা বলে, এ কুরআন সে বানিয়ে বলেছে? বরং তারা ঈমান আনবে না।
(৩৩) তারা কি বলে, ‘এ কুরআন নিজে রচনা করেছে?’ বরং তারা অবিশ্বাসী। (1)
(1) অর্থাৎ, কুরআন রচনার অপবাদ আরোপের উপর তাদেরকে উদ্বুদ্ধকারী জিনিসও হল তাদের কুফরী।