ওয়া আম দাদ না-হুম বিফা-কিহাতিওঁ ওয়া লাহমিম মিম্মা-ইয়াশতাহূন।উচ্চারণ
আমি তাদেরকে সব রকমের ফল, গোশত ১৭ এবং তাদের মন যা চাইবে তাই প্রচুর পরিমাণে দিতে থাকবো। তাফহীমুল কুরআন
আমি তাদেরকে তাদের চাহিদামত একের পর এক ফল ও গোশত দেব,মুফতী তাকী উসমানী
আমি তাদেরকে দিব ফল-মূল এবং গোশত যা তারা পছন্দ করে।মুজিবুর রহমান
আমি তাদেরকে দেব ফল-মূল এবং মাংস যা তারা চাইবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি তাদেরকে দিব ফলমূল এবং গোশ্ত যা তারা পছন্দ করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আমি তাদেরকে অতিরিক্ত দেব ফলমূল ও গোশত যা তারা কামনা করবে।আল-বায়ান
আমি তাদেরকে দিব ফলমূল আর গোশত যা তারা পছন্দ করবে।তাইসিরুল
আর আমরা তাদের প্রচুর পরিমাণে প্রদান করব ফলফসল ও মাছমাংস -- যা তারা পছন্দ করে তা থেকে।মাওলানা জহুরুল হক
১৭
এ আয়াতটিতে জান্নাতবাসীদেরকে সব রকমের গোশত সরবরাহ করার কথা উল্লেখ আছে। আর সূরা ওয়াকিয়ার ২১ আয়াতে বলা হয়েছে যে, তাদেরকে পাখীর গোশত দিয়ে আপ্যায়ন করা হবে। এ গোশত কি প্রকৃতির হবে তা আমরা সঠিক জানি না। কিন্তু কুরআনের কোন কোন আয়াতে এবং কোন কোন হাদীসে জান্নাতের দুধ সম্পর্কে বলা হয়েছে, তা জীব-জন্তুর পালন থেকে নির্গত হবে না। জান্নাতের মধু সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তা মৌমাছির মধু হবে না। আর জান্নাতের শরাব সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তা ফল পচিয়ে তার নির্যাসে তৈরী হবে না। আল্লাহর কুদরতে এগুলো ঝর্ণাসমূহ থেকে নির্গত হবে এবং নদীতে প্রবাহিত হবে। এ থেকে অনুমান করা যেতে পারে যে, জান্নাতের গোশতও জবাইকৃত জীব-জন্তুর গোশত হবে না, বরং কুদরতি পন্থায় তৈরী হবে। যে আল্লাহ মাটির উপাদানসমূহ থেকে সরাসরি দুধ, মধু ও শরাব তৈরী করতে সক্ষম, তিনি এসব উপাদান দিয়েই জীব-জন্তুর গোশতের চেয়েও অধিক সুস্বাদু গোশত তৈরী করে দিতে পারেন। এটা তাঁর ক্ষমতার অসাধ্য নয়। (আরো ব্যাখ্যার জন্য দেখুন, তাফহীমুল কুরআন, সূরা সাফ্ফাত টীকা ২৫; সূরা মুহাম্মাদ, টীকা ২১ থেকে ২৩)।
২২. আর আমরা তাদেরকে বাড়িয়ে দেব ফলমূল এবং গোশত যা তারা কামনা করবে।
(২২) আমি তাদেরকে ঢের দেব ফল-মূল এবং গোশত, যা তারা পছন্দ করে। (1)
(1) أَمْدَدْنَاهُم এর অর্থ زِدْنَاهُمْ অর্থাৎ, আমি তাদেরকে প্রচুর দেব।