قٓۚ وَٱلۡقُرۡءَانِ ٱلۡمَجِيدِ

কাফ ; ওয়াল কুরআ-নিল মাজীদ।উচ্চারণ

ক্বাফ, মহিমান্বিত কল্যাণময় কুরআনের শপথ। তাফহীমুল কুরআন

কাফ, কুরআন মাজীদের কসম (কাফেরগণ যে নবীকে অস্বীকার করছে, তা কোন দলীলের ভিত্তিতে নয়);মুফতী তাকী উসমানী

কাফ, শপথ কুরআনের (তুমি অবশ্যই সতর্ককারী)।মুজিবুর রহমান

ক্বাফ! সম্মানিত কোরআনের শপথ;মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

কা-ফ্, শপথ সম্মানিত কুরআনের ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফ; মর্যাদাপূর্ণ কুরআনের কসম।আল-বায়ান

ক্বাফ, শপথ মাহাত্ম্যপূর্ণ কুরআনের (যে তুমি আল্লাহর রসূল।)তাইসিরুল

ক্কাফ। ভেবে দেখো মহিমান্বিত কুরআনখানা।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

مَجِيْدٌ শব্দ আরবী ভাষায় দু’টি অর্থে ব্যবহৃত হয়। এক, উচ্চ পদের অধিকারী, শ্রেষ্ঠ মহান এবং সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী। দুই, দয়ালু, অধিক দানশীল এবং অতি মাত্রায় উপকারকারী। কুরআনের জন্য এ শব্দটি দু’টি অর্থেই ব্যবহার করা হয়েছে। কুরআন মহান এ দিক দিয়ে যে, তার মোকাবিলায় দুনিয়ার আর কোন গ্রন্থই পেশ করা যেতে পারে না। ভাষা ও সাহিত্যিক মূল্যবোধের বিচারেও তা মু’জিযা আবার শিক্ষা ও জ্ঞানের বিচারেও তা মু’জিযা। কুরআন যে সময় নাযিল হয়েছিল সে সময়েও মানুষ কুরআনের বাণীর মত বাণী বানিয়ে পেশ করতে অক্ষম ছিল এবং আজও অক্ষম। তার কোন কথা কখনো কোন যুগে ভুল প্রমাণ করা যায়নি এবং যাবেও না। বাতিল না পারে সামনে থেকে এর মোকাবিলা করতে না পারে পেছন দিক থেকে আক্রমণ করে পরাজিত করতে। কুরআন অধিক দাতা এ দিক দিয়ে যে, মানুষ তার থেকে যত বেশী পথনির্দেশনা পাওয়ার চেষ্টা করে সে তাকে ততটাই পথনির্দেশনা দান করে এবং যত বেশী তা অনুসরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ সে ততই বেশী লাভ করতে থাকে। এর উপকার ও কল্যাণের এমন কোন সীমা নেই যেখানে পৌঁছে মানুষ এর মুখাপেক্ষী না হয়েও পারে কিংবা যেখানে পৌঁছার পর এর উপকারিতা শেষ হয়ে যায়।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১. ক্বাফ, শপথ সম্মানিত কুরআনের,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১) ক্বাফ, শপথ গৌরবান্বিত কুরআনের। (1)

(1) এই কসমের জওয়াব ঊহ্য আছে আর তা হল, لَتُبْعَثُنَّ (তোমরা অবশ্যই কিয়ামতের দিন পুনরুত্থিত হবে)। কেউ কেউ বলেছেন, এর জওয়াব হল পরবর্তী আলোচ্য বিষয়, যাতে নবুঅত ও পুনরুত্থানের কথাকে সুসাব্যস্ত করা হয়েছে।