ওয়ালিল্লা-হি মুলকুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ইয়াগফিরু লিমাইঁ ইয়াশাউ ওয়াইউ‘আযযিবুমাইঁ ইয়াশাউ ওয়া ক-নাল্লা-হু গাফূরর রহীমা-।উচ্চারণ
আকাশ মণ্ডলী ও পৃথিবীর বাদশাহীর (প্রভুত্ব ও প্রশাসন ক্ষমতা) একচ্ছত্র মালিক একমাত্র আল্লাহ। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। আল্লাহ-ইক্ষমাশীল ও করুণাময়। ২৬ তাফহীমুল কুরআন
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর গোটা রাজত্ব আল্লাহরই। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাকে চান শাস্তি দেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।মুফতী তাকী উসমানী
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব আল্লাহর; তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। তিনি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।মুজিবুর রহমান
নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব আল্লাহরই। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব আল্লাহ্ র ই, তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আসমানসমূহ ও যমীনের সার্বভৌমত্ব আল্লাহর; তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন, আর যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। আর আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।আল-বায়ান
আসমান যমীনের রাজত্ব আল্লাহর; যাকে চান তিনি ক্ষমা করেন, যাকে ইচ্ছে ‘আযাব দেন। আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।তাইসিরুল
আর মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব আল্লাহ্র। তিনি যাকে ইচ্ছা করেন পরিত্রাণ করেন এবং শাস্তি দেন যাকে ইচ্ছা করেন। আর আল্লাহ্ পরম ক্ষমাশীল, অফুরন্ত ফলদাতা।মাওলানা জহুরুল হক
২৬
ওপরে উল্লেখিত চরম সাবধান বানীর পর আল্লাহর-‘গাফুর’ (ক্ষমাশীল) ও ‘রাহীম’ (পরম দয়ালু) হওয়ার উল্লেখের মধ্যে উপদেশের একটি সূক্ষ্ম দিক বিদ্যমান। এর অর্থ হচ্ছে, এখনো যদি তোমরা নিজেদের অসৎ ও নিষ্ঠাহীন আচরণ পরিত্যাগ করে সৎ ও নিষ্ঠার পথে আস তাহলে দেখবে আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়ালু। তিনি তোমাদের অতীত ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে দেবেন এবং নিজেদের নিষ্ঠার কারণে তোমরা যে আচরণ পাওয়ার যোগ্য হবে ভবিষ্যতে তিনি তোমাদের সাথে সেই আচরণই করবেন।
১৪. আসমানসমূহ ও যমীনের সর্বময় কর্তৃত্ব আল্লাহরই, তিনি যাকে ইচ্ছে ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছে শাস্তি দেন। আর আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
(১৪) আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব আল্লাহরই; তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। তিনি চরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (1)
(1) এখানে পশ্চাতে অবস্থানকারীদের জন্যে তওবা ও আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করার প্রতি প্রেরণা দেওয়া হয়েছে যে, তারা যদি মুনাফিকী থেকে তওবা করে নেয়, তবে মহান আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন। তিনি অতীব ক্ষমাশীল, পরম করুণাময়।