লিতু’মিনূবিল্লা-হি ওয়া রছূলিহী ওয়া তু‘আঝাঝিরূহু ওয়া তুওয়াক্কিরূহু ওয়া তুছাববিহূহু বুকরতাওঁ ওয়া আসীলা-।উচ্চারণ
যাতে হে মানুষ, তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আন, তাঁকে সাহায্য কর, তাঁর প্রতি সম্মান ও মর্যাদা দেখাও এবং সকাল ও সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা কর। ১৬ তাফহীমুল কুরআন
যাতে (হে মানুষ!) তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আন এবং তাঁকে সাহায্য কর ও তাঁকে সম্মান কর এবং সকাল ও সন্ধ্যায় তাঁর তাসবীহ পাঠ কর।মুফতী তাকী উসমানী
যাতে তোমরা আল্লাহ ও তার রাসূলের প্রতি ঈমান আন এবং রাসূলকে সাহায্য কর ও সম্মান কর; সকাল সন্ধ্যায় আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।মুজিবুর রহমান
যাতে তোমরা আল্লাহ ও রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর এবং তাঁকে সাহায্য ও সম্মান কর এবং সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা কর।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যাতে তোমরা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আন এবং রাসূলকে শক্তি যোগাও ও তাকে সম্মান কর ; সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহ্ র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আন, তাকে সাহায্য ও সম্মান কর এবং সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর তাসবীহ পাঠ কর।আল-বায়ান
যেন (ওহে মানুষেরা) তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আন, রসূলকে শক্তি যোগাও আর তাকে সম্মান কর, আর সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর মহিমা ঘোষণা কর।তাইসিরুল
যেন তোমরা আল্লাহ্র প্রতি ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আনতে পার, এবং তাঁকে সাহায্য করতে ও সম্মান করতে পার, আর যেন তোমরা তাঁর নামজপ করতে পার ভোরে ও সন্ধ্যায়।মাওলানা জহুরুল হক
১৬
কোন কোন মুফাস্সির বলেছেন تُعَزِّرُوهُ ও تُوَقِّرُوهُ শব্দ দু’টির (হু) সর্বনাম দ্বারা রসূলুল্লাহ ﷺ এবং تُسَبِّحُوهُ শব্দের (হু) সর্বনাম দ্বারা আল্লাহ তা’আলাকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ তাদের মতে আয়াতের অর্থ হচ্ছে, “তোমরা রসূলকে সহযোগিতা দান করো এবং তাকে সম্মান ও মর্যাদা দেখাও আর সকাল ও সন্ধ্যায় আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করতে থাকো। “কিন্তু একই বাক্যের মধ্যে সর্বনামসমূহ দ্বারা কোন ইঙ্গিত ছাড়াই দু’টি আলাদা সত্তাকে বুঝানো হবে তা সঠিক হতে পারে না। একারণে আরেক দল মুফাস্সিরের মতে সবগুলো সর্বনাম দ্বারা আল্লাহ তা’আলাকেই বুঝানো হয়েছে। তাঁদের মতে বাক্যের অর্থ হচ্ছে, “তোমরা আল্লাহর সাথে থাকো, তাঁকে সম্মান ও মর্যাদা দেখাও এবং সকাল সন্ধ্যায় তাঁরই পবিত্রতা বর্ণনা করতে থাকো। “
সকাল সন্ধ্যায় পবিত্রতা বর্ণনা করার অর্থ শুধু সকাল সন্ধ্যায় নয়, বরং সর্বক্ষণ পবিত্রতা বর্ণনা করতে থাকা। এটা ঠিক তেমনি যেমন আমরা বলে থাকি অমুক জিনিসটি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য জুড়ে প্রসিদ্ধ। এর অর্থ এই নয় যে, শুধু প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মানুষই বিষয়টি জানে, বরং এর অর্থ হচ্ছে সারা পৃথিবীতেই তা পরিচিত ও আলোচিত।
৯. যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আন এবং তাঁর শক্তি যোগাও ও তাঁকে সম্মান কর; আর সকাল-সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।(১)
(১) এ আয়াতে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপর ঈমান আনয়নের পরে আরো তিনটি কাজ করার জন্য মুমিনদেরকে আদেশ করা হয়েছে। তবে এগুলোতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয়েছে তার দ্বারা কাকে বোঝানো হয়েছে এ নিয়ে দুটি মত রয়েছে। এক. এখানে সর্বাবস্থায় আল্লাহ তা’আলাকেই উদ্দেশ্য করা হয়েছে। অর্থাৎ রাসূল প্রেরণের উদ্দেশ্য হচ্ছে, তোমরা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের উপর ঈমান আনবে এবং আল্লাহকে সাহায্য সহযোগিতা করবে তথা তাঁর দ্বীনকে সহযোগিতা করবে, তাঁকে সম্মান করবে, সকাল ও সন্ধ্যায় তার তাসবীহ পাঠ করবে। দুই. কেউ কেউ প্রথমোক্ত দুই বাক্যের সর্বনাম দ্বারা রাসূলকে বুঝিয়ে এরূপ অৰ্থ করেন যে, রাসূলকে সাহায্য কর, তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন কর এবং আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা কর। (কুরতুবী)
(৯) যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর, তাকে সাহায্য কর ও সম্মান কর এবং সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।