ওয়া লিল্লা-হি জুনূদুছ ছা-মা-ওয়াতি ওয়াল আর দি ওয়া ক-নাল্লা-হু ‘আঝীঝান হাকীমা-।উচ্চারণ
আসমান ও যমীনের সকল বাহিনী আল্লাহর কর্তৃত্বাধীন। তিনি মহাজ্ঞানী ও কৌশলী। ১৩ তাফহীমুল কুরআন
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ আল্লাহরই। আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।মুফতী তাকী উসমানী
আল্লাহরই আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ এবং আল্লাহই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।মুজিবুর রহমান
নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের বাহিনীসমূহ আল্লাহরই। আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ আল্লাহ্ র ই এবং আল্লাহ্ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আল্লাহরই জন্য আসমানসমূহ ও যমীনের যাবতীয় সৈন্যবাহিনী; এবং আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।আল-বায়ান
আসমান ও যমীনের যাবতীয় বাহিনী আল্লাহর কর্তৃত্বের অধীন। আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী, মহা প্রজ্ঞাময়।তাইসিরুল
আর মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ আল্লাহর। আর আল্লাহ্ হচ্ছেন মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।মাওলানা জহুরুল হক
১৩
এ কথাটিকে এখানে আরেকটি উদ্দেশ্যে পুনরায় উল্লেখ করা হয়েছে। ৪ নম্বর আয়াতে কথাটি যে উদ্দেশ্যে বলা হয়েছিল তা হচ্ছে, কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আল্লাহ তা’আলা তাঁর অতি প্রাকৃতিক বাহিনীকে কাজে লাগানোর পরিবর্তে মু’মিনদের দ্বারাই তা করিয়েছেন। কারণ, তিনি মু’মিনদের পুরস্কৃত করতে চাচ্ছিলেন। আর এখানে এ বিষয়টিকে পুনরায় বর্ণনা করেছেন এ জন্য যে, আল্লাহ যাকে শাস্তি দিতে চান তার মূলোৎপাটনের জন্য তিনি নিজের সৈন্যবাহীনির মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারেন। কারো এ ক্ষমতা নেই যে, নিজের কৌশল ও বুদ্ধিমত্তার জোরে তাঁর শাস্তি এড়িয়ে যেতে পারে।
৭. আর আসমানসমূহ ও যমীনের বাহিনীসমূহ আল্লাহরই এবং আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী, হিকমতওয়ালা।
(৭) আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ আল্লাহরই এবং আল্লাহই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (1)
(1) এখানে মুনাফিক ও কাফেরদের আলোচনা প্রসঙ্গে উক্ত কথাটি পুনরায় ব্যক্ত করেছেন যে, মহান আল্লাহ তাঁর শত্রুদেরকে যে কোনভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম। এটা ভিন্ন কথা যে, তিনি তাঁর কৌশল ও ইচ্ছার ভিত্তিতে যতটা চান অবকাশ ও ঢিল দেন।