ওয়া মাল লা-ইউজিব দা-‘ইয়াল্লা-হি ফালাইছা বিমু‘জিঝিন ফিল আরদিওয়া লাইছা লাহূমিন দূ নিহীআওলিূআউ উলাইকা ফী দালা-লিমমুবীন।উচ্চারণ
আর যে ৩৬ আল্লাহর পক্ষ থেকে আহ্বানকারীর আহবানে সাড়া দেবে না সে না পৃথিবীতে এমন শক্তি রাখে যে আল্লাহকে নিরূপায় ও অক্ষম করে ফেলতে পারে, না তার এমন কোন সাহায্যকারী ও পৃষ্ঠপোষক আছে যে আল্লাহর হাত থেকে তাকে রক্ষা করতে পারে। এসব লোক সুস্পষ্ট গোমরাহীর মধ্যে ডুবে আছে। তাফহীমুল কুরআন
যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া দেবে না, সে পৃথিবীর কোথাও গিয়ে আল্লাহকে অক্ষম করতে পারবে না #%১৮%# এবং আল্লাহ ছাড়া সে কোনও রকমের অভিভাবকও পাবে না। এরূপ লোক সুস্পষ্ট পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত।মুফতী তাকী উসমানী
যদি কেহ আল্লাহর দিকে আহবানকারীর ডাকে সাড়া না দেয় তাহলে সে পৃথিবীতে আল্লাহর অভিপ্রায় ব্যর্থ করতে পারবেনা এবং আল্লাহ ছাড়া তাদের কোন সাহায্যকারী থাকবেনা। তারাতো সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে।মুজিবুর রহমান
আর যে ব্যক্তি আল্লাহর দিকে আহবানকারীর কথা মানবে না, সে পৃথিবীতে আল্লাহকে অপারক করতে পারবে না এবং আল্লাহ ব্যতীত তার কোন সাহায্যকারী থাকবে না। এ ধরনের লোকই প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
কেউ যদি আল্লাহ্ র দিকে আহ্বানকারীর প্রতি সাড়া না দেয় তবে সে পৃথিবীতে আল্লাহ্ র অভিপ্রায় ব্যর্থ করতে পারবে না এবং আল্লাহ্ ব্যতীত তাদের কোন সাহায্যকারী থাকবে না। এরাই সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যে আল্লাহর দিকে আহবানকারীর ডাকে সাড়া দেবে না সে যমীনে তাকে অপারগকারী নয়। আর আল্লাহ ছাড়া তার কোন অভিভাবক নেই। এরাই স্পষ্ট বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে।আল-বায়ান
আর যে আল্লাহর দিকে আহবানকারীর প্রতি সাড়া দিবে না, দুনিয়াতে সে আল্লাহকে ব্যর্থ করতে পারবে না, আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে নেই তার কোন সাহায্যকারী, পৃষ্ঠপোষক। তারা আছে সুস্পষ্ট গুমরাহীতে।তাইসিরুল
আর যে আল্লাহ্র আহবায়কের প্রতি সাড়া দেয় না, সে তবে পৃথিবীতে কিছুতেই এড়িয়ে যাবার পাত্র নয়, আর তাঁকে বাদ দিয়ে তার জন্য কোনো বন্ধুবান্ধবও থাকবে না। এরাই সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে।মাওলানা জহুরুল হক
৩৬
হতে পারে এই বাক্যাংশটি জিনদেরই উক্তির একটি অংশ। আবার এও হতে পারে যে, তাদের কথার সাথে আল্লাহর পক্ষ থেকে এটি যোগ করা হয়েছে। বক্তব্যের ধরন থেকে দ্বিতীয় মতটি অধিক যুক্তিযুক্ত বলে মনে হয়।
অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলার ইচ্ছাকে ব্যর্থ করতে পারবে না। তিনি যখন তাকে শাস্তি দিতে চাইবেন, তখন সে কোথাও পালিয়ে আত্মরক্ষা করতে পারবে না। -অনুবাদক
৩২. আর যে আল্লাহর দিকে আহ্বানকারীর প্রতি সাড়া না দেয় তবে সে যমীনে আল্লাহকে অপারগকারী নয়। আর আল্লাহ্ ছাড়া তার কোন অভিভাবক নেই। তারাই সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে।
(৩২) কেউ যদি আল্লাহর দিকে আহবানকারীর আহবানে সাড়া না দেয়, তাহলে সে পৃথিবীতে আল্লাহর অভিপ্রায় ব্যর্থ করতে পারবে না(1) এবং আল্লাহ ছাড়া তাদের কোন সাহায্যকারী থাকবে না।(2) তারাই সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে।’
(1) অর্থাৎ, এমন হতেই পারে না যে, সে সুবিশাল ও সুপ্রসারিত পৃথিবীর কোথাও এমনভাবে আত্মগোপন করে নেবে যে, আল্লাহর পাকড়াও থেকে বেঁচে যাবে।
(2) যে তাকে আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচিয়ে নেবে। অর্থাৎ, না সে নিজে আল্লাহর পাকড়াও থেকে বাঁচতে পারবে, আর না অন্য কারো সাহায্যে তা সম্ভব হবে।