ছানুলকীফী কুলূবিল্লাযীনা কাফারুর রু‘বা বিমাআশরকূবিল্লা-হি মা-লাম ইউনাঝঝিল বিহী ছুলতা-নাওঁ ওয়ামা’ওয়া-হুমুন্না-রু ওয়াবি’ছা মাছওয়াজ্জা-লিমীন।উচ্চারণ
শীঘ্রই সেই সময় এসে যাবে যখন আমি সত্য অস্বীকারকারীদের মনের মধ্যে বিভীষিকা সৃষ্টি করে দেবো। কারণ তারা আল্লাহর সাথে তাঁর খোদায়ী কর্তৃত্বে অংশীদার করে, যার স্বপক্ষে আল্লাহ কোন প্রমাণপত্র অবতীর্ণ করেননি। তাদের শেষ আবাস জাহান্নাম এবং ঐ জালেমদের ভাগ্যে জুটবে অত্যন্ত খারাপ আবাসস্থল। তাফহীমুল কুরআন
যারা কুফর অবলম্বন করেছে, আমি অচিরেই তাদের অন্তরে ভীতি সঞ্চার করব। #%৬৪%# কেননা তারা এমন সব জিনিসকে আল্লাহর শরীক সাব্যস্ত করেছে, যাদের সম্পর্কে আল্লাহ কোনও প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি। তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। আর তা জালিমদের নিকৃষ্টতম ঠিকানা।মুফতী তাকী উসমানী
যারা অবিশ্বাস করেছে, আমি সত্ত্বর তাদের অন্তরে ভীতি সঞ্চার করব, যেহেতু তারা আল্লাহর সাথে সেই বিষয়ে অংশী স্থাপন করেছে যদ্বিষয়ে তিনি কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি এবং জাহান্নাম তাদের অবস্থান স্থল এবং ওটা অত্যাচারীদের জন্য নিকৃষ্ট বাসস্থান!মুজিবুর রহমান
খুব শীঘ্রই আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করবো। কারণ, ওরা আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করে যে সম্পর্কে কোন সনদ অবতীর্ণ করা হয়নি। আর ওদের ঠিকানা হলো দোযখের আগুন। বস্তুতঃ জালেমদের ঠিকানা অত্যন্ত নিকৃষ্ট।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি কাফিরদের হৃদয়ে ভীতির সঞ্চার করব, যেহেতু তারা আল্লাহ্ র সঙ্গে শরীক করেছে, যার স্বপক্ষে আল্লাহ্ কোন সনদ পাঠান নাই। জাহান্নাম তাদের আবাস; কত নিকৃষ্ট আবাসস্থল জালিমদের! ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অচিরেই আমি কাফিরদের অন্তরসমূহে আতঙ্ক ঢেলে দেব। কারণ তারা আল্লাহর সাথে শরীক করেছে, যে সম্পর্কে আল্লাহ কোন প্রমাণ নাযিল করেননি। আর তাদের আশ্রয়স্থল হল আগুন এবং যালিমদের ঠিকানা কতই না নিকৃষ্ট!আল-বায়ান
অতিসত্বরই আমি কাফিরদের অন্তরে ভয় সঞ্চার করব, কারণ তারা আল্লাহর শরীক গ্রহণ করেছে যার স্বপক্ষে তিনি কোনও সনদ অবতীর্ণ করেননি, তাদের নিবাস হবে জাহান্নাম এবং যালিমদের নিবাস কতই না জঘন্য!তাইসিরুল
যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের হৃদয়ে আমরা অচিরেই ভীতি নিক্ষেপ করবো, কেননা তারা আল্লাহ্র সাথে শরীক করেছিল যার জন্য তিনি কোনো বিধান অবতারণ করেন নি, ফলে তাদের বাসস্থান হচ্ছে আগুন, আর অন্যায়কারীদের বাসস্থান মন্দ বটে!মাওলানা জহুরুল হক
সুতরাং উহুদের যুদ্ধ থেকে ফেরার পথে কুরায়শগণ ইচ্ছা করেছিল, তারা মদীনায় পুনরায় আক্রমণ করে মুসলিমদেরকে সমূলে বিনাশ করে দেবে। কিন্তু তাদের পক্ষে তা সম্ভব হয়নি। কেননা আল্লাহ তাআলা তাদের অন্তরে এমন ভীতি সঞ্চার করেন যে, তারা কালবিলম্ব না করে মক্কায় ফিরে যেতে বাধ্য হয়। -অনুবাদক
১৫১. অচিরেই আমরা কাফেরদের হৃদয়ে ভীতির সঞ্চার করব(১), যেহেতু তারা আল্লাহর সাথে শরীক করেছে, যার সপক্ষে আল্লাহ কোন সনদ পাঠাননি। আর জাহান্নাম তাদের আবাস এবং কত নিকৃষ্ট আবাস যালেমদের।
(১) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আমাকে একমাসে অতিক্রম করার মত রাস্তার দূরত্ব থেকে কাফেরদের মনে ভয় ঢুকিয়ে সাহায্য করা হয়েছে।” (বুখারীঃ ৩৩৫, মুসলিমঃ ৫২১, ৫২৩)
(১৫১) যারা অবিশ্বাস করে, তাদের হৃদয়ে আমি ভীতির সঞ্চার করব, যেহেতু তারা আল্লাহর সাথে অংশী স্থাপন করেছে; যার স্বপক্ষে আল্লাহ কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি। (1) জাহান্নাম হবে তাদের নিবাস। আর অনাচারীদের আবাসস্থল অতি নিকৃষ্ট!
(1) মুসলিমদের পরাজয় দেখে কোন কোন কাফেরের অন্তরে এই খেয়াল জন্মালো যে, মুসলিমদেরকে একেবারে নিঃশেষ করে দেওয়ার এটা অতি উত্তম সুযোগ। ঠিক এই মুহূর্তে মহান আল্লাহ তাদের অন্তরে মুসলিমদের ভয় ঢুকিয়ে দিলেন। ফলে তারা নিজেদের পরিকল্পনাকে বাস্তব রূপ দেওয়ার সাহস করতে পারেনি। (ফাতহুল ক্বাদীর) বুখারী ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, ‘‘আমাকে পাঁচটি এমন জিনিস দেওয়া হয়েছে, যা আমার পূর্বে কোন নবীকে দেওয়া হয়নি। তার মধ্যে একটি হল, এক মাসের দূরত্বে অবস্থিত শত্রুর অন্তরে আমার ত্রাস (ভয়) ঢুকিয়ে দিয়ে আমার সাহায্য করা হয়েছে।’’ এই হাদীস দ্বারা জানা যায় যে, রসূল (সাঃ)-এর ভয় স্থায়ীভাবে শত্রুর অন্তরে ভরে দেওয়া হয়েছিল। আর এই আয়াত দ্বারা জানা যায় যে, রসূল (সাঃ)-এর সাথে তাঁর উম্মত অর্থাৎ, মুসলিমদের ভয়ও মুশরিকদের অন্তরে ভরে দেওয়া হয়েছে এবং তার কারণ হল, তাদের শিরক। অর্থাৎ, শিরককারীদের অন্তর সব সময় অন্যের ত্রাস ও ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত থাকে। আর সম্ভবতঃ এই কারণেই মুসলিমদের এক বিরাট সংখ্যা শিরকী আকীদা ও আমলে জড়িয়ে পড়ার ফলে শত্রুরা তাদেরকে ভয় করে না, বরং তারাই শত্রুদের ভয় ও ত্রাসে ভীত-সন্ত্রস্ত।