فَذَرۡهُمۡ يَخُوضُواْ وَيَلۡعَبُواْ حَتَّىٰ يُلَٰقُواْ يَوۡمَهُمُ ٱلَّذِي يُوعَدُونَ

ফাযারহুম ইয়াখূদূওয়া ইয়াল‘আবূহাত্তা-ইউলা-কূইয়াওমা হুমুল্লাযী ইঊ‘আদূন।উচ্চারণ

ঠিক আছে, যে দিনের ভয় তাদের দেখানো হচ্ছে সেই দিন না দেখা পর্যন্ত তাদেরকে বাতিল ধ্যান-ধারণার মধ্যে ডুবে এবং নিজেদের খেলায় মেতে থাকতে দাও।” তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং (হে রাসূল!) তাদেরকে আপন অবস্থায় ছেড়ে দাও, তারা ওই সব কথায় মেতে থাকুক ও হাসি-তামাশা করতে থাকুক, যতক্ষণ না তারা সেই দিনের সম্মুখীন হয়, যে দিনের প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে।মুফতী তাকী উসমানী

অতএব তাদেরকে যে দিনের কথা বলা হয়েছে তার সম্মুখীন হবার পূর্ব পর্যন্ত বাক-বিতন্ডা ও ক্রীড়া-কৌতুক করতে দাও।মুজিবুর রহমান

অতএব, তাদেরকে বাকচাতুরী ও ক্রীড়া-কৌতুক করতে দিন সেই দিবসের সাক্ষাত পর্যন্ত, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

অতএব এদেরকে যে দিবসের কথা বলা হয়েছে তার সম্মুখীন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তুমি এদেরকে বাক-বিতণ্ডা ও ক্রীড়া-কৌতুক করতে দাও। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা মগ্ন থাকুক বেহুদা কথায় আর খেল-তামাশায় মত্ত থাকুক যতক্ষণ না সেদিনের সাথে তারা সাক্ষাৎ করে যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে।আল-বায়ান

কাজেই তাদেরকে বাক-চতুরতা ও ক্রীড়া-কৌতুক করতে দাও সে দিনের সাক্ষাৎ পর্যন্ত যে দিনের ও‘য়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছে।তাইসিরুল

সুতরাং তাদের ছেড়ে দাও আঁকুপাঁকু করতে ও ছেলেখেলা খেলতে যে পর্যন্ত না তারা তাদের দিনের মুখোমুখি হয় যেটি সন্বন্ধে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৮৩. অতএব আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন তারা মগ্ন থাকুক বেহুদা কথায় এবং মত্ত থাকুক খেল-তামাশায় যে দিনের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তার সম্মুখীন হওয়ার আগ পর্যন্ত।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৮৩) অতএব ওদেরকে যে দিনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে(1) তার সম্মুখীন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ওদেরকে সমালোচনা ও খেল-তামাশা করতে দাও। (2)

(1) অর্থাৎ, এখন যদি ওরা হিদায়াতের পথ অবলম্বন না করে, তবে তুমি তাদেরকে নিজ অবস্থাতেই ছেড়ে দাও এবং দুনিয়ার খেলা-ধূলায় মেতে থাকতে দাও। এটা হল ধমক ও হুঁশিয়ারি।

(2) তাদের চোখ সেই দিনই খুলবে, যেদিন তাদের এই আচরণের পরিণাম তাদের সামনে এসে উপস্থিত হয়ে যাবে।