ওয়াক-লূইয়াআইয়ুহাছছা-হিরুদ‘উলানা-রব্বাকা বিমা-‘আহিদা ‘ইনদাকা ইন্নানালামুহতাদূ ন।উচ্চারণ
প্রত্যেক আযাবের সময় তারা বলতো, হে যাদুকর! তোমার রবের পক্ষ থেকে তুমি যে পদমর্যাদা লাভ করেছো তার ভিত্তিতে আমাদের জন্য তাঁর কাছে দোয়া করো। আমরা অবশ্যই সঠিক পথে এসে যাবো। তাফহীমুল কুরআন
তারা বলতে লাগল, হে যাদুকর! তোমার প্রতিপালক তোমাকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তার অছিলা দিয়ে তাঁর কাছে আমাদের জন্য দুআ কর। নিশ্চয়ই আমরা সুপথে চলে আসব।মুফতী তাকী উসমানী
তারা বলেছিলঃ হে যাদুকর! তোমার রবের নিকট তুমি আমাদের জন্য তা প্রার্থনা কর যা তিনি তোমার সাথে অংগীকার করেছেন; তাহলে আমরা অবশ্যই সৎ পথ অবলম্বন করব।মুজিবুর রহমান
তারা বলল, হে যাদুকর, তুমি আমাদের জন্যে তোমার পালনকর্তার কাছে সে বিষয় প্রার্থনা কর, যার ওয়াদা তিনি তোমাকে দিয়েছেন; আমরা অবশ্যই সৎপথ অবলম্বন করব।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা বলেছিল, হে জাদুকর! তোমার প্রতিপালকের নিকট তুমি আমাদের জন্যে তা প্রার্থনা কর যা তিনি তোমার সঙ্গে অঙ্গীকার করেছেন, তা হলে আমরা অবশ্যই সৎপথ অবলম্বন করব।’ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তারা বলল, ‘হে যাদুকর, তোমার রবের কাছে তুমি আমাদের জন্য তাই প্রার্থনা কর, যার ওয়াদা তিনি তোমার সাথে করেছেন। নিশ্চয় আমরা হিদায়াতের পথে আসব।’আল-বায়ান
(শাস্তিতে আক্রান্ত হয়ে) তারা বলেছিল- ওহে যাদুকর! তুমি আমাদের জন্য তোমার প্রতিপালকের কাছে তা চাও যার ও‘য়াদা তিনি তোমার কাছে করেছেন। আমরা অবশ্যই সৎপথে চলব।তাইসিরুল
আর তারা বলেছিল -- "ওহে জাদুকর! তোমার প্রভুকে আমাদের জন্য ডাকো যেমন তিনি তোমার কাছে অংগীকার করেছিলেন, আমরা অবশ্যই তখন সৎপথাবলন্বী হব।"মাওলানা জহুরুল হক
৪৯. আর তারা বলেছিল, হে জাদুকর! তোমার রবের কাছে তুমি আমাদের জন্য তা প্রার্থনা কর যা তিনি তোমার সাথে অঙ্গীকার করেছেন, নিশ্চয়ই আমরা সৎপথ অবলম্বন করব।
(৪৯) ওরা বলেছিল, ‘হে যাদুকর!(1) তোমার প্রতিপালক(2) তোমার প্রতি যে অঙ্গীকার করেছেন(3) তুমি তাঁর নিকট আমাদের জন্য তা প্রার্থনা কর; (অঙ্গীকার পূর্ণ করলে) আমরা অবশ্যই সৎপথ অবলম্বন করব।’ (4)
(1) বলা হয় যে, সে যুগে যাদু কোন নিন্দনীয় জিনিস ছিল না। বড় জ্ঞানীদেরকে সম্মানার্থে ‘যাদুকর’ বলে সম্বোধন করা হত। এ ছাড়া সমস্ত মু’জিযা এবং নিদর্শনের ব্যাপারে তাদের ধারণা ছিল যে, এ সব হল মূসা (আঃ)-এর যাদুর ভেলকি। তাই তারা তাঁকে ‘যাদুকর’ বলে সম্বোধন করল।
(2) ‘‘তোমার প্রতিপালক’’ এ কথা তারা তাদের শিরকীয় ধারণার ভিত্তিতে বলেছিল। কারণ, মুশরিকদের বিভিন্ন প্রতিপালক ও উপাস্য হত। অর্থাৎ, ওহে মূসা! তোমার প্রতিপালক দ্বারা এ কাজ করিয়ে নাও!
(3) অর্থাৎ, আমরা ঈমান আনলে আযাব প্রত্যাহার করার অঙ্গীকার।
(4) যদি এ আযাব প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়, তবে আমরা তোমাকে সত্য রসূল বলে মেনে নেব এবং তোমার প্রতিপালকেরই ইবাদত করব। কিন্তু প্রত্যেকবার তারা নিজেদের অঙ্গীকার ভঙ্গ করত। যেমন, পরের আয়াতে এসেছে এবং সূরা আ’রাফেও এ কথা উল্লিখিত হয়েছে।