ওয়াছআল মান আরছালনা-মিন কাবলিকা মিররুছুলিনাআজা‘আলনা-মিন দূনিররহমা-নি আ-লিহাতাইঁ ইউ‘বাদূন।উচ্চারণ
তোমার পূর্বে আমি যত রসূল পাঠিয়েছিলাম তাঁদের সবাইকে জিজ্ঞেস করে দেখো, আমি উপাসনার জন্য রহমান খোদা ছাড়া আর কোন উপাস্য নির্দিষ্ট করেছিলাম কিনা? ৪০ তাফহীমুল কুরআন
তোমার আগে আমি যে রাসূলগণকে পাঠিয়েছি, তাদেরকে জিজ্ঞেস কর, #%১৭%# আমি কি দয়াময় আল্লাহ ছাড়া আরও কোন মাবুদ স্থির করেছিলাম, যাদের ইবাদত করা যায়?মুফতী তাকী উসমানী
তোমার পূর্বে আমি যে সব রাসূল প্রেরণ করেছিলাম তাদেরকে তুমি জিজ্ঞেস কর, আমি কি দয়াময় আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য স্থির করেছিলাম যার ইবাদাত করা যায়?মুজিবুর রহমান
আপনার পূর্বে আমি যেসব রসূল প্রেরণ করেছি, তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, দয়াময় আল্লাহ ব্যতীত আমি কি কোন উপাস্য স্থির করেছিলাম এবাদতের জন্যে?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তোমার পূর্বে আমি যে সকল রাসূল প্রেরণ করেছিলাম তাদেরকে তুমি জিজ্ঞাসা কর, আমি কি দয়াময় আল্লাহ্ ব্যতীত কোন দেবতা স্থির করেছিলাম যার ‘ইবাদত করা যায় ?ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তোমার পূর্বে আমি রাসূলগণ থেকে যাদের প্রেরণ করেছিলাম তুমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে দেখ, আমি কি রহমানের পরিবর্তে অন্য কোন উপাস্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম, যাদের ইবাদাত করা যাবে?আল-বায়ান
আমি তোমার পূর্বে যে সব রসূল পাঠিয়েছিলাম তাদেরকে জিজ্ঞেস কর (অর্থাৎ তাদের কিতাব দেখ ও তাদের সত্যিকার অনুসারীদের নিকট যাচাই কর) আমি কি দয়াময় আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ স্থির করেছিলাম যাদের ‘ইবাদাত করতে হবে?তাইসিরুল
আর তোমার আগে আমাদের রসূলদের মধ্যের যাঁদের আমরা পাঠিয়েছিলাম তাঁদের জিজ্ঞেস করো -- আমরা কি পরম করুণাময়কে বাদ দিয়ে উপাসনার জন্য উপাস্যদের দাঁড় করিয়েছিলাম?মাওলানা জহুরুল হক
৪০
রসূলদের জিজ্ঞেস করার অর্থ তাদের আনীত কিতাবসমূহ থেকে জেনে নেয়া। যেমনفَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ আয়াতাংশের অর্থ “যদি কোন ব্যাপারে তোমাদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয় তাহলে তা আল্লাহ ও রসূলের কাছে নিয়ে যাও নয়, বরং তার অর্থ হচ্ছে, সে ব্যাপারে আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রসূলের সুন্নাতের স্মরণাপন্ন হও। অনুরূপ রসূলদেরকে জিজ্ঞেস করার অর্থ, যে রসূলগণ দুনিয়া থেকে চলে গিয়েছেন তাদের সবার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করো নয়, বরং এর সঠিক তাৎপর্য হলো আল্লাহর রসূলগণ পৃথিবীতে যেসব শিক্ষা রেখে গিয়েছেন তার মধ্যে অনুসন্ধান করে দেখো, মহান আল্লাহ ছাড়া আরো কেউ উপাসনা লাভের যোগ্য তা কেউ শিখিয়েছিলেন কিনা।
অর্থাৎ তোমার পূর্ববর্তী নবীগণের উপর যে কিতাব নাযিল হয়েছিল, তা দেখে নাও যে, তাদেরকে কী শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল? (নিঃসন্দেহে তোমার মত তাদেরকেও তাওহীদেরই শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল। কোন নবীর শিক্ষায় শিরকের কোন স্থান নেই। -অনুবাদক)
৪৫. আর আপনার পূর্বে আমরা আমাদের রাসূলগণ থেকে যাদেরকে প্রেরণ করেছিলাম তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, আমরা কি রহমান ছাড়া ইবাদাত করা যায় এমন কোন ইলাহ স্থির করেছিলাম?(১)
(১) এখানে প্রশ্ন হয় যে, পূর্ববর্তী নবী-রাসূলগণ তো মারা গেছেন। তাদেরকে জিজ্ঞেস করার আদেশ কিরূপে দেয়া হল? অধিকাংশ তফসীরবিদের মতে আয়াতের অর্থ এই যে, নবী-রাসূলগণের অনুসারীদের জিজ্ঞেস করুন। কোন কোন বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ইসরা ও মি'রাজের রাত্রে নবী-রাসূলদেরকে এ প্রশ্ন করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। (বাগভী, ফাতহুল কাদীর)
(৪৫) তোমার পূর্বে আমি যে সব রসূল প্রেরণ করেছিলাম, তাদেরকে তুমি জিজ্ঞাসা কর,(1) পরম দয়াময় কি তিনি ব্যতীত ওদের জন্য কোন দেবতা স্থির করেছিলেন, যার উপাসনা করা হত?(2)
(1) নবীদেরকে এ প্রশ্ন হয়তো ইসরা ও মি’রাজের সময় বায়তুল মুক্বাদ্দাসে অথবা আসমানে করা হয়েছিল, যেখানে সমস্ত নবীদের সাথে রসূল (সাঃ)-এর সাক্ষাৎ হয়েছিল। অথবা এখানে أَتْبَاعَ শব্দ ঊহ্য আছে। অর্থাৎ, তাঁদের অনুসারীদের (ইয়াহুদী ও খ্রীষ্টানদের)-কে জিজ্ঞাসা কর। কেননা, তারা তাঁদের যাবতীয় শিক্ষা সম্পর্কে অবগত আছে এবং তাঁদের উপর অবতীর্ণকৃত কিতাবগুলোও তাদের কাছে বিদ্যমান।
(2) উত্তর অবশ্যই নেতিবাচক হবে। আল্লাহ কোন নবীকেই এই নির্দেশ দেননি। বরং এর বিপরীত প্রত্যেক নবীকে তাওহীদের প্রতি আহবান করারই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।