আও নুরিইয়ান্নাকাল্লাযী ওয়া ‘আদনা-হুম ফাইন্না ‘আলাইহিম মুকতাদিরূন।উচ্চারণ
এদের বিরুদ্ধে আমি পূর্ণ ক্ষমতা রাখি। ৩৭ তাফহীমুল কুরআন
কিংবা তোমাকেও তা (অর্থাৎ সেই শাস্তি) দেখিয়ে দেব, যার ওয়াদা আমি তাদের সাথে করেছি। তাদের উপর তো আমার (দু’টির যে-কোনটি করার) পূর্ণ ক্ষমতা আছে।মুফতী তাকী উসমানী
অথবা আমি তাদেরকে যে শাস্তির ভীতি প্রদর্শন করেছি যদি আমি তোমাকে তা প্রত্যক্ষ করাই তাহলে তাদের উপর আমার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে।মুজিবুর রহমান
অথবা যদি আমি তাদেরকে যে আযাবের ওয়াদা দিয়েছি, তা আপনাকে দেখিয়ে দেই, তবু তাদের উপর আমার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
অথবা আমি এদেরকে যে শাস্তির ভীতি প্রদর্শন করেছি, আমি তোমাকে তা প্রত্যক্ষ করাই, বস্তুত এদের ওপর আমার তো পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অথবা আমি তাদের যে শাস্তির ওয়াদা দিয়েছি তা যদি তোমাকে প্রত্যক্ষ করাই, তবে নিশ্চয় আমি তাদের উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান থাকব।আল-বায়ান
অথবা আমি তাদেরকে যে ‘আযাবের ও‘য়াদা দিয়েছি তা যদি তোমাকে দেখিয়ে দেই (আমার পক্ষে সবই সম্ভব), কারণ তাদের উপর আমার পূর্ণ ক্ষমতা আছে।তাইসিরুল
অথবা আমরা নিশ্চয় তোমাকে দেখিয়ে দেব যা আমরা তাদের ওয়াদা করেছিলাম, কেননা আমরা আলবৎ তাদের উপরে ক্ষমতাবান।মাওলানা জহুরুল হক
৩৭
যে পরিস্থিতিতে একথা বলা হয়েছে তা সামনে রাখলেই এ কথার তাৎপর্য ভালভাবে উপলব্ধি করা যেতে পারে। মক্কার কাফেররা মনে করছিলো, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যক্তি সত্তাই তাদের জন্য বিপদ হয়ে আছে। মাঝ পথ থেকে এই কাঁটা সরিয়ে দিতে পারলেই তাদের সব কিছু সুন্দর ও ঠিকঠাক হয়ে যাবে। এই ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে কোন না কোনভাবে তাঁকে হত্যা করার জন্য তারা রাত দিন বসে বসে পরামর্শ করতো। এতে আল্লাহ তাদের দিক থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে তাঁর নবীকে উদ্দেশ্য করে বলছেনঃ তোমার বর্তমান থাকা না থাকা কিছুই আসে যায় না। তুমি বেঁচে থাকলে তোমার চোখের সামনেই তাদের দুর্ভাগ্য নেমে আসবে। আর যদি তোমাকে উঠিয়ে নেয়া হয় তাহলে তোমার বিদায়ের পরে তাদের দফারফা হবে। অশুভ কর্মফল এখন তাদের ভাগ্যের লিখন হয়ে গিয়েছে। এর হাত থেকে তাদের পক্ষে রক্ষা পাওয়া আর সম্ভব নয়।
৪২. অথবা আমরা তাদেরকে যে শাস্তির ওয়াদা দিয়েছি, আপনাকে আমরা তা দেখাই, তবে নিশ্চয় তাদের উপর আমরা পূর্ণ ক্ষমতাবান।
(৪২) অথবা আমি ওদেরকে যে (শাস্তির) অঙ্গীকার করেছি, তোমাকে তা দেখিয়ে দেব।(1) নিশ্চয় ওদের ওপর আমার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে।(2)
(1) অর্থাৎ, তোমার মৃত্যুর পূর্বেই অথবা মক্কাতেই তোমার বিদ্যমান থাকা অবস্থায় তাদের উপর আযাব প্রেরণ করে।
(2) অর্থাৎ, আমার যখন ইচ্ছা তাদের উপর আযাব প্রেরণ করতে পারি। কারণ, আমি তাদের উপর শক্তিশালী। সুতরাং রসূল (সাঃ)-এর জীবদ্দশায় বদরের যুদ্ধে কাফেররা শিক্ষামূলক পরাজয় এবং লাঞ্ছনার শিকার হয়।