ওয়া লিবুইউতিহিম আবওয়া-বাওঁ ওয়া ছুরুরন ‘আলাইহা-ইয়াত্তাকিঊন।উচ্চারণ
যে সিঁড়ি দিয়ে তারা তাদের বালাখানায় ওঠে সেই সিঁড়ি, দরজাসমূহ এবং যে সিংহাসনের ওপর তারা বালিশে হেলান দিয়ে বসে তা সবই রৌপ্য এবং স্বর্ণের বানিয়ে দিতাম। ৩৩ তাফহীমুল কুরআন
আর তাদের ঘরের দরজাগুলি এবং সেই পালঙ্কগুলিও, যাতে তারা হেলান দিয়ে বসে।মুফতী তাকী উসমানী
এবং তাদের গৃহের জন্য দিতাম রৌপ্য নির্মিত দরজা, বিশ্রামের জন্য পালঙ্ক যাতে তারা হেলান দিয়ে বসত।মুজিবুর রহমান
এবং তাদের গৃহের জন্যে দরজা দিতাম এবং পালংক দিতাম যাতে তারা হেলান দিয়ে বসত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং এদের গৃহের জন্যে দরজা ও পালঙ্ক-যাতে এরা হেলান দিয়ে বিশ্রাম করতে পারে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তাদের গৃহসমূহের জন্য দরজা ও পালঙ্ক, যাতে তারা হেলান দেয়।আল-বায়ান
আর তাদের গৃহের জন্য দিতাম দরজা ও পালঙ্ক যাতে তারা হেলান দিয়ে বসত।তাইসিরুল
আর তাদের ঘরবাড়ির জন্য দরজাগুলো ও পালংক যার উপরে তারা শয়ন করে,মাওলানা জহুরুল হক
৩৩
অর্থাৎ এই সোনা রূপা যা কারো লাভ করা তোমাদের দৃষ্টিতে চরম নিয়ামত প্রাপ্তি এবং সম্মান ও মর্যাদার চরম শিখরে আরোহণ, তা আল্লাহর দৃষ্টিতে এতই নগণ্য যে, যদি সমস্ত মানুষের কুফরীর প্রতি ঝুঁকে পড়ার আশঙ্কা না থাকতো তাহলে তিনি প্রত্যেক কাফেরের বাড়িঘর সোনা ও রূপা দিয়ে তৈরী করে দিতেন। এই নিকৃষ্ট বস্তুটি কখন থেকে মানুষের মর্যাদা ও আত্মার পবিত্রতার প্রমাণ হয়ে দাঁড়িয়েছে? এই সম্পদ তো এমন সব মানুষের কাছেও আছে যাদের ঘৃণ্য কাজ-কর্মের পংকিলতায় গোটা সমাজ পূতিগন্ধময় হয়ে যায়। আর একেই তোমরা মানুষের শ্রেষ্টত্বের মানদণ্ড বানিয়ে রেখেছো।
৩৪. এবং তাদের ঘরের জন্য দরজা ও পালংক—যাতে তারা হেলান দেয়,
(৩৪) দিতেন তাদের গৃহের জন্য রৌপ্যনির্মিত দরজা, বিশ্রামের জন্য পালঙ্ক,