আম আ-তাইনা-হুম কিতা-বাম মিন কাবলিহী ফাহুম বিহী মুছতামছিকূন।উচ্চারণ
আমি কি এর আগে এদেরকে কোন কিতাব দিয়েছিলাম (নিজেদের এই ফেরেশতা পূজার সপক্ষে) এরা যার সনদ নিজেদের কাছে সংরক্ষন করছে? ২১ তাফহীমুল কুরআন
আমি কি এর আগে তাদেরকে কোন কিতাব দিয়েছিলাম, যা তারা আঁকড়ে ধরে আছে? মুফতী তাকী উসমানী
আমি কি তাদেরকে কুরআনের পূর্বে কোন কিতাব দান করেছি, যা তারা দৃঢ়ভাবে ধারণ করে আছে?মুজিবুর রহমান
আমি কি তাদেরকে কোরআনের পূর্বে কোন কিতাব দিয়েছি, অতঃপর তারা তাকে আঁকড়ে রেখেছে?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি কি এদেরকে কুরআনের পূর্বে কোন কিতাব দান করেছি যা এরা দৃঢ়ভাবে ধারণ করে আছে ? ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি কি তাদেরকে কুরআনের পূর্বে কোন কিতাব দিয়েছি, অতঃপর তারা তা দৃঢ়ভাবে ধারণ করে আছে?আল-বায়ান
আমি কি তাদেরকে এর (অর্থাৎ কুরআনের) আগে কোন কিতাব দিয়েছি অতঃপর তারা তা অাঁকড়ে ধরে আছে?তাইসিরুল
অথবা তাদের কি এর আগে আমরা কোনো গ্রন্থ দিয়েছি, ফলে তারা তাতে আকঁড়ে রয়েছে?মাওলানা জহুরুল হক
২১
অর্থাৎ নিজেদের অজ্ঞতার কারণে এসব লোক মনে করে পৃথিবীতে যা হচ্ছে তা যেহেতু আল্লাহর অনুমোদনের অধীনে হচ্ছে, তাই এতে আল্লাহর সম্মতি বা স্বীকৃতি আছে। অথচ এ ধরনের যুক্তি যদি সঠিক হয় তাহলে পৃথিবীতে তো শুধু শিরকই হচ্ছে না, চুরি, ডাকাতি, খুন, ব্যভিচার, ঘুষ, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং এ ধরনের আরো অসংখ্য অপরাধও সংঘটিত হচ্ছে যেগুলোকে কোন ব্যক্তি নেকী ও কল্যাণ মনে করে না। তাছাড়া এ ধরনের যুক্তি প্রমাণের ভিত্তিতে কি একথাও বলা যাবে যে, এ কাজ সবই হালাল ও পবিত্র। কারণ, আল্লাহ তাঁর পৃথিবীতে এসব কাজ হতে দিচ্ছেন। আর তিনি যখন এসব হতে দিচ্ছেন তখন অবশ্যই তিনি এসব পছন্দ করেন? পৃথিবীতে যেসব ঘটনা ঘটছে সেগুলো আল্লাহর পছন্দ-অপছন্দ জানার মাধ্যম নয়। বরং এ মাধ্যম হচ্ছে আল্লাহর কিতাব, যা তাঁর রসূলের মাধ্যমে আসে। আল্লাহ কোন্ ধরনের আকীদা-বিশ্বাস, কাজকর্ম ও চরিত্র পছন্দ করেন এবং কোন্ ধরনের পছন্দ করেন না তা এই কিতাবে তিনি নিজেই বলে দিয়েছেন। অতএব, এসব লোকের কাছে কুরআনের পূর্বে আগত এমন কোন কিতাব যদি বর্তমান থাকে যেখানে আল্লাহ বলেছেন, আমার সাথে ফেরেশতারাও তোমাদের উপাস্য, তাদের ইবাদাত করাও তোমাদের উচিত, তাহলে এরা তার প্রমাণ দিক। (আরো ব্যাখ্যার জন্য দেখুন, তাফহীমুল কুরআন, সূরা আল আন’আম, টীকা ৭১, ৭৯, ৮০, ১১০, ১২২, ১২৫; আল আ’রাফ, টীকা ১৬; ইউনুস টীকা ১০১; হূদ, টীকা ১১৬; আর রা’দ টীকা ৪৫; আন নাহাল, টীকা ১০, ৩১, ৯৪; আয যুমার, টীকা ২০; আশ শূরা, টীকা ১১)।
আল্লাহ তাআলা সম্পর্কে কোন আকীদা-বিশ্বাস পোষণের ভিত্তি হতে পারে দুটি (এক) বিষয়টি এমন সুস্পষ্ট ও সর্বজন বোধগম্য হওয়া যে, বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তি মাত্রই তার বাস্তবতা স্বীকার করতে বাধ্য থাকে; (দুই) বিষয়টি সম্পর্কে স্বয়ং আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে কোন আসমানী কিতাবের মাধ্যমে সুস্পষ্ট বিবৃতি থাকা। মুশরিকরা যেসব আকীদা-বিশ্বাস পোষণ করত, তার এ রকম কোন ভিত্তি ছিল না। বরং তা ছিল সম্পূর্ণ যুক্তি-বিরুদ্ধ। তাদের কোন আসমানী কিতাবও ছিল না, যার ভেতর সেসব আকীদার বিবরণ থাকবে।
২১. নাকি আমরা তাদেরকে কুরআনের আগে কোন কিতাব দিয়েছি। অতঃপর তারা তা দৃঢ়ভাবে ধারণ করে আছে?
(২১) আমি কি ওদেরকে এ (কুরআনের) পূর্বে কোন গ্রন্থ দান করেছি যা ওরা দৃঢ়ভাবে ধারণ করে আছে? (1)
(1) অর্থাৎ, কুরআনের পূর্বে কোন কিতাব বা গ্রন্থ, যাতে এদেরকে গায়রুল্লাহর ইবাদত করার এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে এবং যেটাকে ওরা শক্ত করে ধরে আছে? অর্থাৎ, ব্যাপার এ রকম নয়, বরং তাদের কাছে পূর্বপুরুষদের অন্ধ অনুকরণ ব্যতীত কোন দলীল নেই।