ইছতাজীবূলিরব্বিকুম মিন কাবলি আইঁ ইয়া’তিয়া ইয়াওমুল্লা-মারদ্দা লাহূমিনাল্লা-হি মালাকুম মিম মালজায়িইঁ ইয়াওমায়িযিওঁ ওয়ামা-লাকুম মিন নাকীর।উচ্চারণ
তোমরা তোমাদের রবের কথায় সাড়া দাও ----সেই দিনটি আসার আগেই আল্লাহর পক্ষ থেকে যাকে ফিরিয়ে দেয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। ৭২ সেই দিন তোমাদের জন্য কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তোমাদের অবস্থা পরিবর্তনের জন্য চেষ্টাকারীও কেউ থাকবে না। ৭৩ তাফহীমুল কুরআন
(হে মানুষ!) তোমাদের প্রতিপালকের ডাকে সাড়া দাও সেই দিন আসার আগেই, যা আল্লাহর পক্ষ থেকে রদ করা যাবে না। #%১২%# সে দিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তোমাদের কোন আপত্তিরও সুযোগ থাকবে না। #%১৩%#মুফতী তাকী উসমানী
তোমরা তোমাদের রবের আহবানে সাড়া দাও সেই দিন আসার পূর্বে যা আল্লাহর বিধানে অপ্রতিরোদ্ধ, ‘যেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবেনা, আর না (তোমাদের পাপ) অস্বীকার করার সুযোগ থাকবে।’মুজিবুর রহমান
আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে অবশ্যম্ভাবী দিবস আসার পূর্বে তোমরা তোমাদের পালনকর্তার আদেশ মান্য কর। সেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তা নিরোধকারী কেউ থাকবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তোমাদের প্রতিপালকের আহ্বানে সাড়া দাও আল্লাহ্ র পক্ষ হতে সেই দিবস আসার পূর্বে, যা অপ্রতিরোধ্য; যেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তোমাদের জন্যে তা নিরোধ করার কেউ থাকবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমরা তোমাদের রবের ডাকে সাড়া দাও, আল্লাহর পক্ষ থেকে সেদিন আসার পূর্বের্ই, যাকে ফিরিয়ে দেয়ার কোনো উপায় নেই। সেদিন তোমাদের জন্য কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তোমাদের জন্য প্রতিরোধকারীও থাকবে না।আল-বায়ান
তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কথায় সাড়া দাও সেই দিন আসার পূর্বে আল্লাহ (’র হুকুমে যা সংঘটিত হওয়া) থেকে ফিরিয়ে রাখার কেউ নেই। সেদিন তোমাদের জন্য আশ্রয়স্থল থাকবে না, থাকবে না তোমাদের জন্য কোন প্রতিরোধকারী।তাইসিরুল
তোমাদের প্রভুর প্রতি সাড়া দাও সেইদিন আসার আগে যাকে আল্লাহ্র কাছ থেকে ফেরানো যাবে না। তোমাদের জন্য সেইদিন কোনো আশ্রয়স্থল থাকবে না, আর তোমাদের জন্য রইবে না কোনো ধরনের অস্বীকারকরণ।মাওলানা জহুরুল হক
৭২
অর্থাৎ না আল্লাহ নিজে তা ফিরাবেন আর না অন্য কারো তা ফিরানোর ক্ষমতা আছে।
৭৩
মূল আয়াতাংশ হচ্ছেوَمَا لَكُمْ مِنْ نَكِيرٍ এই আয়াতাংশের আরো কয়েকটি অর্থ আছে। এক---তোমরা নিজেদের কৃতকর্মের কোনটিকেই অস্বীকার করতে পারবে না। দুই---তোমরা পোশাক বদল করে কোথাও লুকাতে পারবে না। তিন---তোমাদের সাথে যে আচরণই করা হোক না কেন তোমরা তার কোন প্রতিবাদ এবং তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার অসন্তোষ প্রকাশ করতে পারবে না। চার---তোমাদেরকে যে পরিস্থিতির মধ্যে নিক্ষেপ করা হয়েছে তোমরা তা পাল্টিয়ে ফেলতে পারবে না।
অর্থাৎ একবার যখন আল্লাহ তাআলা সেদিনটি সংঘটিত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন, তারপর আর তাঁর পক্ষ হতে তা রদ করা হবে না, তা হয়ে যাবে তার অটল ফয়সালা। অথবা مِنَ اللّٰهِ এর সম্পর্ক يَأْتِىْ এর সাথে’, অর্থ হবে ‘আল্লাহর পক্ষ হতে সেই দিন আসার আগেই, যা রদ করা হবে না (-অনুবাদক, আল-কাশশাফ অবলম্বনে)।
৪৭. তোমরা তোমাদের রবের ডাকে সাড়া দাও আল্লাহর পক্ষ থেকে সে দিন আসার আগে, যা অপ্রতিরোধ্য; যেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তোমাদের কোন অস্বীকার থাকবে না।(১)
(১) আয়াতের শেষে (مِنْ نَكِيرٍ) বলে কি বোঝানো হয়েছে এ ব্যাপারে কয়েকটি অভিমত বর্ণিত হয়েছে। এক, সেদিন কেউ তার অপরাধ অস্বীকার করতে পারবে না। (জালালাইন) দুই, সে দিন কেউ কোনভাবেই আত্মগোপন করতে পারবে না। (ইবন কাসীর; মুয়াসসার) তিন. সেদিন তার জন্য কোন সাহায্যকারী থাকবে না। (তাবারী; সা’দী)
(৪৭) আল্লাহর নির্ধারিত সেই দিন আসার পূর্বে তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের আহবানে সাড়া দাও, যা রদ্দ হবার নয়।(1) সেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং লুকিয়ে নিখোঁজ হওয়ার স্থানও না। (2)
(1) অর্থাৎ, যাকে রোধ করার এবং রদ্দ করার শক্তি কারো নেই।
(2) অর্থাৎ, তোমাদের জন্য কোন এমন স্থান হবে না, যেখানে তোমরা লুকিয়ে নিখোঁজ ও পরিচয়হীন হয়ে যাবে অথবা দৃষ্টিগোচর হবে না। যেমন অন্যত্র বলেন, {يَقُوْلُ الْإِنْسَانُ يَوْمَئِذٍ اَيْنَ الْمَفَرُّ، كَلاَّ لاَ وَزَرَ، إِلَى رَبِّكَ يَوْمَئِذٍ الْمُسْتَقَرّ}ُ অর্থাৎ, সেদিন মানুষ বলবে, পলায়নের জায়গা কোথায়? না, কোন আশ্রয়স্থল নেই। তোমার পালনকর্তার কাছেই সেদিন ঠাঁই হবে। (সূরা ক্বিয়ামাহ ১০-১২) অথবা نَكِير অর্থ, ইনকার (অস্বীকার) করা। অর্থাৎ, তোমরা নিজেদের পাপসমূহকে অস্বীকার করতে পারবে না। কারণ, প্রথমতঃ সবকিছুই লিখিত থাকবে। দ্বিতীয়তঃ স্বয়ং মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও সাক্ষ্য দেবে। কিংবা যে আযাব তোমাদেরকে তোমাদের পাপের কারণে দেওয়া হবে, তোমরা সেই আযাবকে অস্বীকার করতে পারবে না। কেননা, পাপ স্বীকার করা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।