وَهُوَ ٱلَّذِي يُنَزِّلُ ٱلۡغَيۡثَ مِنۢ بَعۡدِ مَا قَنَطُواْ وَيَنشُرُ رَحۡمَتَهُۥۚ وَهُوَ ٱلۡوَلِيُّ ٱلۡحَمِيدُ

ওয়া হুওয়াল্লাযী ইউনাঝঝিলুল গাইছা মিম বা‘দি মা-কানাতূওয়া ইয়ানশুরু রহমাতাহূ ওয়া হুওয়াল ওয়ালিইয়ুল হামীদ।উচ্চারণ

তিনিই সে মহান সত্তা যিনি মানুষের নিরাশ হয়ে যাওয়ার পর বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং রহমত বিস্তার করে দেন। তিনি প্রশংসার যোগ্য অভিভাবক। ৪৯ তাফহীমুল কুরআন

তিনিই মানুষ হতাশ হয়ে যাওয়ার পর বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং নিজ রহমত বিস্তার করেন। তিনিই (সকলের) প্রশংসাযোগ্য অভিভাবক।মুফতী তাকী উসমানী

তারা যখন হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে তখনই তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তাঁর করুণা বিস্তার করেন। তিনিই অভিভাবক, প্রশংসা।মুজিবুর রহমান

মানুষ নিরাশ হয়ে যাওয়ার পরে তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং স্বীয় রহমত ছড়িয়ে দেন। তিনিই কার্যনির্বাহী, প্রশংসিত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরা যখন হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে তখনই তিনি বৃষ্টি প্রেরণ করেন এবং তাঁর করুণা বিস্তার করেন। তিনিই তো অভিভাবক, প্রশংসার্হ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তারা নিরাশ হয়ে পড়লে তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তাঁর রহমত ছড়িয়ে দেন। আর তিনিই তো অভিভাবক, প্রশংসিত।আল-বায়ান

মানুষ নিরাশ হয়ে যাওয়ার পর তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন, আর স্বীয় রহমত ছড়িয়ে দেন, তিনি-ই সকল গুণে প্রশংসিত প্রকৃত অভিভাবক।তাইসিরুল

আর তিনিই সেইজন যিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন তারা হতাশ হয়ে পড়ার পরে, আর প্রসারিত করেন তাঁর করুণা। আর তিনিই মুরব্বী, পরম প্রশংসিত।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৪৯

এখানে অলী অর্থ এমন সত্তা যিনি তাঁর নিজের তৈরী সমস্ত সৃষ্টির সব ব্যাপারের তত্বাবধায়ক, যিনি বান্দাদের সমস্ত অভাব ও প্রয়োজন পূরণের সব দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২৮. আর তাদের নিরাশ হওয়ার পরে তিনিই বৃষ্টি প্রেরণ করেন এবং তাঁর রহমত ছড়িয়ে দেন; এবং তিনিই অভিভাবক, অত্যন্ত প্রশংসিত।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৮) ওদের হতাশাগ্রস্ত হয়ে যাওয়ার পর তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন(1) এবং তাঁর করুণা বিস্তার করেন। তিনিই তো অভিভাবক, প্রশংসার্হ। (2)

(1) যা বিভিন্ন প্রকারের রুযী উৎপাদনের ব্যাপারে সর্বাধিক উপকারী এবং অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এই বৃষ্টি যখন হতাশার পর হয়, তখনই এই নিয়ামতের প্রতি সঠিক অনুভূতি সৃষ্টি হয়। আর মহান আল্লাহর এ রকম করার কৌশলও হল এটাই, যাতে বান্দা আল্লাহর নিয়ামতের কদর করে এবং তাঁর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে।

(2) তিনি সমস্ত কৃতিত্বের মালিক। তিনিই তাঁর নেক বান্দাদের আহারের ব্যবস্থা করেন। সর্বপ্রকার উপকারী জিনিস দানে ধন্য করেন। যাবতীয় অনিষ্টকর এবং ক্ষতিকর জিনিস হতে তাদেরকে হিফাযত করেন। তিনি তাঁর অসংখ্য নিয়ামত এবং সীমাহীন অনুগ্রহের দরুন প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।