فَٱصۡبِرۡ إِنَّ وَعۡدَ ٱللَّهِ حَقّٞۚ فَإِمَّا نُرِيَنَّكَ بَعۡضَ ٱلَّذِي نَعِدُهُمۡ أَوۡ نَتَوَفَّيَنَّكَ فَإِلَيۡنَا يُرۡجَعُونَ

ফাসবির ইন্না ওয়া‘দাল্লা-হি হাক্কুন ফাইম্মা-নুরিয়ান্নাকা বা‘দাল্লাযী না‘ইদুহুম আও নাতাওয়াফফাইয়ান্নাকা ফাইলাইনা-ইউরজা‘ঊন।উচ্চারণ

হে নবী, ধৈর্য্য অবলম্বন করো। ১০৫ আল্লাহর ওয়াদা সত্য। আমি তাদেরকে যে মন্দ পরিণতির ভয় দেখাচ্ছি এখন তোমার সামনেই এদেরকে তার কোন অংশ দেখিয়ে দেই কিংবা (তার আগেই) তোমাকে পৃথিবী থেকে উঠিয়ে নেই, সর্বাবস্থায় এদেরকে আমার কাছে ফিরে আসতে হবে। ১০৬ তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং (হে রাসূল!) তুমি সবর অবলম্বন কর। নিশ্চয়ই আল্লাহর ওয়াদা সত্য। আমি তাদেরকে (অর্থাৎ কাফেরদেরকে) যার (অর্থাৎ যে শাস্তির) ভয় দেখাচ্ছি, আমি তার কিছুটা তোমাকে (তোমার জীবনে) দেখিয়ে দেই অথবা (তার আগেই) তোমাকে দুনিয়া থেকে তুলে নেই, সর্বাবস্থায় তাদেরকে আমার কাছেই ফিরিয়ে আনা হবে।মুফতী তাকী উসমানী

সুতরাং তুমি ধৈর্য ধারণ কর। আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। আমি তাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি প্রদান করি তার কিছু যদি দেখিয়েই দিই অথবা তোমার মৃত্যু ঘটাই - তাদের প্রত্যাবর্তনতো আমারই নিকট।মুজিবুর রহমান

অতএব আপনি সবর করুন। নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। অতঃপর আমি কাফেরদেরকে যে শাস্তির ওয়াদা দেই, তার কিয়দংশ যদি আপনাকে দেখিয়ে দেই অথবা আপনার প্রাণ হরণ করে নেই, সর্বাবস্থায় তারা তো আমারই কাছে ফিরে আসবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সুতরাং তুমি ধৈর্য ধারণ কর। নিশ্চয় আল্লাহ্ র প্রতিশ্রুতি সত্য। আমি এদেরকে যে প্রতিশ্রুতি প্রদান করি তার কিছু যদি তোমাকে দেখিয়েই দেই বা তোমার মৃত্যু ঘটাই-এদের প্রত্যাবর্তন তো আমারই নিকট। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি ধৈর্যধারণ কর। নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। আর আমি তাদেরকে যে ওয়াদা দেই, তার কিছু অংশ যদি তোমাকে দেখাই অথবা তোমাকে মৃত্যু দেই, তাহলেও তারা আমার কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।আল-বায়ান

অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর, (কেননা) আল্লাহর ওয়া‘দা সত্য। অতঃপর আমি তাদেরকে (শাস্তির) যে ওয়া‘দা দিয়েছি তার কিছু যদি তোমাকে (এ পৃথিবীতেই) দেখিয়ে দেই অথবা (তাদেরকে শাস্তি দেয়ার পূর্বেই) তোমার মৃত্যু ঘটাই, (উভয় অবস্থাতেই) তাদেরকে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে। (আমার শাস্তি থেকে তারা রেহাই পাবে না)।তাইসিরুল

কাজেই তুমি অধ্যবসায় চালিয়ে যাও, নিশ্চয় আল্লাহ্‌র ওয়াদা সত্য। সুতরাং তাদের যা ওয়াদা করা হয়েছে আমরা যদি তার কিছুটা তোমাকে দেখিয়েই দিই অথবা তোমার মৃত্যুই ঘটাই, সর্বাবস্থায় আমাদেরই কাছে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১০৫

অর্থাৎ যারা ঝগড়া ও বির্তক দ্বারা তোমাদের মোকাবিলা করছে এবং হীন চক্রান্তের মাধ্যমে তোমাদেরকে হেয় করতে চাচ্ছে তাদের কথা ও আচরণের জন্য ধৈর্য অবলম্বন করো।

১০৬

অর্থাৎ যে ব্যক্তিই তোমাকে পরাভূত করার জন্য চেষ্টা করেছে তাকেই এ পৃথিবীতে এবং তোমার জীবদ্দশাতেই আমি শাস্তি দেবো তা জরুরী নয়। কেউ এখানে শাস্তি পাক বা না পাক সে আমার শাস্তি থেকে কোন অবস্থায়ই রক্ষা পেতে পারে না। মৃত্যুর পর তাকে আমার কাছেই আসতে হবে। তখন সে তার কৃতকর্মের পুরো শাস্তি ভোগ করবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৭৭. সুতরাং আপনি ধৈর্য ধারণ করুন। নিশ্চয় আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। অতঃপর আমরা তাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি প্ৰদান করি তার কিছু যদি আপনাকে দেখিয়ে দেই অথবা আপনার মৃত্যু ঘটাই—তবে তাদের ফিরে আসা তো আমাদেরই কাছে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৭৭) সুতরাং তুমি ধৈর্য ধারণ কর, নিশ্চয় আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য।(1) আমি ওদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তার কিছু যদি তোমাকে দেখিয়ে দিই(2) অথবা তার পূর্বে তোমার মৃত্যু ঘটাই- (সর্বাবস্থায়) ওদের প্রত্যাবর্তন তো আমারই নিকট। (3)

(1) আর তা এই যে, আমি কাফেরদের নিকট থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করব। আর এই প্রতিশ্রুতি সত্বরও পূরণ হতে পারে। অর্থাৎ, দুনিয়াতেই আমি তাদেরকে পাকড়াও করব অথবা আমার ইচ্ছানুযায়ী এতে বিলম্বও হতে পারে। অর্থাৎ, কিয়ামতের দিন আমি তাদেরকে শাস্তি দেব। তবে এ কথা নিশ্চিত যে, আমার পাকড়াও থেকে রেহাই পেয়ে কোথাও পালাতে পারবে না।

(2) অর্থাৎ, তোমার জীবদ্দশায় তাদেরকে আযাবে পতিত করি। আর হলও তা-ই। আল্লাহ কাফেরদের নিকট থেকে প্রতিশোধ নিয়ে মুসলিমদের চক্ষু শীতল করলেন। বদর যুদ্ধে ৭০ জন কাফের মারা গেল। হিজরী ৮ম সনে মক্কা বিজয় হল এবং নবী করীম (সাঃ)-এর যুগেই সম্পূর্ণ আরব উপদ্বীপ মুসলিমদের কব্জায় চলে এল।

(3) অর্থাৎ, কাফেররা যদি পার্থিব শাস্তি থেকে বেঁচেও যায়, তবুও শেষে যাবে কোথায়? অবশেষে আমার কাছেই আসবে। আর এখানে তাদের জন্য কঠিন শাস্তি প্রস্তুত আছে।