وَقَالَ مُوسَىٰٓ إِنِّي عُذۡتُ بِرَبِّي وَرَبِّكُم مِّن كُلِّ مُتَكَبِّرٖ لَّا يُؤۡمِنُ بِيَوۡمِ ٱلۡحِسَابِ

ওয়া ক-লা মূছাইন্নী ‘উযতুবিরববী ওয়া রব্বিকুম মিন কুল্লি মুতাকাব্বিরিল লা-ইউ’মিনু বিইয়াওমিল হিছা-ব।উচ্চারণ

মূসা বললো, যেসব অহংকারী হিসেবের দিনের প্রতি ঈমান পোষণ করে না, তাদের প্রত্যেকের মোকাবিলায় আমি আমার ও তোমাদের রবের আশ্রয় গ্রহণ করেছি। ৪৪ তাফহীমুল কুরআন

মূসা বলল, হিসাব দিবসে বিশ্বাস করে না এমন প্রত্যেক অহংকারী থেকে আমি সেই সত্তার আশ্রয় গ্রহণ করেছি, যিনি আমার প্রতিপালক এবং তোমাদেরও প্রতিপালক।মুফতী তাকী উসমানী

মূসা বললঃ যারা বিচার দিনে বিশ্বাস করেনা, সেই সব উদ্ধত ব্যক্তি হতে আমি আমার ও তোমাদের রবের শরণাপন্ন হচ্ছি।মুজিবুর রহমান

মূসা বলল, যারা হিসাব দিবসে বিশ্বাস করে না এমন প্রত্যেক অহংকারী থেকে আমি আমার ও তোমাদের পালনকর্তার আশ্রয় নিয়ে নিয়েছি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

মূসা বলল, ‘যারা বিচার দিবসে বিশ্বাস করে না, সেই সকল উদ্ধত ব্যক্তি হতে আমি আমার ও তোমাদের প্রতিপালকের শরণাপন্ন হয়েছি।’ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলল, ‘আমি আমার রব ও তোমাদের রবের কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি প্রত্যেক অহঙ্কারী থেকে, যে বিচার দিনের প্রতি ঈমান রাখে না’।আল-বায়ান

মূসা বলল- আমি আমার ও তোমাদের প্রতিপালকের আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল দাম্ভিক অহংকারীদের হতে, যারা বিচার দিবসে বিশ্বাস করে না।তাইসিরুল

আর মূসা বললেন -- "আমি নিশ্চয়ই আমার প্রভুর ও তোমাদের প্রভুর আশ্রয় চাইছি প্রত্যেক অহংকারী থেকে যে হিসেব- নিকেশের দিনের প্রতি বিশ্বাস করে না।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৪৪

এখানে দু’টি সমান সম্ভাবনা বিদ্যমান। এ দু’টি সম্ভাবনার কোনটিকেই অগ্রাধিকার দেয়ার কোন ইঙ্গিত এখানে নেই। একটি সম্ভাবনা হচ্ছে, হযরত মূসা নিজেই সে সময় দরবারে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর উপস্থিতিতেই ফেরাউন তাঁকে হত্যা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে এবং হযরত মূসা (আ) তাকে ও তার সভাসদদের উদ্দেশ্য করে তখনই সবার সামনে প্রকাশ্যে এ জবাব দেন। অপর সম্ভাবনাটি হচ্ছে, ফেরাউন হযরত মূসার (আ) অনুপস্থিতিতে তার সরকারের দায়িত্বশীল লোকদের কোন মজলিসে একথা প্রকাশ করে এবং হযরত মূসাকে (আ) তার এ আলোচনার খবর কিছু সংখ্যক ঈমানদার লোক পৌঁছিয়ে দেয়, আর তা শুনে তিনি তাঁর অনুসারীদের একথা বলেন। এ দু’টি অবস্থার যেটিই বাস্তবে ঘটে থাকুক না কেন হযরত মূসার (আ) কথায় স্পষ্টত প্রকাশ পাচ্ছে যে, ফেরাউনের হুমকি তাঁর মনে সামান্যতম ভীতিভাবও সৃষ্টি করতে পারেনি। তিনি আল্লাহর ওপর নির্ভর করে তার হুমকির জবাব তার মুখের ওপরেই দিয়ে দিয়েছেন। যে পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কুরআন মজীদে এ ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে তা থেকে আপনা আপনি একথা প্রকাশ পায় যে, “হিসেবের দিন” সম্পর্কে বেপরোয়া হয়ে যেসব জালেমরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছিলো তাদের জন্যও সে একই জবাব।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২৭. মূসা বললেন, আমি আমার রব ও তোমাদের রবের নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি এমন প্রত্যেক অহংকারী হতে যে বিচার দিনের উপর ঈমান রাখে না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৭) মূসা বলল, ‘যারা বিচার দিনে বিশ্বাস করে না, সে সকল উদ্ধত ব্যক্তি হতে আমি আমার ও তোমাদের প্রতিপালকের আশ্রয় প্রার্থনা করেছি।’ (1)

(1) মূসা (আঃ)-যখন এ কথা জানতে পারলেন যে, ফিরআউন তাঁকে হত্যা করার ইচ্ছা রাখে, তখন তিনি আল্লাহর নিকট তার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করলেন। নবী (সাঃ)-এর মধ্যে যখন শত্রুর ভয় সৃষ্টি হত, তখন তিনি এই দু’আটি পাঠ করতেন, (اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ ) ‘‘হে আল্লাহ! আমরা তোমাকে ওদের মুখোমুখি করছি এবং ওদের অনিষ্টকারিতা থেকে তোমার নিকট পরিত্রাণ চাচ্ছি।’’ (আহমাদ ৪/৪১৫)