কুরআ-নান ‘আরবিইয়ান গাইর যী ‘ইওয়াজিল লা‘আল্লাহুম ইয়াত্তাকূন।উচ্চারণ
আরবী ভাষার কুরআন ৪৬ --- যাতে কোন বক্রতা নেই। ৪৭ যাতে তারা মন্দ পরিণাম থেকে রক্ষা পায়। তাফহীমুল কুরআন
এটা আরবী কুরআন, নয় বক্রতাপূর্ণ, যাতে মানুষ তাকওয়া অবলম্বন করে। #%১৪%#মুফতী তাকী উসমানী
আরাবী ভাষার এই কুরআন বক্রতামুক্ত, যাতে মানুষ সাবধানতা অবলম্বন করে।মুজিবুর রহমান
আরবী ভাষায় এ কোরআন বক্রতামুক্ত, যাতে তারা সাবধান হয়ে চলে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আরবী ভাষায় এই কুরআন বক্রতামুক্ত, যাতে মানুষ সাবধানতা অবলম্বন করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বক্রতামুক্ত আরবী কুরআন। যাতে তারা তাকওয়া অবলম্বন করতে পারে।আল-বায়ান
আরবী ভাষায় (অবতীর্ণ) কুরআন, এতে নেই কোন বক্রতা (পেচানো কথা), যাতে তারা (অন্যায় অপকর্ম হতে) বেঁচে চলতে পারে।তাইসিরুল
আরবী কুরআন, কোনো জটিলতা বিহীন, যেন তারা ধর্মভীরুতা অবলন্বন করতে পারে।মাওলানা জহুরুল হক
৪৬
অর্থাৎ এ কিতাব অন্য কোন ভাষায় নাযিল হয়নি যে, তা বুঝার জন্য মক্কা ও আরবের লোকদের কোন অনুবাদক বা ব্যাখ্যাকারের দরকার হয়। এ কিতাব তাদের নিজের ভাষায় নাযিল হয়েছে। যা তারা নিজেরাই সরাসরি বুঝতে সক্ষম।
৪৭
অর্থাৎ তার মধ্যে কোন বক্রতা বা জাটিলতাপূর্ণ কোন কথা নেই যে, তা বুঝা সাধারণ মানুষের জন্য কঠিন হবে। বরং এর মধ্যে পরিষ্কারভাবে সহজ-সরল কথা বলা হয়েছে। প্রত্যেক ব্যক্তি এখান থেকে জেনে নিতে পারে এ গ্রন্থ কোন্ জিনিসকে ভ্রান্ত বলে এবং কেন বলে? কোন্ জিনিসকে সঠিক বলে এবং কিসের ভিত্তিতে? কি স্বীকার করাতে চায় এবং কোন্ জিনিস অস্বীকার করাতে চায়। কোন্ কোন্ কাজের নির্দেশ দেয় এবং কোন্ কোন্ কাজে বাঁধা দেয়।
অর্থাৎ কুরআনের ভাষা নয় প্যাঁচানো এবং বিষয়বস্তু নয় জটিল ও বিসদৃশ, যা কারও পক্ষে বোঝা ও মানা কষ্টসাধ্য হবে। মানার ইচ্ছায় পাঠ করলে যে কেউ এর দ্বারা অনুপ্রেরণা লাভ করবে, পথের সন্ধান পাবে এবং তাকওয়া অবলম্বনে প্রস্তুত হয়ে যাবে। -অনুবাদক
২৮. আরবী ভাষায় এ কুরআন বক্রতামুক্ত, যাতে তারা তাকওয়া অবলম্বন করে।
(২৮) আরবী ভাষায় এ কুরআন; যাতে কোন জটিলতা নেই, যাতে ওরা সাবধানতা অবলম্বন করে।(1)
(1) অর্থাৎ, কুরআন শুদ্ধ আরবী ভাষাতে অবতীর্ণ করা হয়েছে, যাতে কোন বক্রতা, বঙ্কিমতা ও জটিলতা নেই। যাতে মানুষ তাতে বর্ণিত শাস্তিসমূহকে ভয় করে এবং তাতে বর্ণিত প্রতিশ্রুতি অর্জন করার নিমিত্তে আমল করে।