فَسَخَّرۡنَا لَهُ ٱلرِّيحَ تَجۡرِي بِأَمۡرِهِۦ رُخَآءً حَيۡثُ أَصَابَ

ফাছাখখারনা-লাহুররীহা তাজরী বিআমরিহী রুখাআন হাইছুআসা-ব।উচ্চারণ

তখন আমি বাতাসকে তাঁর জন্য অনুগত করে দিলাম, যা তাঁর হুকুমে যেদিকে সে চাইতো মৃদুমন্দ গতিতে প্রবাহিত হতো। ৩৭ তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং আমি বাতাসকে তার অধীন করে দিলাম, যা তার আদেশে সে যেথায় চাইত মন্থর গতিতে বয়ে যেত। #%২১%#মুফতী তাকী উসমানী

তখন আমি তার অধীন করে দিলাম বায়ুকে যা তার আদেশে, সে যেখানে ইচ্ছা করত সেখানে মৃদুমন্দ গতিতে প্রবাহিত হত।মুজিবুর রহমান

তখন আমি বাতাসকে তার অনুগত করে দিলাম, যা তার হুকুমে অবাধে প্রবাহিত হত যেখানে সে পৌছাতে চাইত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তখন আমি তার অধীন করে দিলাম বায়ুকে, যা তার আদেশে, সে যেখানে ইচ্ছা করত সেখানে মৃদুমন্দভাবে প্রবাহিত হত, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে আমি বায়ুকে তার অনুগত করে দিলাম যা তার আদেশে মৃদুমন্দভাবে প্রবাহিত হত, যেখানে সে পৌঁছতে চাইত।আল-বায়ান

অতঃপর বাতাসকে তার অধীন করে দিলাম, তার আদেশে তা মৃদুমন্দ গতিতে প্রবাহিত হত, যেখানে সে ইচ্ছে করত।তাইসিরুল

তারপর আমরা বাতাসকে তাঁর জন্য অনুগত করে দিলাম, তাঁর আদেশে তা স্বচ্ছন্দগতিতে চলত যেখানে তিনি পাঠাতেন,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩৭

সূরা আল আম্বিয়ার ব্যাখ্যায় এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। (দেখুন তাফহীমুল কুরআন, সূরা আল আম্বিয়া, ৭৪ টীকা) তবে এখানে একটি কথা সুস্পষ্ট করা প্রয়োজন। সেটি হচ্ছে, সূরা আল আম্বিয়ায় যেখানে বাতাসকে নিয়ন্ত্রিত করার কথা বলা হয়েছে সেখানে الرِّيحَ عَاصِفَةً (প্রবল বায়ু) শব্দাবলী ব্যবহৃত হয়েছে। আর এখানে সে একই বাতাস সম্পর্কে বলা হচ্ছে, تَجْرِي بِأَمْرِهِ رُخَاءً (তার হুকুমে সে মৃদুমন্দভাবে প্রবাহিত হতো)। এর অর্থ হচ্ছে, সে বাতাস মূলত প্রবল ছিল যেমন বাতাস চালিত জাহাজ চালাবার জন্য প্রবল বায়ুর প্রয়োজন হয়। কিন্তু হযরত সুলাইমানের জন্য তাকে এ অর্থে মৃদুমন্দ করে দেয়া হয়েছিল যে, তাঁর বাণিজ্যবহর যেদিকে সফর করতে চাইতো সেদিকেই তা প্রবাহিত হতো।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এর ব্যাখ্যা সূরা আম্বিয়ায় (২১ : ৮১) চলে গেছে।

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৬. তখন আমরা তার অধীন করে দিলাম বায়ুকে, যা তার আদেশে, তিনি যেখানে ইচ্ছে করতেন সেখানে মৃদুমন্দভাবে প্রবাহিত হত,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৬) তখন আমি বায়ুকে তার অধীন করে দিলাম, সে যেখানে ইচ্ছা করত সেখানে (বায়ু) মৃদু গতিতে (তাকে নিয়ে) প্রবাহিত হত। (1)

(1) অর্থাৎ, আমি সুলাইমানের দু’আ কবুল করলাম এবং তাকে এমন সাম্রাজ্য প্রদান করলাম, যাতে বাতাসও তার অনুগত ছিল। এখানে অনুগত বাতাসকে মৃদুমন্দ গতিতে প্রবহমান বলা হয়েছে, অথচ অন্য স্থানে তাকে প্রবল বলা হয়েছে। (সূরা আম্বিয়া ৮১ আয়াত) এর অর্থ এই যে, বায়ু সৃষ্টিগত শক্তি অনুযায়ী প্রবল। কিন্তু সুলাইমান (আঃ)-এর জন্য তা মন্থর করে দেওয়া হয়েছিল। অথবা সুলাইমান (আঃ)-এর চাহিদা অনুযায়ী কখনো প্রবল হত, কখনো মন্থর হত। (ফাতহুল ক্বাদীর)