ওয়া ওয়াহাবনা-লিদা-ঊদা ছুলাইমা-না নি‘মাল ‘আবদু; ইন্নাহূআওওয়া-ব।উচ্চারণ
আর দাউদকে আমি সুলাইমান (রূপ) সন্তান দিয়েছি, ৩২ সর্বোত্তম বান্দা, বিপুলভাবে নিজের রবের দিকে প্রত্যাবর্তনকারী। তাফহীমুল কুরআন
আমি দাঊদকে দান করলাম সুলাইমান (-এর মত পুত্র)। সে ছিল উত্তম বান্দা। নিশ্চয়ই সে ছিল অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী।মুফতী তাকী উসমানী
আমি দাঊদকে দান করলাম সুলাইমান। সে ছিল উত্তম বান্দা এবং সে ছিল অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী।মুজিবুর রহমান
আমি দাউদকে সোলায়মান দান করেছি। সে একজন উত্তম বান্দা। সে ছিল প্রত্যাবর্তনশীল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি দাঊদকে দান করলাম সুলায়মান। সে ছিল উত্তম বান্দা এবং সে ছিল অতিশয় আল্লাহ্ অভিমুখী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আমি দাঊদকে দান করলাম সুলাইমান। সে কতই না উত্তম বান্দা! নিঃসন্দেহে সে ছিল অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী।আল-বায়ান
আমি দাঊদের জন্য দান করেছিলাম সুলাইমান। কতই না উত্তম বান্দাহ! বার বার (অনুশোচনাভরে) আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।তাইসিরুল
আর আমরা দাউদের জন্য সুলাইমানকে দিয়েছিলাম। অতি উত্তম বান্দা! নিঃসন্দেহ তিনি বারবার ফিরতেন।মাওলানা জহুরুল হক
৩২
হযরত সুলাইমান সম্পর্কিত আলোচনা ইতিপূর্বে নিম্নোক্ত স্থানগুলোতে এসেছেঃ তাফহীমুল কুরআন, আল বাকারাহ, ১০৪ ; বনী ইসরাঈল, ৭; আল আম্বিয়া, ৭০-৭৫ ; আন নামল, ১৮-৫৬ টীকাসমূহে এবং সাবা, ১২-১৪ আয়াতসমূহে।
৩০. আর আমরা দাউদকে দান করলাম সুলাইমান।(১) কতই না উত্তম বান্দা তিনি! নিশ্চয় তিনি ছিলেন অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী।
(১) সুলাইমান আলাইহিস সালাম সম্পর্কিত আলোচনা ইতিপূর্বে বিভিন্ন সূরায় বর্ণিত হয়েছে, (যেমন: সূরা আল-বাকারাহ: ১০৪; সূরা আল-ইসরা: ৭; সূরা আল-আম্বিয়া: ৭০–৭৫; সূরা আন-নামল: ১৮–৫৬ এবং সূরা সাবা: ১২–১৪)
(৩০) আমি দাঊদকে (পুত্ররূপে) সুলাইমান দান করলাম। কতই না উত্তম দাস সে। নিশ্চয় সে আল্লাহ-অভিমুখী।