وَأَمَّا ٱلَّذِينَ ٱبۡيَضَّتۡ وُجُوهُهُمۡ فَفِي رَحۡمَةِ ٱللَّهِۖ هُمۡ فِيهَا خَٰلِدُونَ

ওয়া আম্মাল্লাযীনাব ইয়াদ্দাত উজূহুহুম, ফাফী রহমাতিল্লা-হি হুম ফীহা-খা-লিদূ ন।উচ্চারণ

আর যাদের চেহারা উজ্জ্বল হবে, তারা আল্লাহ‌র রহমতের আশ্রয় লাভ করবে এবং তারা চিরকাল এই অবস্থায় থাকবে। তাফহীমুল কুরআন

পক্ষান্তরে যাদের মুখ উজ্জ্বল হবে, তারা আল্লাহর রহমতের ভেতর স্থান পাবে এবং তারা তাতেই সর্বদা থাকবে।মুফতী তাকী উসমানী

আর যাদের মুখমণ্ডল শুভ্র হবে, তারা আল্লাহর করুণার অন্তর্ভুক্ত, তারা তন্মধ্যে সদা অবস্থান করবে।মুজিবুর রহমান

আর যাদের মুখ উজ্জ্বল হবে, তারা থাকবে রহমতের মাঝে। তাতে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আর যাদের মুখ উজ্জ্বল হবে তারা আল্লাহ্ র অনুগ্রহে থাকবে, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যাদের চেহারা সাদা হবে, তারা তো আল্লাহর রহমতে থাকবে। তারা সেখানে স্থায়ী হবে।আল-বায়ান

যাদের মুখ উজ্জ্বল হবে, তারা আল্লাহর রহমতের মধ্যে থাকবে, তারা তাতে চিরকাল থাকবে।তাইসিরুল

আর যাদের চেহারা ঝক্‌মকে হবে তাদের ক্ষেত্রে -- তারা থাকবে আল্লাহ্‌র করুণাসিন্ধুতে, এতে তারা থাকবে চিরকাল।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১০৭. আর যাদের মুখ উজ্জল হবে তারা আল্লাহর অনুগ্রহে থাকবে(১), সেখানে তারা স্থায়ী হবে।

(১) শুভ্র মুখমণ্ডলবিশিষ্টদের সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তারা সর্বদা আল্লাহর অনুকম্পার মধ্যে অবস্থান করবে। ইবনে-আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেনঃ এখানে আল্লাহর অনুকম্পা বলে জান্নাত বুঝানো হয়েছে। তবে জান্নাতকে অনুকম্পা বলার রহস্য এই যে, মানুষ যত ইবাদাতই করুক না কেন, আল্লাহর অনুকম্পা ব্যতীত জান্নাতে যেতে পারবে না। কারণ, ইবাদাত করা মানুষের নিজস্ব পরাকাষ্ঠা নয়; বরং আল্লাহর প্রদত্ত সামর্থের বলেই মানুষ ইবাদাত করতে পারে। সুতরাং ইবাদাত করলেই জান্নাতে প্রবেশ অপরিহার্য হয়ে যায় না। বরং আল্লাহর অনুকম্পার দ্বারাই জান্নাতে প্রবেশ করা সম্ভব।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১০৭) আর যাদের মুখমন্ডল উজ্জ্বলবর্ণ হবে, তারা আল্লাহর করুণায় অবস্থান করবে। সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে।