আম নাজ‘আলুল্লাযীনা আ-মানূওয়া ‘আমিলুসসা-লিহা-তি কালমুফছিদীনা ফিল আরদি আম নাজ‘আলুল মুত্তাকীনা কালফুজ্জা-র ।উচ্চারণ
যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে আর যারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করে তাদেরকে আমি কি সমান করে দেবো? মুত্তাকীদেরকে কি আমি দুষ্কৃতকারীদের মতো করে দেবো? ৩০ তাফহীমুল কুরআন
যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, আমি কি তাদেরকে সেই সব লোকের সমান গণ্য করব, যারা পৃথিবীতে অশান্তি বিস্তার করে? না কি আমি মুত্তাকীদেরকে পাপাচারীদের সমান গণ্য করব? #%১৬%#মুফতী তাকী উসমানী
যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে এবং যারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করে বেড়ায় আমি কি তাদেরকে সমগন্য করব? আমি কি মুত্তাকীদেরকে অপরাধীদের সমান গন্য করব?মুজিবুর রহমান
আমি কি বিশ্বাসী ও সৎকর্মীদেরকে পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী কাফেরদের সমতুল্য করে দেব? না খোদাভীরুদেরকে পাপাচারীদের সম্মান করে দেব।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং যারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করে বেড়ায়, আমি কি তাদেরকে সমান গণ্য করব? আমি কি মুত্তাকীদেরকে অপরাধীদের সমান গণ্য করব ? ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যারা ঈমান আনে ও নেক আমল করে আমি কি তাদেরকে যমীনে বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের সমতুল্য গণ্য করব? নাকি আমি মুত্তাকীদেরকে পাপাচারীদের সমতুল্য গণ্য করব?আল-বায়ান
যারা ঈমান আনে আর সৎ কাজ করে তাদেরকে কি আমি ওদের মত করব যারা দুনিয়াতে বিপর্যয় সৃষ্টি করে? আমি মুত্তাক্বীদের কি অপরাধীদের মত গণ্য করব?তাইসিরুল
যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করছে তাদের কি আমরা পৃথিবীতে ফ্যাসাদ-সৃষ্টিকারীদের ন্যায় গণ্য করব? অথবা ধর্মভীরুদের কি আমরা জ্ঞান করব পাপিষ্ঠদের ন্যায়?মাওলানা জহুরুল হক
৩০
অর্থাৎ সৎ ও অসৎ উভয় শেষ পর্যন্ত সমান হয়ে যাবে একথা কি তোমাদের মতে যুক্তিসঙ্গত? কোন সৎলোক তার সততার কোন পুরস্কার পাবে না এবং কোন অসৎলোক তার অসৎকাজের শাস্তি ভোগ করবে না, এ ধারণায় কি তোমরা নিশ্চিত হতে পারো? একথা সুস্পষ্ট, যদি আখেরাত না থাকে, আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন প্রকার জবাবদিহি না হয় এবং মানুষের কাজের কোন পুরস্কার ও শাস্তি না দেয়া হয় তাহলে এর মাধ্যমে আল্লাহর প্রজ্ঞা ও ইনসাফ অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে এবং বিশ্ব-জাহানের সমগ্র ব্যবস্থা একটি অরাজক ব্যবস্থায় পরিণত হয়। এ ধারণার ভিত্তিতে বিচার করলে দুনিয়ায় আদৌ সৎকাজের কোন উদ্যোক্তা এবং অসৎকাজ থেকে বিরত রাখার জন্য কোন প্রতিবন্ধকতাই থাকে না। আল্লাহর সার্বভৌম কর্তৃত্ব নাউযুবিল্লাহ যদি এমনি অরাজক ব্যাপার হয় তাহলে এ পৃথিবীতে যে ব্যক্তি কষ্টভোগ করে নিজে সৎ জীবন যাপন করে এবং মানুষের সংস্কার সাধনের কাজে আত্মনিয়োগ করে সে বড়ই নির্বোধ। আর যে ব্যক্তি অনুকূল সুযোগ-সুবিধা পেয়ে সব রকমের বাড়াবাড়ি করে লাভের ফল কুড়াতে থাকে এবং সব ধরনের ফাসেকী ও অশালীন কার্যকলাপের মাধ্যমে আনন্দ উপভোগ করতে থাকে সে বুদ্ধিমান।
আখেরাত যে অপরিহার্য এটা তার দলীল। পূর্বের আয়াতসমূহের সাথে এর যোগসূত্র এই যে, আল্লাহ তাআলা হযরত দাঊদ আলাইহিস সালামকে আদেশ করেছিলেন, তাকে যখন তাঁর খলীফা বানানো হয়েছে, তখন তিনি যেন মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচার করেন। আল্লাহ তাআলা যেন বলছেন, আমি আমার খলীফাকে যখন ন্যায়বিচারের আদেশ করেছি, তখন আমি নিজে কি করে অবিচার করতে পারি? এই ন্যায়বিচারের জন্যই আখেরাত হবে এবং সেখানে ভালো-মন্দের হিসাব-নিকাশ হবে। তা না হলে অর্থ দাঁড়াবে, আমি ভালো লোক ও মন্দ লোকের মধ্যে কোন পার্থক্য রাখিনি এবং দুনিয়ায় কোন ব্যক্তি যতই ভালো কাজ করুক কিংবা যতই মন্দ কাজ করুক, সেজন্য কোন জিজ্ঞাসাবাদ হবে না এবং সৎকর্মশীলদেরকেও দেওয়া হবে না কোন পুরস্কার। এরূপ বেইনসাফী আমি কী করে করতে পারি?
২৮. যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে আমরা কি তাদেরকে যমীনে বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের সমান গণ্য করব? নাকি আমরা মুত্তাকীদেরকে অপরাধীদের সমান গণ্য করব?
(২৮) যারা বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে এবং যারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করে বেড়ায়, আমি কি তাদেরকে সমান গণ্য করব? অথবা সাবধানিগণকে কি অপরাধিগণের সমান গণ্য করব?